Featured Post Today
print this page
Latest Post
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

যায় না ভোলা


জীবনে চলার পথে আসে কত মানুষ
যায় না গোনা তাদের সুখ-দুঃখের ফানুস
চেনা-জানা মুখের আদল অচেনার সারি
কান্না-হাসি-বেদনার বহুরূপীর বাড়ি
তারই মাঝে কিছু মানুষ থাকে স্মৃতিতে
সুখস্মৃতি-দুখস্মৃতি হরেক রীতিতে
ছোট-ছোট পুঁথি দিয়ে মালা গেঁথে যাই
জীবনে চলার পথে সুখ খুঁজে পাই
আকঁা-বাকা পথ চলা জীবনগাথঁায়
যায় না ভোলা তাদের বুকের ব্যথায়...!
0 comments

ভালোবাসা


ভালোবাসা দিয়ে আমরা মানুষ
জীবনটাকে গড়ি
ভালোবাসা হতে তৈরী যত মন
অনিন্দ্র সৃষ্টি
কখনো বা এই ভলোবাসা
আশার স্বপ্ন দেখায়
কখনো বা এই ভালোবাসায়
চিরদিন বেঁচে থাকে আজীবন
খোদার কাছে এই দোয়া করি
কখনো বা এই ভালোবাসা
পরে চোখের জলের বৃষ্টি
ভালোবাসা দিয়ে যুদ্ধ শুরু
ভালোবাসা আনে শান্তি
এই ভালোবাসা দুর করে দেয়,
হাজারো ভুলভ্রান্তি।
0 comments

অন্ধকার জীবন


একেঁছিলে তুমি মনের ঘরে,
আমায় নিয়ে এক টুকরো স্বপন,
কিন্তু আমি নিষ্ঠুর ভেঙ্গে দিয়েছি তোমার স্বপন।

লিখেছিলে তুমি হাজারো প্রেমকাব্য, আমায় বুঝাতে ভালবাসার অর্থ।
কিন্তু আমি নিষ্ঠুর একটি বারও পড়েনি সেই কাব্যাদি।

বেসেছিলে তুমি অনেক ভাল,
আমায় শিখাতে ভালবাসা।
কিন্তু আমি নিষ্ঠুর বুঝিনি তোমার ভালবাসা।

জানিনা কেন আমি এমন হলাম, হয়তো ভালবাসা বুঝেও না বুঝার ভান করলাম।

জানি তুমি ছিলে এক অগ্নি অপ্সরী, নিহারিকার রাজকন্যা।
তাই হয়তো জড়াতে চাইনি তোমায় আমার অন্ধকার জীবনে।

লিখা- মাইনূল হাসান রাফি
0 comments

একদিন আমি সৃষ্টিশীল হবো


আমি একদিন সৃষ্টিশীল কেউ হবো
তোমায় নিয়ে যত আক্ষেপ
সব নিজের সৃষ্টিতে রেখাপাত ঘটাবো

তোমায় নিয়ে গল্প লিখবো
কিংবা হয়তোবা কবিতা
নিজের সৃষ্টিতে রেখে দিবো
কস্টগুলো যা আছে সবই তা

রচনা করবো গান
কিংবা বাধবো সুর
দেখবো রঙ্গিন স্বপ্ন
যাবো অচিনপুর

কিংবা গড়বো এক সুবিশাল অট্রালিকা
এই শহরের এক কোণে
কোন এক বৃষ্টি ঝড়া বিকেলে
সেই ছাদে বসে থাকবো
বৃষ্টিতে ভিঝবো
তোমারই স্মৃতি নিয়ে এই বুকে

তুমি হয়তোবা থাকবে এ শহরেরই এক পাশে
তোমার সেই সুখের বাসাটাও চিনে যাবো
প্রতিদিন দেখবে তোমার বাসার সামনে
কে যেনো হেটে যাচ্ছে
বুঝবেনা তুমি
বুঝতেও দিবো না
সেইজন আমি হবো

মাঝে মাঝে দেখবো তোমায়
বারান্দায় এসেছো
খুনসুটি করছো প্রিয় মানুষের সাথে
সেইদিন আমি মাতাল হবো
মাতাল হয়ে সব ভুলে যাবো

মাতাল কি সৃষ্টিশীল হতে পারে?

আমি হবো
শুধুই তোমার জন্য হবো
তোমার জন্য আমি সৃষ্টিশীল হবো

তুমি হলে আমার সুনীলের নীরা
কিংবা জীবনানন্দের বনলতা
সুনীল-জীবনানন্দ আক্ষেপ নিয়ে দুনিয়া ছেড়েছে
আমিও হয়তোবা ছাড়বো
তোমার জন্য আমি সৃষ্টিশীল হবো
শুধুই তোমার জন্য।
0 comments

সুখ........................



সুখরে সুখ বল ,তুই কোথায় থাকিস?
সুখরে সুখ বল, তুই কোথায় আছিস?
বলনা ? কোথায় বা তোর ঠিকানা,,,,,,,
দোহাই লাগে এই প্রশ্নের জবাবটা দেনা।
সারাজীবন ধরে, যেজন সুখে থাকে
তার কাছে আসিসরে তুই,
ভালোবাসিস তাকে।
দুঃখি জনের মাঝে কেন তুই আসিসনা
দুঃখি জনের দুঃখ কি তোর চোখে পড়ে না
দোহাই লাগে এই প্রশ্নের জবাবটা দেনা।
কতদিন ধরে তোরে আমি ডাকি
তোর আশায় অধির হয়ে ,
আমি বসে থাকি।
সুখি জীবন বড় মধুময় সেকি বুঝিস না
আমার দুঃখ কি তোর নজরে পড়ে না
দোহাই লাগে এই প্রশ্নের জবাবটা দেনা.....
0 comments

চলার পথ


সামনে চলার অনেক পথ
সঠিক পথটি চিনতে হয়
এগিয়ে চলার সেই পথটি, ফেলে রাখার নেই সময়।
আমরাইতো সামনের
সুখের ভবিৎষত ,
আমরাইতো খুঁজবো
সুখের সঠিক পথ।
সেই আমরাই যদি বসে থাকি, তা কি করে হয়.......?
তাই এগিয়ে চলার সেই পথটি, ফেলে রাখার নেই সময়।
সঠিক পথটি চিনতে
করি যদি ভুল ,
জীবনে আর কোন দিন
ফুটবে নাতো ফুল।
বল ফুল না ফুটলে জীবনের কি কোন দাম রয়.......?
তাই এগিয়ে চলার সেই পথটি ফেলে রাখার নেই সময়।
0 comments

অসীম ইচ্ছা


জানিনা কি চাও তুমি
তবে মনে মনে ভাবি আমি
তুমি কাছে আসলে
আমার পাশে বসলে
আমার পৃথিবী থমকে যায়
নিজেকে সে প্রকাশ করতে পারে না
আমার পৃথিবীর স্বপ্নরা স্বপ্ন
দেখতে ভীষম ভয় পায়।
অনুভবে অভিমানে সে
নিজেকে গুটিয়ে রাখতে চায়
আপন অক্ষমতায় সে নিরবে 
নিরব হয়ে থাকে।
0 comments

ক্ষমা করো হে প্রভু

ক্ষমা করো হে প্রভু
যদি মিথ্যে বলে থাকি
হে প্রভু তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও
যদি আমি মিথ্যে করেই বলি তুমি আমার প্রভু
হে স্রষ্টা  তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও
আমি যদি বলি পাথরেও ফোটাতে পার তুমি ফুল
ঐ পাথরওতো তোমারই সৃষ্টি
করেছে সৃষ্টি সৃষ্টির কল্যাণে
তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও
যদি বলি পাখিরাও তোমার বৃক্ষরাও তোমার
দেখা না দেখা সকল সৃষ্টির মালিক তুমি
আমার বলা যদি মিথ্যে বলা হয়
তবে আমাকে ক্ষমা করে দিও হে প্রভু
আমার এসব বিশ্বাস যদি মিথ্যে বলে করো মনে
তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিও হে প্রভু
তুমিই শুধু,ক্ষমার মালিক হে আল্লাহ
আমাকে ক্ষমা করে দিও
যদি আমি বলি জীবনের মালিক তুমি
জীবন দাও তুমি জীবনের ইতি ঘটাও তুমি
তুমিই চীরজীবন্ত চিরঞ্জীব আরকিছু নয়
এটা যদি মিথ্যে বলা হয়
হে স্রষ্টা তুমি আমাকে ক্ষমা করেদিও
তুমি, তুমি ,কেবলই তুমি আল্লাহ প্রভু স্রষ্টা
ঈশ্বর ভগবাণ যে যে নামেই ডাকুক
তাদের ক্ষমা করে দিও যদি তা মিথ্যে ডাকা হয়
তুমি আমার প্রেম তুমি আমার ভালবাসা
আমার প্রিয়াকে ভালবাসতে গিয়ে
ভালবাসতে শিখেছি তোমাকে
তার প্রেমের,আরাধনায় জ্বলে জ্বলে
তোমার পবিত্র অদৃশ্য চরণ ছুঁতে
করেছি চেষ্টা নীরবে ফেলে চোখের জল
এটা যদি হয়ে থাকে অপরাধ ,হে আল্লাহ
তুমি আমার চোখের জলকেও করেদিও ক্ষমা
ক্ষমা করে দিও আমার সকল অনুভব
অনুভুতি ইন্দ্রিয়কে
তারাওতো তোমারই সৃষ্টি
তুমি ছাড়া ক্ষমা করার আরতো কেউ নেই
প্রিয়াকে, প্রিয়তমাকে ভালবেসে
জড়িয়ে তারই প্রেমে যদি পেয়ে থাকি
তোমাকে পাওয়ার পথের সন্ধান
এই কথা মিথ্যে হলে আমাকে করেদিও
ক্ষমা হে প্রভু
এটা যদি মিথ্যে বিশ্বাস হয়
তা হলে তুমি আমাকে তোমার সকল করুণায় রেখ বেঁধে। 

যদি প্রশ্ন করি.............

Skonthosor
কোথায় গুজে দিচ্ছো মেয়ে
সোনার দেহ, সোনা মুখ
কোথায় খুঁজে নিচ্ছো তোমার
নিত্য নতুন চাওয়া সুখ।
কোথায় ফেলে রাখলে তোমার
স্মৃতির পাহাড় সুখের নাম
প্রেমের হাটে নীলাম করা
অশ্রু দিয়ে কেনা দাম।
কোথায় গেলো প্রতিশ্রুতি
শুকনো রুটির বনবাস
স্মুতিগুলো দুঃখ নিয়ে
কাঁদছে যেন বারমাস।
কোথায় মেয়ে হারিয়ে গেলে
কোন সে অচিন বনে
কি যে ব্যাথা বুকে বাজে
জিজ্ঞাসি কোন জনে।

জীবন আমার যাচ্ছে কেটে
জীবন নামের ট্রেনে
তবু যদি সুখি হতে
যেতাম যদি জেনে।

প্রহরের নীল নক্ষত্র

--------------
আজ থেকে বহুবছর আগে এক যুবক বলেছিল ভালোবাসি ,
বলেছিল তোমায় দিলাম নীল মেঘে ঢাকা আকাশ , রোদেলা দিনের বিচিত্র পুস্পের কানন ,
সাগরের ঢেউয়ে হৃদয় ভাসিয়ে হারিয়ে যাব দুজন ,
আজ থেকে বহুবছর আগে এক যুবক বলেছিল ভালোবাসি…………
বলেছিল তোমায় দিলাম গানের সুরের ভোলা রাতের প্রহরের নীল নক্ষত্র ,
জোছনা জাগানো নিশিথে প্রদীপ জ্বলা মেঠো পথের জোনাকি ,
আজ থেকে বহুবছর আগে এক যুবক বলেছিল ভালোবাসি…………
ভালোবাসার সেই গল্পটা মাঝে মাঝে মনে পড়ে যায় ,
খুবই কম , তারপর ও মনে পড়ে যায় হঠাত্‍ হঠাত্‍ ই বলেছিল তুমি কি হবে সেই স্বপ্নকুমারী ,
সজল ধারার এই জোছনাময় চারিদিকে , যার স্পর্শের মায়াজালে জাগে শীতল শিহরন ,
চাঁদের সাথে হবে একান্তে কিছু কথোপকথন ,
হালকা হাওয়া ছুঁয়ে প্রদীপ শিখা জ্বলে , হাতে হাত রেখে দুজনে দাড়িয়ে ,
হারিয়ে যাব কোন এক সময় অসীম সীমাহীন সময়ের গহীনে ,
আজ থেকে বহুবছর আগে এক যুবক বলেছিল ভালোবাসি , অযথাই বলেছিল , দিয়েছিল রূপকথার গল্পকথা ,

এক যুবক বলেছিল ভালোবাসি………………

বীরপুরুষ -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


মনে করো, যেন বিদেশ ঘুরে
মাকে নিয়ে যাচ্ছি অনেক দূরে।
তুমি যাচ্ছ পালকিতে, মা, চ'ড়ে
দরজা দুটো একটুকু ফাঁক ক'রে,
আমি যাচ্ছি রাঙা ঘোড়ার ‘পরে
টগবগিয়ে তোমার পাশে পাশে।
রাস্তা থেকে ঘোড়ার খুরে খুরে
রাঙা ধূলোয় মেঘ উড়িয়ে আসে।
সন্ধ্যে হল, সূর্য নামে পাটে,
এলেম যেন জোড়া দিঘির মাঠে।
ধূ ধূ করে যে দিক-পানে চাই,
কোনোখানে জনমানব নাই,
তুমি যেন আপন-মনে তাই
ভয় পেয়েছ-ভাবছ, ‘এলেম কোথা।’
আমি বলছি, ‘ভয় কোরো না মা গো,
ওই দেখা যায় মরা নদীর সোঁতা।’
আমরা কোথায় যাচ্ছি কে তা জানে-
অন্ধকারে দেখা যায় না ভালো।
তুমি যেন বললে আমায় ডেকে,
‘দিঘির ধারে ওই-যে কিসের আলো!’
এমন সময় ‘হাঁরে রে রে রে রে’
ওই - যে কারা আসতেছে ডাক ছেড়ে!
তুমি ভয়ে পালকিতে এক কোণে
ঠাকুর-দেবতা স্মরণ করছ মনে,
বেয়ারাগুলো পাশের কাঁটাবনে
আমি যেন তোমায় বলছি ডেকে,
‘আমি আছি, ভয় কেন, মা, করো!’
তুমি বললে, ‘যাসনে খোকা ওরে,’
আমি বলি, ‘দেখো-না চুপ করে।’
ছুটিয়ে ঘোড়া গেলেম তাদের মাঝে,
কী ভয়ানক লড়াই হল মা যে!
শুনে তোমার গায়ে দেবে কাঁটা।
কত লোক যে পালিয়ে গেল ভয়ে,
কত লোকের মাথা পড়ল কাঁটা।।
এত লোকের সঙ্গে লড়াই ক'রে,
ভাবছ খোকা গেলই বুঝি মরে।
আমি তখন রক্ত মেখে ঘেমে
বলছি এসে, ‘লড়াই গেছে থেমে,’
তুমি শুনে পালকি থেকে নেমে
চুমো খেয়ে নিচ্ছ আমায় কোলে
বলছ, ‘ভাগ্যে খোকা সঙ্গে ছিল’
কী দুর্দশাই হত তা না হলে!

প্রতিদান


আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর,
আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর
যে মোরে করিল পথের বিবাগী;-
পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি;
দীঘল রজনী তার তরে জাগি ঘুম যে হয়েছে মোর;
আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর,

আমার এ কূল ভাঙিয়াছে যেবা আমি তার কূল বাঁধি,
যে গেছে বুকে আঘাত হানিয়া তার লাগি আমি কাঁদি;
সে মোরে দিয়েছে বিষে ভরা বাণ,
আমি দেই তারে বুক ভরা গান;
কাঁটা পেয়ে তারে ফুল করি দান সারাটি জনম ভর,-
আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর

মোর বুকে যেবা কবর বেঁধেছে আমি তার বুক ভরি
রঙিন ফুলের সোহাগ-জড়ানো ফুল-মালঞ্চ ধরি
যে মুখে সে কহে নিঠুরিয়া বাণী,
আমি লয়ে সখি, তারি মুখখানি,
কত ঠাঁই হতে কত কি যে আনি, সাজাই নিরন্তর
আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর
(পল্লীকবি জসীমউদ্দীন)

হারিয়ে যাই

কেন সবকিছু অসহনী মনে হয়?
 কুয়াশায় বিচ্ছিন্ন মনে হয়,
সবকিছুর আড়ালে যেন
কিছু একটা ধাক্কা দিয়ে চলে
বুঝতে পারিনা...............
শিরা উপশিরায় প্রবাহিত হয়
ঘৃণা,কোধ,একটা ভীষণ দমন নীতি।
ইচ্ছে হয়
        চলে যায়.....................
        ভেসে যায়................
        হারিয়ে যায়..............
কোথাও অন্য কোথাও।
সবুজ আর নীলের ছড়া-ছড়িতে।
0 comments

আশা



হয়ত তোমার পাব দেখা,
যেখানে ঐ নত আকাশ চুমছে বনের সবুজ রেখা

ঐ সুদুরে গাঁয়ের মাঠে ,
আলের পথে, বিজন ঘাটে,
হয়ত এসে মুচকি হেসে
    ধরবে আমার হাতটী একা ।

ঐ নীলের ঐ গহন পারে ঘোমটা হারা  তোমার চাওয়া ,
আনলে খবর গপন-দূতী দিক পারের ঐ দক্ষিন হাওয়া ।

বনের ফাঁকে দুষ্টূ তুমি
আস্তে যাবে নয়ন চুমি,
সেই সে কথা লিখছে হোথা
    দিগ্বলয়ের অরুন লেখা।।

( কাজী নজ্রুলের ছায়ানটের কবিতা সমগ্র থেকে সংগৃহিত )

0 comments
 
Helped By : WWW.KASPERWINDOW.TK | KasperWindowTemplate | Download This Template
Copyright © 2011. আমার কথা ঘর - All Rights Reserved
Template Created by Aehtasham Aumee Published by KasperWindow
Proudly powered by Blogger