জেগে থাকাকালীন যেভাবেই তিনি আপনার সঙ্গে থাকুন না কেন, ঘুমিয়ে পড়ার পরে ছবিটা অন্য। মনোস্তাত্ত্বিকরা বলছেন, ঘুমোনোর সময়ে আমাদের অবচেতন মনটি সক্রিয় থাকে। মনের গভীরে যে আবেগ থাকে বা চিন্তা থাকে, তা-ই প্রতিফলিত হয় নিদ্রায় যাওয়ার পরে।
ঘুমে লুকিয়ে গভীর রহস্য..............................................................
ঘুমে লুকিয়ে গভীর রহস্য..............................................................
সঙ্গীর সঙ্গে চরম আবেগঘন মুহূর্ত কাটানোর পরে ক্লান্ত শরীর এলিয়ে পড়ে বিছানায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে যান গভীর ঘুমে। জানেন কি, আপনার কাছের মানুষের সঙ্গে কোন পজিশনে ঘুমোন, তা থেকেই অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যায় আপনাদের সম্পর্কের রসায়ন। নিজের অবচেতনে সম্পর্ক নিয়ে ঠিক কী ভাবেন আপনারা, তা-ও বোঝা যায় এই সহজ পন্থায়।
১। এই পজিশনের নাম স্পুনিং। এই পজিশনে বেশিরভাগ সময় ঘুমোনোর অর্থ
তাঁরা একটি সুস্থ যৌন সম্পর্কে আছেন। নিজেদের রসায়নও জোরদার।
২। ওভার লেগ পজিশন। এই পজিশনে যিনি অপরের দেহের
উপরে পা তুলে ঘুমোতে ভালোবাসেন, বুঝে নিতে তিনি
আরও বেশি কিছু চাইছেন। অর্থাৎ, সঙ্গীর কাছ থেকে তাঁর প্রত্যাশা আরও।
৩। চেস্ট নুজলার। এই পজিশন বোঝায়
দু’জনের মধ্যেই প্রবল বিশ্বাস রয়েছে। একে অপরকে
চোখ বন্ধ করে ভরসা করেন এঁরা।
৪। স্পেস ইনভেডর। ঘুমিয়ে পড়ার পরে একজন যদি ক্রমশ বিছানা
অধিকার করতে শুরু করেন এবং অপর জন কোনওক্রমে সামান্য
জায়গায় নিজেকে গুটিয়ে নেন, তা হলে বুঝতে হবে, সম্পর্কের চাবিকাঠি
একজনের হাতেই। একজন সম্পর্ককে ডমিনেট করতে চাইছেন এবং
অন্যজন সেটি মানিয়ে চলতে চাইছেন। এ-ও একপ্রকার ভাল রসায়ন বলা চলে।
৫। ট্যাঙ্গল বলা হয় এই পজিশনকে। দেখতে ভাল
লাগলেও সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ক্ষতিকারক এই পজিশন।
কারণ, বিশষজ্ঞরা জানাচ্ছেন একসঙ্গে থাকার ছ’মাস
পরেও যদি একে অপরের সঙ্গে এই পজিশনে ঘুমিয়ে পড়েন,
তা হলে বুঝতে রসায়নে কোথাও খামতি রয়েছে।
বেশি মাত্রায় নির্ভরশীলতা একটা সম্পর্ককে অসুস্থ করে তোলে।
৬। ইনডিপেনডেন্ট লাভার। ২৭ শতাংশ বিবাহিত দম্পতি বিয়ের
কয়েক বছর পর থেকে এমন পজিশনে ঘুমোতে স্বচ্ছন্দ বোধ করে।
মোটেও ভাববেন না এই পজিশনের অর্থ নেতিবাচক।
এর অর্থ এঁরা একে অপরকে স্পেস দিতে শিখে নিয়েছেন
এবং নিজেরা একাই ভাল থাকতে শিখে নিয়েছেন।


















