Featured Post Today
print this page
Latest Post

নামাজের দোয়া সমুহ


জায়নামাজের দোয়াঃ
জায়নামাজে দাঁড়িয়ে নামাজ শুরুর পূর্বেই এই দোয়া পড়তে হয়,
বাংলা উচ্চারন-ইন্নি ওয়াজ্জাহ তু ওয়াজ্ হিয়া লিল্লাজি, ফাত্বরস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল্ আরদ্বঅ হানি-ফাওঁ ওয়ামা-আনা মিনাল মুশরিকী-ন।


অর্থ-নিশ্চই আমি তারই দিকে মুখ করলাম, যিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন এবং বাস্তবিকই আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই ।


এরপর নামাজের নিয়াত ও তাক্ বীরে তাহঃরীমা
নামাজের ইচ্ছা করাই হচ্ছে নামাজের নিয়াত করা। মুখে উচ্চারণ করা জরুরী নয়, তবে মুস্তাহাব।
সমস্ত নামাজেই ,নাওয়াইঃতু আন্ উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়া'লা


(২ রাকাত হলে) রাক্ 'য়াতাই ছালাতিল
(৩ রাকাত হলে) ছালাছা রাক্ 'য়াতাই ছালাতিল
(৪ রাকাত হলে) আর্ বায় রাক্ 'য়াতাই ছালাতিল


(ওয়াক্তের নাম) ফাজ্ রি/ জ্জুহরি/আ'ছরি/মাগরিবি/ইশাই/জুমুয়া'তি


(কি নামাজ তার নাম) ফারদ্বুল্ল-হি/ওয়াজিবুল্ল-হি/সুন্নাতু রসূলিল্লাহি/নাফলি।


(সমস্ত নামাজেই) তায়া'লা মুতাওয়াজ্জিহান্ ইলা জিহাতিল্ কা'বাতিশ শারীফাতি আল্ল-হু আক্ বার।




বাংলায় নিয়াত করতে চাইলে বলতে হবে,
আমি আল্ল-হ্'র উদ্দেশ্যে ক্কেবল মুখী হয়ে,
ফজরের/জোহরের/আসরের/মাফরিবের/ঈশার/জুময়ার/বি'তরের/তারঅবি/তাহাজ্জুদের (অথবা যে নামাজ হয় তার নাম)
২ র'কাত/৩র'কাত/৪ র'কাত (যে কয় রাকাত নামাজ তার নাম)
ফরজ/ওয়াজিব/সুন্নাত/নফল নামাজ পড়ার নিয়াত করলাম, আল্ল-হু আকবার ।




তাকবীরে তাহরীমা- আল্লাহু আক্ বার, অর্থ-আল্লাহ মহান ।


সানাঃ (হাত বাধার পর এই দোয়া পড়তে হয়)
উচ্চারণ : সুবহা-না কাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহাম্ দিকা ওয়াতাবারঅ কাস্ মুকা ওয়াতা’ আ-লা জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলা-হা গাইরুক।
অর্থ-হে আল্লাহ ! আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং আপনার মহিমা বর্ণনা করছি। আপনার নাম বরকতময়, আপনার মাহাত্ম্য সর্বোচ্চ এবং আপনি ভিন্ন কেহই ইবাদতের যোগ্য নয় ।


তাআ’উজঃ
উচ্চারণ- আউযুবিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম ।
অর্থ-বিতশয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি ।


তাসমিয়াঃ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ।
অর্থ-পরম দাতা ও দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি ।


এরপর সূরা ফাতিহা পাঠ করতে হয়, সূরা ফাতিহা তিলাওয়াতের পর পবিত্র কোর আনের যে কোন জায়গা থেকে তিলাওয়াত করতে হয় ।


রুকুর তাসবীহঃ
উচ্চারণ-সুবহা-না রব্ বি ইঃয়াল্ আ'জ্বীম। অর্থ-মহান প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহাত্মতা ঘোষণা করছি ।


তাসমীঃ (রুকু থেকে দাঁড়ানোর সময় পড়তে হয়) সামি আল্লা হুলিমান হামিদাহ,
অর্থ-প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ শোনেন ।


তাহমীদঃ(রুকু থেকে দাঁড়িয়ে পড়তে হয়) রাব্বানা লাকাল হামদ । অর্থ-হে আমার প্রভু, সমস্ত প্রশংসা আপনারই ।


সিজদার তাসবীহঃ
উচ্চারণ-সুবহা-না রাব্বিয়াল আ'লা। অর্থ-আমার প্রতিপালক যিনি সর্বশ্রেষ্ট, তারই পবিত্রতা বর্ণনা করছি ।


দু'সিজদার মাঝখানে পড়ার দোয়াঃ
উচ্চারণ-আল্লাহু ম্মাগ ফিরলী ওয়ার হামনি ওয়ার যুক্কনী ।
অর্থ- হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে রহম করুন, আমাকে রিজিক দিন ।
তাশাহুদ বা আত্তাহিয়্যাতুঃ
উচ্চারণঃ আত্তাহিয়্যাতু লিল্লা-হি, ওয়াছ ছালা-ওয়াতু, ওয়াত-তাইয়্যিবা তু, আচ্ছালা মু আ'লাইকা, আইয়্যুহান নাবিয়্যু, ওয়ারাহ মাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ, আচ্ছালামু আলাইনা, ওয়া আ'লা ইবাদিল্লা হিছ-ছা লিহীন। আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু ।


অর্থঃ আমাদের সব সালাম শ্রদ্ধা, আমাদের সব নামাজ এবং সকল প্রকার পবিত্রতা একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে। হে নবী, আপনার প্রতি সালাম, আপনার উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক । আমাদের ও আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কেউ নেই, আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, হযরত মুহাম্মদ (সঃ) আল্লাহর বান্দা এবং রাসুল ।
দরুদ শরীফঃ
উচ্চারণ-আল্লহুম্মা ছাল্লি আ'লা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ'লা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা ছাল্লাইতা আ'লা ইব্রহীমা ওয়া আ'লা আ-লি ইব্রহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজী-দ্ ।আল্লাহুম্মা বারিক্ আ'লা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ'লা আ'লি মুহাম্মাদিন, কামা বা-রাকতা আ'লা ইব্রহীমা ওয়া আ'লা আ'লি ইব্রহীমা ইন্নাকা হামিদুম মাজীদ ।


অর্থ-হে আল্লাহ, দয়া ও রহমত করুন হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) এর প্রতি এবং তার বংশধরদের প্রতি, যেমন রহমত করেছেন হযরত ইব্রাহীম (আঃ) ও তার বংশধরদের উপর। নিশ্চই আপনি উত্তম গুনের আধার এবং মহান। হে আল্লাহ, বরকত নাযিল করুন হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) এর প্রতি এবং তার বংশধরদের প্রতি, যেমন করেছেন হযরত ইব্রাহীম (আঃ) ও তার বংশধরদের উপর।নিশ্চই আপনি প্রশংসার যোগ্য ও সম্মানের অধিকারী ।


দোয়ায়ে মাসূরাঃ
উচ্চারন-আল্লা-হুম্মা ইন্নী জ্বলামতু নাফসী জুলমান কাছীরও ওয়ালা ইয়াগফিরু যুনূবা ইল্লা আনতা ফাগ্ ফিরলী মাগফিরাতাম মিন ইনদিকা ওয়ার হামনী ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহীম।



অর্থ-হে মহান আল্লাহ, আমি আমার নিজের উপর অনেক জুলুম করেছি (অর্থাৎ অনেক গুনাহ/পাপ করেছি) কিন্তু আপনি ব্যতীত অন্য কেহ গুনাহ মাফ করতে পারে না। অতএব হে আল্লাহ অনুগ্রহ পূর্বক আমার গুনাহ মাফ করে দিন এবং আমার প্রতি সদয় হোন; নিশ্চই আপনি অতি ক্ষমাশীল ও দয়ালু ।


দোয়ায়ে কুনুতঃ (বিতরের নামাজের পর ৩য় রাকায়াতে সূরা ফাতিহা ও অন্য কিরআত পড়ার পর এই দোয়া পড়তে হয় )।


উচ্চারণ-"আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতা'ঈনুকা ওয়া নাসতাগ ফিরুকা, ওয়া নু'মিনু বিকা ওয়া না তা ওয়াক্কালু আলাইকা ওয়া নুছনি আলাইকাল খাইর। ওয়া নাশকুরুকা, ওয়ালা নাকফুরুকা, ওয়া নাখ লা, ওয়া নাত রুকু মাইয়্যাফ জুরুকা। আল্লাহুম্মা ইয়্যাকা না'বুদু ওয়ালাকা নুছাল্লি ওয়া নাসজুদু ওয়া ইলাইকা নাস'আ, ওয়া নাহফিদু ওয়া নারজু রাহমাতাকা ওয়া নাখ'শা আযাবাকা ইন্না আযা-বাকা বিল কুফফা-রি মুল হিক ।"


অর্থ-হে আল্লাহ, আমারা আপনার নিকট সাহায্য চাই। আপনার নিকট গোনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করি। আপনার প্রতি ঈমান এনেছি। আমরা কেবল মাত্র আপনার উপরেই ভরসা করি। সর্বপ্রকার কল্যান ও মংগলের সাথে আপনার প্রশংসা করি। আমরা আপনার শোকর আদায় করি, আপনার দানকে অস্বীকার করি না।আপনার নিকট ওয়াদা করছি যা, আপনার অবাধ্য লোকদের সাথে আমরা কোন সম্পর্ক রাখব না-তাদেরকে পরিত্যাগ করব । হে আল্লাহ, আমরা আপনারই দাসত্ব স্বীকার করি। কেবলমাত্র আপনার জন্যই নামাজ পড়ি, কেবল আপনাকেই সিজদা করি এবং আমাদের সকল প্রকার চেষ্টা-সাধনা ও কষ্ট স্বীকার কেবল আপনার সন্ততুষ্টির জন্যই । আমরা কেবল আপনার ই রহমত লাভের আশা করি, আপনার আযাবকে আমাওরা ভয় করি। নিশ্চই আপনার আযাবে কেবল কাফেরগনই নিক্ষিপ্ত হবে।
0 comments

গুগ‌ল ব্যবহারকারী হলে অাপ‌নি এই ৯টি লিংক অবশ্যই সেভ করে রাখুন



১। গুগলে সংরক্ষিত আপনার সব তথ্য সহজেই ডাউনলোড করতে পারেন। আপনার ফটো, যোগাযোগের ঠিকানা, জিমেলের মেসেজ, ইউটিউব ভিডিও সবকিছুই ডাউনলোড করতে পারেন এখান থেকেঃ https://www.google.com/takeout

২। এক জন ব্যক্তি যে সকল ওয়েবসাইট ভিজিট করে সেই সব ওয়েবসাইট ও অন্যান্য বিষয়ের উপরে নির্ভর করে গুগল প্রত্যেকের জন্য একটি প্রোফাইল তৈরি করে। আপনার আগ্রহের বিষয়, বয়স, জেন্ডার ইত্যাদির সাথে সঙ্গতি রেখে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখায় গুগল।
https://www.google.com/ads/preferences

৩। গুগল ক্রোম ব্যবহার করে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়। গুগলের নিদির্ষ্ট ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে সেই সব পাসওয়ার্ড ও ইউজারনেম সংরক্ষিত থাকে। https://passwords.google.com

৪। আপনার ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট কেউ কপি করেছে?। তারা যদি গুগলের কোনও পরিষেবা গ্রহণ করে তাহলে আপনি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে পারেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গুগল সেই ওয়েবসাইটের নির্দিষ্ট বিষয়টি সার্চ রেজাল্ট থেকে মুছে দেবে। https://support.google.com/legal

৫। কারো অ্যান্ড্রয়েডে ডিভাইসে যদি লোকেশন সার্ভিস অন থাকে তাহলে তিনি এই মুহূর্তে কোথায় আছেন কিংবা কত বেগে অন্য কোথাও যাচ্ছেন তা গুগল ম্যাপের সাহায্যে খুঁজে বের করা যায়। শুধু এখনকার নয়, অতীতের তথ্যও দেখা যাবে। https://maps.google.com/locationhistory

৬। গুগল কিংবা ইউটিউব আপনার প্রতিটি সার্চ সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করে। আপনি কোন ওয়েবসাইটে ক্লিক করেছেন, কোন ভিডিও দেখেছেন সবই জমা খাকে গুগলের কাছে। এমনকি আপনি যদি অডিও ক্লিপ দিয়ে সার্চ করেন তারও হদিস পাওয়া যাবে নিচের তিনটি লিংক থেকে।
https://history.google.com
https://www.youtube.com/feed/history
https://history.google.com/history/audio


৭। জিমেইল বা ইউটিউবের অ্যাকাউন্ট লগইন করতে গেলে ইউজারনেমের জায়গায় সাধারণত পুরো ইমেল অ্যাড্রেসটি টাইপ করতে হয়। যেমন "bangladesh@gmail.com" লিখতে হয়। তবে এই লিংকটি ব্যবহার করে যেকোনো ইউজারনেম ব্যবহার করা যাবে। অর্থাৎ ইউজারনেমের জায়গায় শুধুমাত্র bangladesh কিংবা অন্যকিছু লিখে পাসওয়ার্ড দিলেও লগইন করতে পারবেন।
https://accounts.google.com/SignUpWithoutGmail

৮। যদি মনে হয় আপনার অ্যাকাউন্টটি অন্য কেউ ব্যবহার করছে তবে আপনি চাইলেই জানতে পারবে আপনার অ্যাকাউন্টে কোন কোন ডিভাইস থেকে, কোন আইপি থেকে লগ ইন করা হয়েছে, তাদের সম্ভাব্য অবস্থান সবই দেখতে পারবেন এখান থেকেঃ
https://security.google.com/settings/security/activity

৯। গুগলের নিয়ম অনুসারে ৯ মাসের মধ্যে কমপক্ষে একবার গুগলে লগইন না করলে আপনার অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। তবে আপনি চাইলে গুগল আপনাকে আগে থেকে এ ব্যাপারে অ্যালার্ট করবে। নিচের লিংকে গিয়ে আপনার মোবাইল ও ইমেল আইডি লিখুন। নির্দিষ্ট সময়ে আপনার মোবাইল এবং ইমেইলে মেসেজ পাঠাবে গুগল।
https://www.google.com/settings/account/inactivehttps://www.google.com/takeout
0 comments

মাত্র এক ক্লিকেই ফেসবুকে সবাইকে আপনার পেজে Invite করুন।

আপনি ফেসবুকে এক ক্লিকেই সবাইকে আপনার পেজে Invite করতে পারবেন। এটি Google Chorme ও Mozilla Firebox দুটোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তাহলে চলুন দেখে নিই কিভাবে এটা করতে হয়।


  • Google Chrome এর জন্যঃ

  • প্রথমে Google Chrome থেকে এই Extensionটি Add করে নিন।


  • Mozilla Firebox এর জন্যঃ

  • প্রথমে Mozilla Firebox থেকে এই Add-onsটি Add করে নিন।
    Mozilla Firebox হোক আর Google Chrome হোক দুইটার সিস্টেম একই। আমি Mozilla Firebox এ করে দেখালামঃ

  • প্রথমে ফেসবুকে Login করে আপনার কাঙ্ক্ষিত পেজে যান।
  • সবাইকে একসাথে Invite করার জন্য See All এ ক্লিক করুন।
  • কাজ তো শেষ প্রায়। এইবার যে বক্সটি Open হবে সেখানে দেখবেন নতুন করে 'Select All' Option এসেছে। Select Allএ ক্লিক করুন।
  • বাহ! কি চমৎকার, দেখলেন তো সবাইকেই আপনি একসাথে Select করে ফেলেছেন।
  • এইবার শুধু Submit এ ক্লিক করে দিয়ে এক ক্লিকে সবাইকে আপনার পেজে Invite করে দিন।
  • এছাড়া আরও একটি Google Chorme এর আরেকটি Extesion আছে যার মাধ্যমে আপনি একই কাজ করতে পারবেন, কিন্তু এটাই সহজ। তাই আর অন্য কিছুর দরকার নেই। কারো ইচ্ছা হলে এই Extension টা দিয়েও একসাথে পেজে সবাইকে Invite করতে পারবেন। Extension টা নিয়ে নিন এখান থেকে।


    0 comments

    বাংলা লেখা দেখতে যাদের সমস্যা তাদের জন্য আমার এই টিউন

    বাংলা দেখতে সমস্যা হলে:

    উইন্ডোজ এক্সপির জন্য :


    আপনি কি নিচের মত বাংলা দেখছেন?
    ১. [] [] [] [] [] [] [] [] [] [] [] [] [ ] [] [] [] []
    ২. াঅমরা সেোন াবলংা

    ### যদি আপনি উপরের মত বাংলা দেখেন তাহলে বুঝতে হবে আপনার কম্পিউটারে icomplex নেই।এজন্য এখান থেকেicomplex ডাউনলোড করে সেটআপ করে নিন।

    ### যদি তারপর ও সমস্যা হয়, তাহলে আপনি এখান থেকে iComplex এর মূল কপি নামিয়ে নিন এবং সেটআপ দিন. রিস্টার্ট দেয়ার পর আশা করি সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে.

    উইন্ডোজ সেভেন , এইট ও টেন এর জন্য :

    পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বাংলা পড়ার জন্য SolaimanLipi ফন্ট্র প্রয়োজন।এজন্য প্রথমে এখানে ক্লিক  করে SolaimanLipi  ডাউনলোড করে আপনার কম্পিউটারে সেটআপ করুন।

    উপরের দুই পন্থায় কাজ না হলে নিজেই ফন্ট ইন্সটল করে নিন, প্রথমে নামান সোলায়মানলিপি ফন্ট, এরপর Control panel > Fonts এ গিয়ে Paste করে দিন ফন্ট টি. যদি খুঁজে  না পান, তাহলে C:\WINDOWS\Fonts এ গিয়ে Paste করুন. ব্রাউজার রিস্টার্ট দিন।বাংলা এবার “ঝকঝকে তকতকে” দেখুন।
    0 comments

    সঙ্গীর সঙ্গে কীভাবে ঘুমোন আপনি? জেনে নিন সম্পর্কের ৬টি ‘গোপন’ কথা।

    জেগে থাকাকালীন যেভাবেই তিনি আপনার সঙ্গে থাকুন না কেন, ঘুমিয়ে পড়ার পরে ছবিটা অন্য। মনোস্তাত্ত্বিকরা বলছেন, ঘুমোনোর সময়ে আমাদের অবচেতন মনটি সক্রিয় থাকে। মনের গভীরে যে আবেগ থাকে বা চিন্তা থাকে, তা-ই প্রতিফলিত হয় নিদ্রায় যাওয়ার পরে।

    ঘুমে লুকিয়ে গভীর রহস্য..............................................................
    সঙ্গীর সঙ্গে চরম আবেগঘন মুহূর্ত কাটানোর পরে ক্লান্ত শরীর এলিয়ে পড়ে বিছানায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে যান গভীর ঘুমে। জানেন কি, আপনার কাছের মানুষের সঙ্গে কোন পজিশনে ঘুমোন, তা থেকেই অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যায় আপনাদের সম্পর্কের রসায়ন। নিজের অবচেতনে সম্পর্ক নিয়ে ঠিক কী ভাবেন আপনারা, তা-ও বোঝা যায় এই সহজ পন্থায়।

    ১। এই পজিশনের নাম স্পুনিং। এই পজিশনে বেশিরভাগ সময় ঘুমোনোর অর্থ
    তাঁরা একটি সুস্থ যৌন সম্পর্কে আছেন। নিজেদের রসায়নও জোরদার।


    ২। ওভার লেগ পজিশন। এই পজিশনে যিনি অপরের দেহের

    উপরে পা তুলে ঘুমোতে ভালোবাসেন, বুঝে নিতে তিনি
    আরও বেশি কিছু চাইছেন। অর্থাৎ, সঙ্গীর কাছ থেকে তাঁর প্রত্যাশা আরও।




    ৩। চেস্ট নুজলার। এই পজিশন বোঝায়
    দু’জনের মধ্যেই প্রবল বিশ্বাস রয়েছে। একে অপরকে
    চোখ বন্ধ করে ভরসা করেন এঁরা।


    ৪। স্পেস ইনভেডর। ঘুমিয়ে পড়ার পরে একজন যদি ক্রমশ বিছানা

    অধিকার করতে শুরু করেন এবং অপর জন কোনওক্রমে সামান্য
    জায়গায় নিজেকে গুটিয়ে নেন, তা হলে বুঝতে হবে, সম্পর্কের চাবিকাঠি
    একজনের হাতেই। একজন সম্পর্ককে ডমিনেট করতে চাইছেন এবং
    অন্যজন সেটি মানিয়ে চলতে চাইছেন। এ-ও একপ্রকার ভাল রসায়ন বলা চলে।



    ৫। ট্যাঙ্গল বলা হয় এই পজিশনকে। দেখতে ভাল

    লাগলেও সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ক্ষতিকারক এই পজিশন।
    কারণ, বিশষজ্ঞরা জানাচ্ছেন একসঙ্গে থাকার ছ’মাস
    পরেও যদি একে অপরের সঙ্গে এই পজিশনে ঘুমিয়ে পড়েন,
    তা হলে বুঝতে রসায়নে কোথাও খামতি রয়েছে।
    বেশি মাত্রায় নির্ভরশীলতা একটা সম্পর্ককে অসুস্থ করে তোলে।



    ৬। ইনডিপেনডেন্ট লাভার। ২৭ শতাংশ বিবাহিত দম্পতি বিয়ের

    কয়েক বছর পর থেকে এমন পজিশনে ঘুমোতে স্বচ্ছন্দ বোধ করে।
    মোটেও ভাববেন না এই পজিশনের অর্থ নেতিবাচক।
    এর অর্থ এঁরা একে অপরকে স্পেস দিতে শিখে নিয়েছেন
    এবং নিজেরা একাই ভাল থাকতে শিখে নিয়েছেন।  

    1 comments

    ভালবাসার এসএমএস


    1) মন আছে বলে আজ ভালোবাসার খুব প্রয়োজন । স্বাপ্ন আছে বলে আজ ভালোবাসার এত আয়োজন । একটা সুন্দর মনের দেখা পাবো বলে অপেক্ষাই আছি সারাক্ষণ।

    2) অজস্র স্বপ্নের ভিড়ে তোমায় দেখি.সমস্ত কল্পনা জুড়ে তোমার বসবাস,অজস্র কাব্য শুধু তোমায় নিয়ে লেখা অফুরন্ত বন্ধুত্ব নিয়ে তোমার অপেক্ষা থাকা। 

    3) আমি আমার জিবন এর থেকেও তোমাকে বেশি ভালোবাসতে চাই, তুমি কি সেই অধিকার আমাকে দিবে?? 

    ) ১ কোটি বছর আগে জন্মে ছিলো তোমার জন্য ভালোবাসা, এখনো অপেক্ষায় আছি তুমি ভালোবাসবে বলে।তোমাকে ধরতে আসিনি এসেছি ধরা দিতে..! 

    5) শীতের চাদর জড়িযে,কুয়াশার মাঝে দাড়িয়ে, হাত দুটো দাও বাড়িয়ে,শিশিরের শীতল স্পর্শে যদি,শিহরিত হয় মন।বুঝেনিও আমি আছি তোমার পাশে সারাক্ষণ। 

    6) হৃদযের সীমানায় রেখেছি যারে, হয়নি বলা আজো ভালবাসি তারে। ভালবাসি বলতে গিয়ে ফিরে ফিরে আশি। কি করে বুঝাবো তারে আমি কতটা ভালোবাসি? 

    7) ভালবাসা মানে আবেগের পাগলামি,, ভালোবাসা মানে কিছুটা দুষ্টামি । ভালোবাসা মানে শুধু কল্পনাতে ডুবে থাকা,, ভালোবাসা মানে অন্যের মাঝে নিজের ছায়া দেখা 

    8) বিধি তুমি সবই জানো, জানো মনের কথা, আজো তো পেলাম না আমার বাম পাজরের দেখা, যে আমায় ভালোবেসে পাশে থাকবে সারাটি ক্ষন, যে আমায় ভালোবেসে রাংগীয়ে দিবে আমার ভূবন, বলো না বিধি তার দেখা পেতে আর কতক্ষন 

    9) জীবনের স্বপ্ন নিয়ে বেধেছি একটি ঘর, তোমাকে পাবো বলে সাজিয়েছি প্রেমের বাসর, আবেগ ভরা মনে অফুরন্ত ভালোবাসা, সারা দেয় কোনে কোনে শিহরন জাগে মনে, তোমাকে পাওয়ার আশায় 

    10) তাকে দেখে ঘুচে যেত দুর্ভাবনা মোর, জীবন আমার মনে হতো সুখী দীপ্ত ভোর । তার মিলনে পেতাম প্রীতি তার কুটিরে আশা, তার জীবনে পেতাম জীবন মিটত প্রাণের তৃষা । 

    11) বাবু তোমাকে ভালোবাসি, যতদূর আমার পক্ষ থেকে যায়। তোমার বন্ধ চোখ গুলো খুলতে চাচ্ছে দেখতে কি আমায়? 

    12) তুমি আমাকে যতই কষ্ট দাও....... আমি তোমাকে আপন করে নেবো, তুমি আমাকে যতই দুঃখ দাও...... আমি সেই দুঃখকেই সুখ ভেবে নেবো, তুমি যদি আমাকে ভালোবাসা দাও..... তোমাকে এই বুকে জড়িয়ে নেবো, আর কখনও যদি তুমি আমাকে ভুলে যাও, আমি তোমাকে সারাটি জীবন....... নিরবে ভালোবেসে যাবো.......! 

    13) চোখের আড়াল হতে পার মনের আড়াল নয়, মন যে আমার সব সময় তোমার কথা কয়, মনকে যদি প্রশ্ন কর তোমার আপন কে ? মন বলে এখন তোমার লেখা পড়ছে যে ! ! ! 

    15) কি আছে তোর মাঝে বুঝি না.......শুধু অনন্ত কাল তোর দিকে তাকিয়েথাকতে ইচ্ছে করে.......ইচ্ছে করে সারা জীবন তোকেদেখি.......কি অদ্ভুত ভালবাসা ........কি অদ্ভুত সম্পর্ক .......সব কিছু ভুলে যাই যখন তোর ঐ মায়াভরা মুখেরদিকে তাকাই .......আমি আমার নিজেকে হারিয়েফেলি তোর মাঝে........সত্যি রে..! 

    16) পৃথিবীর যত সুখ যত ভালোবাসা সবটুকু দিবো আমি তোমায়..... আমার একটাই আশা তুমি ভূলে যেও না আমায় । বড় বেশী ভালবাসি তোমায় । 

    17) জোনাকির আলো জেলে ইচ্ছের ডানা মেলে. মন চায় হারিয়ে যাই. কোনো এক দুর অজানায়. যেখানে আকাশ মিশে হবে একাকার. আর তুমি ”রাজকুমারী“ হবে শুধু আমার. 

    18) মনটা দিলাম তোমার হাতে যতন করে রেখো,হৃদয় মাঝে ছোট্ট করে আমার ছবি এঁকো.স্বপ্ন গুলো দিলাম তাতে আরও দিলাম আশা , মনের মতো সাজিয়ে নিও আমার ভালবাসা 

    19) কটি প্রকৃত ভালবাসা হতে পারে দৈহিক অথবা ঐশ্বরিক| সত্য ভালবাসা হচ্ছে এমন কিছু যা শাশ্বত ও অধিক শান্তিপূর্ন| 

    20) চোখে আছে কাজল কানে আছে দুল,ঠোট যেন রক্তে রাঙা ফুল,চোখ একটু ছোট মুখে মিষ্টি হাসি,এমন একজন মেয়েকে সত্যি আমি ভালোবাসি। 

    21) কটা আকাশ হেরে গেলো,, হারিয়ে তার মন.. অন্য আকাশ হটাৎ হল চাঁদের প্রিয়জন.. তবুও তার ভালবাসা চাঁদের ভালো চায়,, নতুন আকাশ চাঁদকে যেন সুখের ছোঁয়া দেয়..!! 

    22) ভালবেসে এই মন, তোকে চায় সারাক্ষন। আছিস তুই মনের মাঝে, পাশে থাকিস সকাল সাঝেঁ। কি করে তোকে ভুলবে এই মন, তুই যে আমার জীবন।। তোকে অনেক ভালবাসি

    23) যদি বৃষ্টি হতাম...... তোমার দৃষ্টি ছুঁয়ে দিতাম। চোখে জমা বিষাদ টুকু এক নিমিষে ধুয়ে দিতাম। মেঘলা বরণ অঙ্গ জুড়ে তুমি আমায় জড়িয়ে নিতে,কষ্ট আর পারতো না তোমায় অকারণে কষ্ট দিতে..! 

    24) আমার জীবনে কেউ নেই তুমি ছাড়া, আমার জীবনে কোনো স্বপ্ন নেই তুমি ছাড়া , আমার দুচোখ কিছু খোজেনা তোমায় ছাড়া, আমি কিছু ভাবতে পারিনা তোমায় ছাড়া , আমি কিছু লিখতে পারিনা তোমার নাম ছাড়া, আমি কিছু বুঝতে চাইনা তোমায় ছাড়া ! 

    25) টাপুর টুপুর বৃষ্টি লাগছে দারুন মিষ্টি, কী অপরুপ সৃষ্টি দেয় জুড়িয়ে দৃষ্টি, বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যায় তাজা ফুলের গন্ধয়ে, মনটা নাচে ছন্দে উতলা আনন্দে, জানু তোমার জন্য 

    26) এক পৃথিবীতে চেয়েছি তোমাকে, এক সাগর ভালবাসা রয়েছে এ বুকে , যদি কাছে আসতে দাও, যদি ভালবাসতে দাও, এক জনম নয় লক্ষ জনম ভালবাসব তোমাকে. 

    27) ফুলে ফুলে সাজিয়ে রেখেছি এই মন, তুমি আসলে দুজনে সাজাবো জীবন, চোখ ভরা স্বপ্ন বুক ভরা আশা, তুমি বন্ধু আসলে দেবো আমার সব ভালবাসা... 

    28) হৃদয় জুড়ে আছ তুমি,সারা জীবন থেক.আমায় শুধু আপন করে,বুকের মাঝে রেখ.তোমায় ছেড়ে যাবনাতো,আমি খুব দূরে.ঝড় তোপান যতই আসুক,আমার জীবন জুড়ে" 

    30) যদি চাদঁ হতাম সারা রাত পাহারা দিতাম!যদি জল হতাম-সারা দেহ ভিজিয়ে দিতাম।যদি বাতাস হতাম-তোমার কানে চুপি চুপি বলতাম-আমি তোমাকে ভালবাসি. 

    31) মিষ্টি চাঁদের মিষ্টি আলো,বাসি তোমায় অনেক ভালো.মিটি মিটি তারার মেলা,দেখবো তোমায় সারাবেলা. নিশিরাতে শান্ত ভুবন, চাইবো তোমায় সারাজীবন. 

    32) ফোন করতে পারিনা নাম্বার নাই বলে, খবর নিতে পারিনা সময় নাই বলে, দাওয়াত দিতে পারিনা বেশি খাও বলে, শুধু sms করি ভালবাসি বলে! 

    33) রাত যেভাবেই আসুক, নীরবতা থাকবেই। চাঁদ যেভাবেই থাকুক জ্যোৎসনা ছড়াবেই। সূর্য যতই মেঘের আড়ালে থাকুক, পৃথিবীতে আলো আসবে। R নিজেকে যতই লুকিয়ে রাখ না কেনো ভালোবাসা তোমাকে কাছে টানবেই। 

    34) তোমার মুখের হাসি টুকু লাগে আমার ভালো,তুমি আমার ভালবাসা বেঁচে থাকার আলো।রাজার যেমন রাজ্য আছে আমার আছ তুমি,তুমি ছাড়া আমার জীবন শূধু মরুভুমি। 

    35) ভালবাসার তালে তালে চলব দুজন এক সাথে। কাছে এসে পাসে বসে মন রাখ আমার মনে। শপ্ন দেখ্ব দুজন মিলে, ঘর কর ছি এক সাথে। আর কি লাগে প্রিথিবিতে??? বউ আনব ভালবেসে। 

    36) তোমায় আমি বলতে চাই,তুমি ছাড়া প্রিয় আর কেহ নাই। ভালবাসি শুধু তোমায় আমি,জনম জনম ভালবাসতে চাই। 

    37) লাগবে যখন খুব একা,চাঁদ হয়ে দিবো দেখা ..মনটা যখন থাকবে খারাপ,স্বপ্নে গিয়ে করবো আলাপ ..কষ্ট যখন মন আকাশে,তাঁরা হয়ে জ্বলবো পাশে ............... 

    38) মানুষের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো ভালবাসা,যার মধ্যে ভালোবাসা নেইতার কোনো দুর্বলতাও নেই, ভালোবাসার জন্য মানুষ সবকিছু ছেড়ে দেয়। আরসেই ভালোবাসা তার জন্য কাল হয়ে দাড়ায় !!! 

    39) মানুষের মাঝে আছে মন, মনের মাঝে প্রেম, প্রেমের মাঝে জীবন, জীবনের মাঝে আশা, আশার মাঝে ভালবাসা, আর সেই ভালোবাসার মাঝে শুধুই তুমি? 

    40) প্রিয়জন যদি থাকে পাশে, মনে হয় পৃথিবীর সব সুখ আমারি কাছে। ভালোবাসা বুঝি তখনি সত্যি হয় , যখন ভালোবাসার মানুষটি মনের মত হয়। 

    41) বুক ভরা ভালোবাসা আমি রেখেছি তোমার জন্য____তুমি যে আমার আমি যে তোমার____তুমি শুধু আমার জন্যে।

    42) আমার ভালোবাসা সেদিন সার্থক হবে…যে দিন ভালোবাসার মানুষটি ১ফোটা চোখের জল ফেলে বলবে…আমি শুধু তোমাকেই ভালোবাসি। 

    43) একজন প্রেমিকের কাছে চন্দ্র হলো তার প্রেমিকার মুখ।আর জোছনা হলো প্রেমিকার দীর্ঘশ্বাস। 

    44) এক ফোঁটা শিশিরের কারনেও বন্যা হতে পারে যদি বাসাটা পিঁপড়ার হয়,তেমনি এক চিমটি ভালবাসা দিয়ে ও সুখ পাওয়া যায় যদি সেই ভালবাসা খাঁটি হয়... 

    45) জানিনা ভালোবাসার আলাদা আলাদা নিয়ম আছে কিনা, তবে আমি কোন নিয়মে তোমাকে ভাল বেসেছি তাও জানিনা, শুধু এইটুকু জানি আমি তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসি।

    46) মিষ্টি হেসে কথা বলে পাগল করে দিলে,তোমায় নিয়ে হারিয়ে যাব আকাশের নীলে,তোমার জন্য মনে আমার অফুরন্ত আশা। সারা জীবন পেতে চাই তোমার ভালবাসা। 

    47) ফুলের প্রয়োজন সূর্যের আলো, ভোরের প্রয়োজন শিশির, আর আমার প্রয়োজন তুমি, আমি তোমাকে ভালবাসি। 

    48) চাঁদ মেঘে লুকালো তোমাকে দেখে প্রিয়া____ রাত বুঝি ঘুমালোএসো না বুকে প্রিয়া____ ঝিরি ঝিরি হাওয়া শিরি শিরি ছোয়া____ঝড় উঠেছে এ মনে হায় এ মনে কেউ জানেনা।

    49) মনটা দিলাম তোমার হাতে যতন করে রেখো,,হৃদয় মাঝে ছোট্ট করে আমার ছবি এঁকো..স্বপ্ন গুলো দিলাম তাতে আরও দিলাম আশা,, মনের মতো সাজিয়ে নিও আমার ভালবাসা।

    50) ভালোবাসার মানুষ যতোই দূরে থাকুননা কেনো,কখনো মনে হবে না যে সে দূরে আছে,যদি সে অনুভবে মিশে থাকে ।

    51) ভালবাসা কি?তপ্ত মরুর বালুর শিখা,ভালবাসা কি?নদীর স্রোতে ভাসমান কোনো ণৌকা,ভালবাসা কি?ভেসে আসা কোনো সুখের ভেলা, ভালবাসা কি?দুখের মাঝে হাসি মিশ্রিত কান্না, ভালবাসা কি? কোনো এক অজানা ঠিকানা? 

    52) ভালোবাসা মানে আবেগের পাগলামি,,ভালোবাসা মানে কিছুটা দুষ্টামি ।ভালোবাসা মানে শুধু কল্পনাতে ডুবে থাকা,,ভালোবাসা মানে অন্যের মাঝে নিজের ছায়া দেখা । 

    53) '' ভালোবাসা পরিমাপ এর একক হলো " বিশ্বাস " ....একে অপরের প্রতি যত বেশি বিশ্বাস থাকবে,তাদের ভালবাসার পাল্লা তত ভারী হবে ।

    54) প্রেম এক সুখ পাখি! পুষতে হয় বুকের খাচায়। সেই প্রেম পৃথিবীতে কাউকে হাসায় আবার কাউকে কাঁদায়। 

    55) ভালবাসা এক অদ্ভুত অনুভূতি__ যখন ছেলেটি বুঝে, তখন মেয়েটি বুঝে না__ যখন মেয়েটি বুঝে তখন ছেলেটি বুঝে নাহ্__ আর যখন উভয়ই বুঝে তখন দুনিয়া বোঝে নাহ।

    56) খুঁজিনি কারো মন,তোমার মন পাব বলে।ধরিনি কারো হাত,তোমার হাত ধরবো বলে।হাঁটিনি কারো সাথে,তোমার সাথে হাঁটবো বলে।কাউকে বাসিনি ভালো,তোমাকে ভালবাসি বলে। 

    57) কাউকে ভালোবাসা কঠিন কাজ নয়।কঠিন হল কারো মনে ভালোবাসা সৃস্টি করা। 

    58) চাঁদ কে ভালবাসি রাত পর্যন্ত,সূর্য কে ভালবাসি দিন পর্যন্ত,ফুল কে ভালবাসি সুভাস পর্যন্ত,কিন্তু তোমাকে ভালবেসে যাবো আমার শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত। 

    59) দুটি চোখের কান্নার মর্ম যদি কেউ বুঝতো। দুঃখের পিছনেও যে সুখ আছে সেটা যদি সবাই জানতো। ভালোবাসার মাঝে টক-ঝাল মিষ্টি এগুলো সবই আছে কিন্তু ভালোবাসার এসব অনেকের জীবনেও মিছে। 

    60) ভালোবাসা হল এমন একটি শ্বাস যাতে শুধু খাটে দুজনার বিশ্বাস এটি হল ছোট্ট সুখের বাসা তাইতো এর নাম রাখা হয়েছে ভালোবাসা। 

    61) ভালোবাসা মানে নিল প্রজাপ্রতি..ভালোবাসা মানে রুপালি উজান।ভালোবাসা মানে জোছনার গান।ভালোবাসা মানে উশ্ন সুখের বরফ গলা নদী। 
    62) পৃথিবীর সব সুখ তখনি নিজের মনে হয়,যখন ভালোবাসার মানুষটি ভালোবেসে পাশে থাকে..আর তখনি নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে হয় যখন ভালোবাসার মানুষটি বিশ্বাস দিয়ে বিশ্বাস রাখে।

    63) বন্ধুকে ভালবাসার মানুষের জায়গায় বসানো যায়..কিন্তু ভালবাসার মানুষকে কখনও শুধু বন্ধু হিসেবে মেনে নেয়া যায় না।

    64) যদি ভালবাসো মোরে তবে মোর হাত দুখান ধরে নিয়ে চল অনেক অনেক দূরে,যেথায় তোমাতে আমাতে কথা হবে মুখে মুখে নয়,কেবলই মনে আর মনে।

    65) মাঝে মাঝে তোমাকে খুব কষ্ট দিই...,কারন তোমাকে ভালবাসি বলে......নীরবে নিজেও কষ্ট পাই....,তোমাকে মিস করবো বলে........তোমাকে যখন মিস করি....,তখন পৃথিবীকে এড়িয়ে চলি...... কারন তখন আমার সব......,অনুভূতি জুড়ে শুধুই তুমি.......... 

    66) ভালোবাসা ভালোবাসে শুধুই তাকে ভালোবেসে ভালোবাসাকে বেঁধে যে রাখে। 

    67) আমি তাকেই ভালবাসি যে, আমাকে বিশ্বাস করে।আমি তাকেই বিশ্বাস করি যে আমাকে বুঝে। 

    68) তুমি কেনো বুঝনা, তোমাকে ছাড়া আমি অসহায় | তুমি জানো না তোমাকে ছাড়া আমি একা !! 

    69) জীবনে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার,যে হবে শুধুই আমার।আমার সুখ দুঃখে যে রবে পাশে,এমন মানুষকেই ভালবাসার মন খুঁজে। 

    70) আজকে তুমি রাগ করছো,দু:খ পাবো তাতে।কালকে যখন মরে যাবো,রাগ দেখাবা কাকে?বিধির বিধান এই রকমি,একদিন তো যাবো মরে।বুঝবে সেদিন তুমি,ভালোবাসতাম শুধু তোমাকে ...... ! 

    71) কারো ভয়ে কখনো নিজের ভালোবাসাকে শেষ করে দিয়ো না। যাকে ভালোবাসো তার প্রতি বিশ্বাস, আস্থা নিয়ে হাতে হাতে রেখ। দেখবে একদিন সত্যি হবে তোমার ভালোবাসা। - রবি ঠাকুর। 

    72) ভালোবাসাকে যদি শস্যক্ষেত্র রুপে কল্পনা করা হয়, তবে বিশ্বাস তার বীজ।আর পরিচর্যা হলো আবেগ। 

    73) ভালবাসার মানুষটির চোখের দিকে তাকালে পুরো পৃথিবী দেখা যায় ,সেই ভালবাসা চলে গেলে গোটা পৃথিবী আঁধারে ঢেকে যায় ।

    74) প্রথম দেখায় কখনো ভালবাসা হয় না।যা হয় তা হল ভাল লাগা।আর সেই ভাল লাগা। নিয়ে ভাবতে থাকলে সৃষ্টি হয় ভালবাসার। 

    75) যদি ভালবাসাকে মৌচাক ধরি,♥♥ তাহলে বিশ্বাস হল মৌমাছি। ♥♥কেননা উভয়ের বিশ্বাসের মাধ্যমেই ভালবাসার অমৃত মধু পাওয়া যায়। ♥♥ 

    76) যদি পৃথিবীকে ধ্বংস করতে একদিন,তৃতীয় মহাযুদ্ধ বাধে,যদি কমে যায় কভু আলো আকাশের ঐ চাদে,তবুও তুমি আমার, শুধু আমার। 

    77) এতো কষ্ট পেয়েও,তোমাকে ভুল বুঝি নি ।এতো দূরে রয়েও,তোমাকে ভুলে যায় নি । নির্ঘুম রাত জেগেও,স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে আছি । কেনো জানো ? তোমায় খুব ভালোবাসি তাই । 

    78) ভালবাসো তাকে যে ভাবে তোমাকে..বন্ধু করো তাকে যে চেনে তোমাকে..আপন করো তাকে যে ভাবে তোমাকে..মনে রাখো তাকে যে কখনো ভোলেনা তোমাকে..জীবন সাথী কর তাকে যে থাকবে তোমার পাশে সারা জীবন । 

    79) প্রেম হলো সরল অংকের মত।সরল অংকে যেমন যোগ, বিয়োগ, গুন, ভাগ ও বন্দনী থাকে, তেমনি প্রেমেও থাকে হাসি-ট্টাটা, মান-অভিমান, বিরহ-বিচ্ছেদ, অনাবিল সুখ আর না পাওয়ার সিমাহীন বেদনা 

    80) টিপ দিলেই বলিস তুই টিপ হয়েছে বাঁকা, ঠিক করার অজুহাতে আমায় ছুঁয়ে থাকা। জ্বর এসেছে শুনলে জানি কপাল ছুঁয়ে দিবি, ভালোবাসি বলতে গাধা আর কত সময় নিবি? 

    81) যদি পৃথিবীর সব গোলাপ প্রতিদিন একটা করে তোমাকে দিয়ে বলি আমি তোমাকে ভালবাসি ,সব গোলাপ শেষ হয়ে যাবে ..তবুও আমার ভালবাসা শেষ হবে না ..হয়তো আজও আমার ভালবাসার গভীরতা বুঝতে পারো নি ....... ।

    82) ভালোবাসা ঠিক তখনই আসে যখন মনের ভিতর কারো জন্য অনুভূতির বাতাস বয়ে যায়। আর তাকে হারানোর ভয়ে আবার ভালোবাসা মজবুত হয়। 

    83) আমি প্রেম কি জানিনা, আমি প্রেম কি বুঝিনা, শুধু ধিকি ধিকি মন যায় জ্বলে! কে জানে হায় কোন আগুনে, মরিব আমি এই ফাগুনে| 

    84) মন নেই ভালো, জানিনা কি হলো, পাসে নেই তুমি, কি করি আমি, পাখী যদি হতাম আমি এই জীবনে, তোমায় নিয়ে উড়ে যেতাম অচিন ভূবনে, তুমি কি যাবে আমর সাথে ¡ 

    85) যখন কেউ কারো জন্য কাদে ... সেটা হল আবেগ.… যখন কেউ কাউকে কাদায়,সেটা হল প্রতারনা… আর যখন কেউ কাউকে কাদিয়ে নিজেও কেদে ফেলে ... ...!! সেটা হল প্রকৃত ভালোবাসা !! 

    86) শুধু কাছে পাওয়ার জন্য ভালবাসা নয়,শুধু ভালো লাগার জন্য ভালবাসা নয়..নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে ভালবাসার মানুষকে সুখীই রাখার নামই ভালবাসা । 

    87) "ভালোবাসা" শব্দটা হয় না কখনো পুরানো..হয় না কখনো মলিন..হয় না ধূসর কিংবা বর্নহীণ..যা শুধু রংধনুর রঙে রঙিন..হোক না সেটা এপার কিংবা ওপারের..তারপরেও ভালোবাসা তো শুধুই ভালোবাসা "!! 

    88) আমি তো হাত বাড়িয়ে দাড়িয়ে আছি তোমার ভালবাসা নিবো বলে।দাও তুমি কতো ভালবাসা দেবে আমায়।বিনিময়ে একটা হৃদয় তোমায় দিবো যা কখনো ফিরিয়ে নেবার নয়। 

    89) যার কাছে সব কিছুবলা যায়...যার হাতে হাত রেখে চলা যায়...যাকে আপন বলে ভাবা যায়...যার কাছে বিশ্বাস টুকো জমা রাখা যায়..তাকেই তো ভালবাসা যায়.. 

    90) যারা ভালবাসা নিয়ে খেলা করে,, তারাই ভালবাসা পায়.. আর যারা মন থেকে ভালবাসে,, তারা ভালবাসা পায়না ঠিক কিনা..?? 

    91) যদি বলো তোমার কথা মনে পড়ে কতবার?? আমি বলব চোখের পাতা নড়ে যতবার.. যদি বলো তোমায় ভালবাসি কত?? আমি বলব আকাশে তারা আছে যত..!! 

    92) তুমি রাজি থাকলে প্রেম করবো, কাজী এনে বিয়া করব, রাগ করলে কিস করবো, দূরে গেলে মিস করবো, পাশে থাকলে আদর করবো, আর ভুলে গেলে খুব কষ্ট পাবো...!! 

    93) আমার চোখে জল আর তোমার ঠোটে হাসি,, তারপরও আমি তোমাকেই ভালবাসি..!! 

    94) ভেবে ছিলাম তুমি কতো আপন !!ভেবেছি পাশে থাকবে সারা জীবন !!কেন তুমি ভাঙলে এমন ??....ভাবিনি কখনো করবে এমন ...তারপরও তুমি আমার জীবন ।

    95) আজ না খুবএকা একা লাগছে চোখের সামনে তুমি তবু যেন তোমাকে ছোয়া যায় না কেন এমন হয় বলোতো!ভালবাসা বুঝি শুধু কষ্ট দিতেই জানে!তোমাকে ছাড়াযে আমার নিশ্বাস নিতেও কষ্ট হয়! 

    96) সে গেলো ফেবরুয়ারী,, মন চায় প্রেমে পরি.. আমি এখন একা,, কবে পাবো তোমার দেখা.. কোথায় গেলে তোমায় পাই,, মন যে শুধু চাই.. ১৪ ফেবরুয়ারী GIFTE টা যেনো আমি পাই..!! 

    97) তোমার সুখের জন্য যদি তোমাকে ভুলে যেতে হয়,, তাহলে আমি ভুলে যেতে রাজি.. ভুলতে হয়তো কোনদিন ও পারবো না,, তবে ভুলে থাকার অভিনয় করতে পারবো..!! 

    98) যদি তুমি মনে করো সুখে নেই, সুখে নেই, সুখে নেই. তবে তুমি ফিরে আসো এখনো আগের মতো ভালবাসি তোমাকেই..!! 

    99) ভালবাসা মানে আবেগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হৃদয়ের অভ্যন্তরীণ একটা অনুভুতি, যা কেবল - শুধু মাত্র ভালবাসার মানুষের সামনে ভাষায় অথবা আচরণে প্রকাশ হয় । 

    100) Sms হয়ে থাকবো আমি তোমার হৃদয় জুরে,, রিংটোন হয়ে বাজবো আমি মিষ্টি মধুর সুরে,, কখনো ভেবোনা আমি তোমার থেকে দুরে,, বন্ধু হয়ে আছি আমি তোমার নয়ন জুরে।
    0 comments

    বাসর রাতে স্ত্রী তার স্বামির কাছে কি কি আশা করে?

    বিয়ের পর প্রথম রাতটিই যেকোনো দম্পতির জীবনের সেরা মূহুর্ত৷ বিয়ের পর নবজীবনে পা রেখে একে অপরের সঙ্গে কাটানো প্রথম রাত হল এটি। আর বিয়ের প্রাকাল্লে এই রাত নিয়েই প্রত্যেকটা মানুষ বিভিন্ন রকমের স্বপ্ন দেখেন৷ কিন্তু আপনার সামান্য কিছু ভুলের কারণেই এই রাত সুখকর নাও হতে পারে৷ তাই বিয়ের পর এই রাতের জন্য চাই পুরুষদের বিশেষ প্রস্তুতি৷ 
    - বিয়ের জন্য প্রত্যেক পুরুষকেই মানসিক ভাবে প্রস্তুত হতে নিতে হবে৷ বিয়ের পর জীবনের আমূল পরিবর্তন ঘটে৷ সে কারণেই অনেক পুরুষ নিজের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন৷ কিন্তু নারীরা আত্মবিশ্বাসী পুরুষই বেশি পছন্দ করেন৷ তাই বিয়ের আগের থেকেই নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলুন৷ সেই সঙ্গে বিয়ে নিয়ে অহেতুক ভীতিও মন থেকে মুছে ফেলুন৷ 
    - নারীরা সুঠাম দেহের পুরুষই বেশি পছন্দ করেন৷ বিয়ের আগে আপনার স্ত্রী যখন আপনার প্রেমিকা ছিলেন তখন হয়ত আপনাকে আনেকবারই ভুঁড়ি বা মেদ ঝড়াতে বলেছেন৷ তখন তার কথা না শুনলেও বিয়ের আগে তার সেই কথা গুলো মেনে নিন৷ সঠিক ব্যায়াম ডায়েট মেনে চলুন৷ 
    - বিয়ের আগে অবশ্যই প্রয়োজন ঠিকঠাক গ্রুমিংয়ের৷ যতদিন প্রেম করেছেন সেটা জীবনের আলাদা অধ্যায়৷ এবার আপনি বিয়ে করতে চলেছেন মশাই, বিয়ের সময়ে বৌয়ের পাশাপাশি আপনিও সমান আকর্ষণীয়৷ সে কারণেই ঠিকঠিক চুলের ছাঁট, ত্বকের যত্ন ও শারীরিক পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিন৷ বিয়ের রাতে সুগন্ধি ব্যবহার করতে একেবারেই ভুলবেন না৷
     - জন্ম নিয়ন্ত্রণের বিষয়টাও কিন্তু পুরুষদেরই মাথায় রাখতে হয়৷ কারণ বিয়ের প্রথম রাতে অন্তত এই বিষয়ে স্ত্রীর উপর নির্ভর করবেন না৷ জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য কোন পদ্ধতি গ্রহণ করবেন সেটি প্রথম রাতে আপনাকেই বেছে নিতে হবে৷ কারণ, ওই দিনে আপনিই একমাত্র যিনি নিজের মত করে বিষয়টি সামলে নিতে পারেন৷ 
    - বিয়ের প্রথম রাতে হয়ত অনেক নারীই শারীরিক মিলনের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হতে পারেননা৷ প্রেম বিবাহের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি সহজ হলেও সম্বন্ধ দেখে বিয়ের ক্ষেত্রে নারীদের কাছে এই অনেকসময় সমস্যা হতে পারে৷ সেকারণেই এই বিষয়ে নারীরা মনে মনে তার স্বামী সহযোগিতা আশা করেন৷ তাই বিয়ের প্রথম রাতেই স্ত্রীর উপর জোর ফলাবেন না৷ তাকে মানসিক ভাবে সাহায্য করুন৷ কারণ প্রথম রাতেই জোর করে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে এর পরের গোটা জীবন স্বাভাবিক নাও হতে পারে৷
     - বিয়ের প্রথম রাতের অভিজ্ঞতাই কিন্তু আপনার গোটা দাম্পত্য জীবন সুখেো কাটানোর মূল চাবিকাঠি৷ আর একটা কথা সব পুরুষরাই মানেন স্ত্রীকে খুশি রাখতে না পারলে জীবন সুখের হওয়া সম্ভব নয়৷ সে কারণেই স্ত্রী জন্য আগে থেকেই একটা উপহার কিনে রাখুন৷ আর এটি অবশ্যই বিয়ের প্রথম রাতেই স্ত্রী হাতে তুলে দেবেন৷ এক্ষেত্রে কম দামি জিনিস দিচ্ছেন সেটা মূল বিষয় নয়৷ উপহারের সঙ্গে আপনার ভালবাসা কতটা মিশে রয়েছে সেটাই আসল৷ নতুন জীবনের শুরুতেই আপনার এই ভালবাসার উপহারে মুগ্ধ হবেন আপনার স্ত্রী৷
    1 comments

    বাসর রাতে ছেলেদের প্রথম কি করা উচিত?

    বাসর রাতের করনীয় । বাসর রাতে যা করতে হয়। বাসর রাতের নির্জন
    পরিবেশে যখন বর-কণের মাঝে প্রচন্ড মিলন স্পৃহা সৃষ্টি হবে তখন সহবাসের
    পূর্বক্ষণে তিনবার বিসমিল¬াহ সহ সূরায়ে ইখলাছ এবং সূরায়ে ফালাক ও সূরায়ে
    নাছ পড়ার পর নিম্নোক্ত দোয়া পড়বে অতঃপর সহবাসে লিপ্ত হবে।
    بِسْمِ
    اللَّهِ ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ ، وَجَنِّبْ الشَّيْطَانَ
    مَا رَزَقْتَنَا অর্থঃ আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ! আমাদেরকে শয়তানের
    অনিষ্ট থেকে দূরে রাখুন। আমাদেরকে যে সন্তান-সন্ততি দান করবেন, তাদেরকে
    শয়তানের অনিষ্ট থেকে দূরে রাখুন” তারপর বীর্যপাতের সময় বীর্যপাতের দোয়া মনে
    মনে পড়বে। যার অর্থঃ “হে আল¬াহ! আমাদের যে সন্তান দান করবেন তাতে শয়তানের
    কোন অংশ রাখবেন না।
    তাহলে
    হাদীসের ভাষ্যানুসারে সে সহবাস দ্বারা সন্তান জন্ম গ্রহণ করলে শয়তান তার
    কোন অনিষ্ট সাধন করতে পারবে না। শায়খ আব্দুল হক মুহাদ্দিসে দেহলভী (রহঃ)
    বলেন, এ দ্বারা বুঝা যাচ্ছে যে, সহবাস-কালীন সময়ে এই দোয়া না পড়লে শয়তান
    প্রভাব বিস্তার করে এবং সন্তান-সন্ততির ভেতর অশান্তি ও হানাহানি সৃষ্টি হয়।
    -রিফাল মুসলিমীন সহবাসের সময় স্বামী-স্ত্রী একেবারে বিবস্ত্র হয়ে যাবে না।
    কারণ
    এতে সন্তান নির্লজ্জ হয়ে জন্মগ্রহণ করে। নবীজী (সঃ) সহবাসের সময় নিজেকে
    এবং স্ত্রীকে আপাদ মস্তক চাদর কিংবা কোন কাপড় দিয়ে ঢেকে দিতেন। কথা বলতেন
    ক্ষীণ কন্ঠে। আর স্ত্রীকে বলতেন, উত্তেজিত হবে না।
    ধীরস্থির
    থাকবে। নবীজী (সঃ) আরো বলেছেন, জানোয়ারের মত হঠাত করে স্ত্রীর উপর কেউ
    ঝাঁপিয়ে পড়বেনা, বরং তার উচিত হলো প্রথমে চুমু খেয়ে আলিঙ্গন করে এবং মিষ্টি
    মধুর কথায় তাকে আগ্রহী করে তোলা। বীর্যপাতের পর সাথে সাথে স্বামী সরে যাবে
    না বরং ঐ অবস্থাতেই কিছুক্ষণ পড়ে থাকবে। যাতে স্ত্রীর চাহিদা পুরা হয়ে
    যায়। কেননা কোন কোন মহিলার বীর্যপাত দেরীতে হয়। তারপর স্বামী-স্ত্রী উভয়েই
    আলাদা আলাদা কাপড় দিয়ে লজ্জাস্থান মুছে পৃথক হয়ে যাবে।

    *#*#*# 
    প্রথম মিলন কালে আপনার স্ত্রী লজ্জায় আড়ষ্ট থাকেবেন এটাই স্বাভাবিক। বিশেষ করে পরিবারের ঠিক করা বিয়েতে অপরিচিত একজন পুরুষের সাথে একত্র বসবাস কেউ কি অতি সহজে নিতে পারবে? প্রথমবার শাররীক মিলনে নিচের বিষয়গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। আপনি হয়তো দ্বিতীয় কিংবা পরের বারের মিলনগুলো খেয়াল রাখবেন না – কিন্তু প্রথম মিলন সব যুগলেরই মনে থেকে যায়। প্রথম মিলন আশ্চর্য্যজনক ভালো কিংবা ফ্লপ যাই হোক স্বামী-স্ত্রী প্রথম মিলনকে ট্রেজেডি হিসেবেই মনে রাখে।
    সঠিক সংকেতের জন্য অপেক্ষা করুন:-
    প্রথম মিলন সর্বনাশা হতে পারে যদি মানসিক প্রস্তুতির সংকেত দেয়া-নেয়ায় ভুল বুঝাবুঝি থাকে। যেহেতু আপনারা দুইজনেই সারা জীবনের জন্য বিবাহের মাধ্যমে একটি সামাজিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তাই বাসররাতে কথা বলা কিংবা ভাব বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পর্কের স্বাভাবিকতা এবং পরষ্পরের মানসিক দুরত্ব কমিয়ে আনুন। দুজন-দুজনের চিন্তা চেতনার একটি স্বরুপ জেনে নিন। তাড়াহুড়ো করবেন না। আমাদের দেশে “বাসর রাতে বিড়াল মারা” বলে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে। পুরুষ অনেকটা মরিয়া হয়ে যান নিজেকে বাঘ বলে জাহির করতে। কিন্তু বিড়াল মারার সুত্রটা আসলে আমাদের একপ্রকার ভুল ধারনার জন্ম দিচ্ছে। অনেক মেয়ে মানসিক ভাবে প্রস্তুত থাকেনা – সেই অবস্থায় যদি স্বামী বিড়াল মারতে যায় তাহলে বিষয়টি রেপ করার মত হয়ে যায়। ভারতের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে বাসররাতে স্বামী-স্ত্রী শাররীক মিলন না করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে আপনি কিভাবে আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে স্বাভাবিক হবেন তা আপনার বিবেচনায় রাখবেন আগে থেকে।

    জন্মনিরোধকের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন:-
    প্রথমবারের শাররীক মিলনে বিবাহিত যুগলের জন্মনিরোধক ব্যবহার দুজনের জন্য সমানভাবে মঙ্গলজনক। হয়তো কনডম কিংবা খাবার বড়ি ব্যবহার না করার ফলে আপনাদের “যৌন বাহিত ছোঁয়াচে রোগ” কিংবা “গর্ভধারনের” ভয়ে মিলনের আসল আনন্দটাই মাটি হয়ে যেতে পারে। প্রথমদিন যৌন বাহিত ছোঁয়াচে রোগ থেকে রক্ষা পাবার জন্য কনডম ব্যবহারই সবছে ভাল – যদিও এটি ১০০% আত্মরক্ষা মুলক নয়। তাছাড়া আপনার স্ত্রী হয়তো মা হবার জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত নয়। তাই বিয়ের পর পরষ্পরের শাররীক সমস্যার (যদি থাকে) ইতিহাস জেনে এবং সন্তান নেয়ায় দুই জনের মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী নিয়ন্ত্রনের পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে।
    কোন ভাবেই স্বয়ং-সম্পুর্ন মিলনের প্রত্যাশা করবেন না:-
    ৮০% থেকে ৯০% ক্ষেত্রে প্রথম মিলনে যুগলের বিন্দুমাত্রও সফলতা থাকেনা। শাররীক মিলন যতটা না শরীরের; তার চেয়ে বেশি মানসিক মিলন। একজন মানুষ যখন অন্য মানুষের শরীর / ভাললাগার বিষয়বস্তু সম্পর্কে পুর্নমাত্রায় জানে – তখনি শুধু সুখকর যৌনমিলন সম্ভব। প্রথম মিলনে পরষ্পরের ভাললাগার অনুভুতিগুলোর সংমিশ্রন হয়না। তাছাড়া প্রথম মিলন সম্পর্কে পুরুষ/নারী এত বেশি দুশ্চিন্তা অথবা পুর্বপরিকল্পনা করে যে সে মূল কাজে এসে নার্ভাস হয়ে যায়। আর পরিকল্পনা অবস্থা/ব্যক্তি বেধে পার্থক্য হয় – তাই আগ থেকে করা প্ল্যান কার্যকর করা নাও যেতে পারে। তাই সময়ের সাথে চলুন। অন্তরঙ্গ মুহুর্তে অর্জিত ভাললাগাগুলো উপভোগ করুন। প্রথম রাতে আপনার প্রিয়জনের শরীর সম্পর্কে জানার চেয়ে বড় রোমাঞ্চকর আর কি হতে পারে। সম্পর্কে সময় দিন – পরষ্পরের শরীর সম্পর্কে যত জানবেন মিলন তত বেশি উপভোগ্য হবে।
    গভীর নিঃশ্বাস নিন:-
    প্রথমবারের মত কারো সাথে শাররীক মিলন করতে গেলে চিন্তিত এবং অস্বত্বিতে পড়তে পারেন। আপনার শরীর এবং মনকে প্রশান্ত করার জন্য বড় করে নিঃশ্বাস নিন এবং শ্বাস ছাড়ুন। ঠিকঠাক কাজ করার জন্য আপনার মস্তিস্কের প্রয়োজনীয় মাত্রায় অক্সিজেন দরকার। মানসিক চাপে ঠিকমত শ্বাস-প্রশ্বাস না নিলে অনেকগুলো সমস্যা যেমন মাথাধরা, মাথাব্যথা সহ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হতে পারেন। এটি খুবই লজ্জাজনক হবে যদি আপনি সামান্যতম যৌনমিলনও করতে না পারেন। স্বাভাবিক নিঃশ্বাস নিন – মনকে চিন্তামুক্ত রাখুন। প্রথম মিলেনে বিড়াল মারার আইডিয়া বাদ দিন। স্বাভাবিক আচরন করুন – আপনি আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে আছেন – যার সাথে আপনার সারাজীবন সামনে পড়ে আছে। প্রথম রাতকে স্বরনীয় করে রাখতে বিড়াল না মারলেও সমস্যা নেই। তাকে ভরসা দিন আপনি তার জন্য কতটা।
    কোনভাবেই পুর্ন-যৌন-তৃপ্তির মিথ্যে ভান করবেন না:-
    পুর্ন-যৌন-তৃপ্তির মিথ্যে ভান করা আপনার নিজের সাথে এবং আপনার সঙ্গীর সাথে প্রতারণা করার শামিল। এটি হয়তো পরবর্তীতে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে, কারন বস্তুত আপনি ভুল তথ্য আদান-প্রদান করেছেন “আপনার শরীর কি চায় এবং কিসে আপনাকে যৌন ক্ষুধার্ত করে তোলে?”

    1 comments

    জানার আছে অনেক কিছু...........................

    (১). প্রশ্ন : আমি Wapka তে Tunerpage.com এরমতো সাইট বানাতে চাই এটার নিয়ম পাব কোথায়?
    উত্তর : কোনো সাইটের প্রতিরূপক ওয়েবসাইট বানানোর নিয়ম কোথাও লিখিত থাকেনা। 
    সাইট নকল করতে হলে আপনার ওয়েব ডিজাইনিং এর নুণ্যতম জ্ঞানটা থাকতে হবে। তাহলে আপনি সোর্স কোড ফলো করে যে কোনো সাইটের প্রতিরূপ বানাতে পারবেন।
    সোর্স কোড পেতে ভিজিট করুনঃ  www.iwebtool.com/code_viewer
    খালি ঘরে যে সাইটের প্রতিরূপ বানাবেন তার লিঙ্ক দিয়ে সাবমিট করুন।


    (২) প্রশ্ন : সাহায্য চাই কি ভাবে ফেসবুক ফ্যান পেজে অন্য ফ্যান পেজ বা কোন ওয়াপ সাইট এর লিংক দিব যেখানে ulr দেখা যাবেনা?
    উত্তর : অন্য ফ্যান পেজের লিঙ্ক দিতে @[id_no:] id_no হলো কাঙ্ক্ষিত পেজের numeric ID e.g: @[69449379584:]  http://findmyfbid.com এ গিয়ে ইনপুট বক্সে পেজের URL বসিয়ে সাবমিট করে আপনি কোডটি পেতে পারেন।তবে ওয়েবলিঙ্ক এভাবে দেয়া যাবেনা।


    (৩) প্রশ্ন : ফেসবুক ফ্যান পেজ-এ কিভাবে ইউজার নেম যোগ দেয়া যায়?
    উত্তর : web ভার্সন থেকে আপনার পেজে যান। About >> Page Info >> Page URL (Edit এ ক্লিক করুন) >> ইনপুট বক্সে ইউজার নেম দিন। এবার সাবমিট করুন।ইউজার নেম অবশ্যই ইউনিক হতে হবে, শুধু A-Z, a-z, dot ব্যাবহার করা যাবে।

    (৪) প্রশ্ন : ফেসবুক থেকে দেয়া officeal ইমেইল কি পরিবতর্ন করা যায়?

    উত্তর : আপনি মাত্র এক বার পরিবর্তন করতে পরবেন । যদি এখনো পরিবর্তন না করে থাকেন লিঙ্কhttps://facebook.com/username

    (৫) প্রশ্ন : ফেসবুক পেজের ইউজার নেম চেন্জ করব কিভাবে?

    উত্তর : পিসি বা লেপটপ দিয়ে Edit page এ যান..
    তারপর Change করুন।
    (৬) প্রশ্ন : ফেসবুক পেজের লিংক কিভাবে চেন্জ করা যায় ?
    উত্তর : ডেস্কটপ ভার্সন থেকে http://web.facebook.com/username এখানে যান। ড্রপডাউন মেনু থেকে কাঙ্ক্ষিত পেজ সিলেক্ট করে ইউজার নেম দিন >> পাসওয়ার্ড দিন >> সেভ করুন। শুধু একবারই চেঞ্জ করা যাবে।

    (৭) প্রশ্ন : ফেসবুক account কে কি কোনভাবে fan page এ রূপান্তর করা যায় এবং কিভাবে ?
    আপনার প্রোফাইল এ  লগিন অবস্থায় নিছের লিঙ্কে যান।
    https://www.facebook.com/pages/create.php?migrate
    এরপর যে কোন একটা ক্যাটেগরি নির্বাচন করুন।এরপর এখানে একটা ক্যাটেগরি নির্বাচন করে Get Started বাটন এ ক্লিক করুন।
    এখন যেসব তথ্য চায় সেসব তথ্য দিন বাস কাজ শেষ।তবে সাবধান, একবার পেজ হিসেবে রুপান্তর হয়ে গেলে আর একাউন্ট হিসেবে ফিরে আসতে পারবেন না । তাই ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিবেন । যেহেতু ছবি এবং বন্ধু ছাড়া কোন ডাটা আর ব্যবহার করতে পারবেন না, তাই সেগুলো ডাউনলোড করে নিতে ভূলবেন না যেন ।

    (৮) প্রশ্ন : আমি আমার ফোনকে রেস্টর দিতে চাই। কিন্তু আমার ওপেরা মিনি ও ওপেরা ব্রাউজার এ অনেক সেভ পেজ ও বুকমার্ক আছে? এটা কিভাবে রক্ষা করা যাবে?
    উত্তর : সেভ পেজ ও বুকমার্ক ব্যাকআপ করতে হলে আপনার ফোন রুট হতে হবে।রুট ফোনে Xplore বা ES File Explorer দিয়ে Root >> data >> data >>com.opera.browser.android ও  com.opera.mini.android এই ফোল্ডার দুটি মেমরিতে কপি করে নিন।Android >> data >>  com.opera.browser.android ও com.opera.mini.android এ দুটোও কপি করে নিন।এবার রেস্টোর দিন, অপেরা ইন্সটল করুন, ফোল্ডারগুলো সব আগের জায়গায় Overwrite করুন।

    (৯) প্রশ্ন : Android মোবাইলে যে সকল Browser এর সাহায্যে পেইজ PDF করা যায়৷ সে সকল Browser এর তালিকা দিন?
    উত্তর : Uc browser দিয়ে পেইজকে PDF করা যায়।তবে বাড়তি Add on ইন্সটল করতে হবে।http://apk-dl.com/files/563209ede2e168185487522e এই Add On ইন্সটল করুন। তারপর মেনুতে PDF করার একটা অপশন পাবেন।

    (১০) প্রশ্ন : ফেসবুকে বিভিন্ন রকম group এ add দিয়ে দেয়,এখন সেসব group গুলোremove করর কিভাবে?
    উত্তর : আপনি যদি সেই গ্রুপ এ না থাকতে চান তাহলে প্রথমে সেই গ্রুপ এ প্রবেশ করুন।এরপর info তে যান এবার নিচে leave group তে ক্লিক করুন এবং নিজেকে leave নিন।

    (১১) প্রশ্ন : গণিতের অনেক অনেক শর্টকাট টেকনিক জানতে চাই। কোন ওয়েবসাইট আছে কি যেখান থেকে জানা যাবে? কোন ভাই কি এই ব্যাপারে সহযোগিতা করবেন?
    উত্তর : নিচের লিংকে ভিজিট করুন=>http://shorttechnique.blogspot.com/2015/05/blog-post.html

    (১২) প্রশ্ন : কোন কোন Website থেকে পড়ালেখা করতে পারবো জানতে চাই?
    উত্তর : ওয়েব সাইট সম্পর্কে জানতে www.msstp.com ,www.shikkhok.com , www.bdword.com পাঠ্য পস্তুক সম্পর্কে  জানতে ..................যেহেতু এখন প্রায় সব বিষয় শ্রীজনশীল তাই এ সম্পর্কে ভালভাবে জানতে এবং পডাশোনা করতে www.srijonshil.com এ প্রবেশ করুন। অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

    3 comments
     
    Helped By : WWW.KASPERWINDOW.TK | KasperWindowTemplate | Download This Template
    Copyright © 2011. আমার কথা ঘর - All Rights Reserved
    Template Created by Aehtasham Aumee Published by KasperWindow
    Proudly powered by Blogger