Featured Post Today
print this page
Latest Post
লাইফ স্টাইল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লাইফ স্টাইল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সঙ্গীর সঙ্গে কীভাবে ঘুমোন আপনি? জেনে নিন সম্পর্কের ৬টি ‘গোপন’ কথা।

জেগে থাকাকালীন যেভাবেই তিনি আপনার সঙ্গে থাকুন না কেন, ঘুমিয়ে পড়ার পরে ছবিটা অন্য। মনোস্তাত্ত্বিকরা বলছেন, ঘুমোনোর সময়ে আমাদের অবচেতন মনটি সক্রিয় থাকে। মনের গভীরে যে আবেগ থাকে বা চিন্তা থাকে, তা-ই প্রতিফলিত হয় নিদ্রায় যাওয়ার পরে।

ঘুমে লুকিয়ে গভীর রহস্য..............................................................
সঙ্গীর সঙ্গে চরম আবেগঘন মুহূর্ত কাটানোর পরে ক্লান্ত শরীর এলিয়ে পড়ে বিছানায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে যান গভীর ঘুমে। জানেন কি, আপনার কাছের মানুষের সঙ্গে কোন পজিশনে ঘুমোন, তা থেকেই অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যায় আপনাদের সম্পর্কের রসায়ন। নিজের অবচেতনে সম্পর্ক নিয়ে ঠিক কী ভাবেন আপনারা, তা-ও বোঝা যায় এই সহজ পন্থায়।

১। এই পজিশনের নাম স্পুনিং। এই পজিশনে বেশিরভাগ সময় ঘুমোনোর অর্থ
তাঁরা একটি সুস্থ যৌন সম্পর্কে আছেন। নিজেদের রসায়নও জোরদার।


২। ওভার লেগ পজিশন। এই পজিশনে যিনি অপরের দেহের

উপরে পা তুলে ঘুমোতে ভালোবাসেন, বুঝে নিতে তিনি
আরও বেশি কিছু চাইছেন। অর্থাৎ, সঙ্গীর কাছ থেকে তাঁর প্রত্যাশা আরও।




৩। চেস্ট নুজলার। এই পজিশন বোঝায়
দু’জনের মধ্যেই প্রবল বিশ্বাস রয়েছে। একে অপরকে
চোখ বন্ধ করে ভরসা করেন এঁরা।


৪। স্পেস ইনভেডর। ঘুমিয়ে পড়ার পরে একজন যদি ক্রমশ বিছানা

অধিকার করতে শুরু করেন এবং অপর জন কোনওক্রমে সামান্য
জায়গায় নিজেকে গুটিয়ে নেন, তা হলে বুঝতে হবে, সম্পর্কের চাবিকাঠি
একজনের হাতেই। একজন সম্পর্ককে ডমিনেট করতে চাইছেন এবং
অন্যজন সেটি মানিয়ে চলতে চাইছেন। এ-ও একপ্রকার ভাল রসায়ন বলা চলে।



৫। ট্যাঙ্গল বলা হয় এই পজিশনকে। দেখতে ভাল

লাগলেও সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ক্ষতিকারক এই পজিশন।
কারণ, বিশষজ্ঞরা জানাচ্ছেন একসঙ্গে থাকার ছ’মাস
পরেও যদি একে অপরের সঙ্গে এই পজিশনে ঘুমিয়ে পড়েন,
তা হলে বুঝতে রসায়নে কোথাও খামতি রয়েছে।
বেশি মাত্রায় নির্ভরশীলতা একটা সম্পর্ককে অসুস্থ করে তোলে।



৬। ইনডিপেনডেন্ট লাভার। ২৭ শতাংশ বিবাহিত দম্পতি বিয়ের

কয়েক বছর পর থেকে এমন পজিশনে ঘুমোতে স্বচ্ছন্দ বোধ করে।
মোটেও ভাববেন না এই পজিশনের অর্থ নেতিবাচক।
এর অর্থ এঁরা একে অপরকে স্পেস দিতে শিখে নিয়েছেন
এবং নিজেরা একাই ভাল থাকতে শিখে নিয়েছেন।  

1 comments

কোন জেলা কোন খাবারের জন্য, স্থান ও কিসের জন্য বিখ্যাত।

বাংলাদেশ! নিজ দেশে বসবাস করলেও অনেকেই জানে না বাংলাদেশের ঐতিহ্য সম্পর্কে। খাবারে-ভ্রমণে ওপার বাংলার কোনে কোনে ছড়িয়ে আছে ইতিহাস৷ পাওয়া যেতে বাংলাদেশ! নিজ দেশে বসবাস করলেও অনেকেই জানে না বাংলাদেশের ঐতিহ্য সম্পর্কে। খাবারে-ভ্রমণে ওপার বাংলার কোনে কোনে ছড়িয়ে আছে ইতিহাস৷ পাওয়া যেতে পারে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভালো কিছু ধারনা৷ এখানে জানতে পারবেন কোন জেলা কোন খাবারের জন্য, স্থান ও কিসের জন্য বিখ্যাত।

০১) নাটোর: কাঁচাগোল্লা, বনলতা সেন।

০২) রাজশাহী: আম, রাজশাহী সিল্ক শাড়ী।

০৩) টাঙ্গাইল: চমচম, টাংগাইল শাড়ি।

০৪) দিনাজপুর: লিচু, কাটারিভোগ চাল, চিড়া, পাপড়।

০৫) বগুড়া: দই।

০৬) ঢাকা: বেনারসী শাড়ি, বাকরখানি।

০৭) কুমিল্লা: রসমালাই, খদ্দর (খাদী)।

০৮) চট্রগ্রাম: মেজবান, শুটকি।

০৯) খাগড়াছড়ি: হলুদ।

১০) বরিশাল: আমড়া।

১১) খুলনা: সুন্দরবন, সন্দেশ, নারিকেল, গলদা চিংড়ি।

১২) সিলেট: কমলালেবু, চা, সাতকড়ার আচার।

১৩) নোয়াখালী: নারকেল নাড়, ম্যাড়া পিঠা।

১৪) রংপুর: তামাক, ইক্ষু।

১৫) গাইবান্ধা: রসমঞ্জরী।

১৬) চাঁপাইনবাবগঞ্জ: আম, শিবগঞ্জের চমচম, কলাইয়ের রুটি।

১৭) পাবনা: ঘি, লুঙ্গি, পাগলাগারদ।

১৮) সিরাজগঞ্জ: পানিতোয়া, ধানসিড়িঁর দই।

১৯) গাজীপুর: কাঁঠাল, পেয়ারা।

২০) ময়মনসিংহ: মুক্তা-গাছার মন্ডা।

২১) কিশোরগঞ্জ: বালিশ মিষ্টি।

২২) জামালপুর: ছানার পোলাও, ছানার পায়েস।

২৩) শেরপুর: ছানার পায়েস, ছানার চপ।

২৪) মুন্সীগঞ্জ: ভাগ্যকুলের মিষ্টি।

২৫) নেত্রকোনা: বালিশ মিষ্টি।

২৬) ফরিদপুর: খেজুরের গুড়।

২৭) রাজবাড়ী: চমচম, খেজুরের গুড়।

২৮) মাদারীপুর: খেজুর গুড়, রসগোল্লা।

২৯) সাতক্ষীরা: সন্দেশ।

৩০) বাগেরহাট: চিংড়ি, ষাটগম্বুজ মসজিদ, সুপারি।

৩১) যশোর: খই, খেজুর গুড়, জামতলার মিষ্টি।

৩২) মাগুরা: রসমালাই।

৩৩) নড়াইল: পেড়ো সন্দেশ, খেজুর গুড়, খেজুর রস।

৩৪) কুষ্টিয়া: তিলের খাজা, কুলফি আইসক্রিম।

৩৫) মেহেরপুর: মিষ্টি সাবিত্রি, রসকদম্ব।

৩৬) চুয়াডাঙ্গা: পান, তামাক, ভুট্টা।

৩৭) ঝালকাঠি: লবন, আটা।

৩৮) ভোলা: নারিকেল, মহিষের দুধের দই।

৩৯) পটুয়াখালী: কুয়াকাটা।

৪০) পিরোজপুর: পেয়ারা, নারিকেল, সুপারি, আমড়া।

৪১) নরসিংদী: সাগর কলা।

৪২) নারায়নগঞ্জ: আইভি আফা।

৪৩) নওগাঁ: চাল, সন্দেশ।

৪৪) মানিকগঞ্জ: খেজুর গুড়।

৪৫) রাঙ্গামাটি: আনারস, কাঠাল, কলা।

৪৬) কক্সবাজার: মিষ্টিপান।

৪৭) বান্দরবান: হিল জুস, তামাক।

৪৮) ফেনী: মহিশের দুধের ঘি, সেগুন কাঠ, খন্ডলেরমিষ্টি।

৪৯) লক্ষীপুর: সুপারি।

৫০) চাঁদপুর: ইলিশ।

৫১) ব্রাহ্মণবাড়িয়া: তালের বড়া, ছানামুখী, রসমালাই।

৫২) মৌলভিবাজার: ম্যানেজার স্টোরের রসগোল্লা

 বাংলাদেশ সম্পর্কে ভালো কিছু ধারনা৷ এখানে জানতে পারবেন কোন জেলা কোন খাবারের জন্য, স্থান ও কিসের জন্য বিখ্যাত।

০১) নাটোর: কাঁচাগোল্লা, বনলতা সেন।

০২) রাজশাহী: আম, রাজশাহী সিল্ক শাড়ী।

০৩) টাঙ্গাইল: চমচম, টাংগাইল শাড়ি।

০৪) দিনাজপুর: লিচু, কাটারিভোগ চাল, চিড়া, পাপড়।

০৫) বগুড়া: দই।

০৬) ঢাকা: বেনারসী শাড়ি, বাকরখানি।

০৭) কুমিল্লা: রসমালাই, খদ্দর (খাদী)।

০৮) চট্রগ্রাম: মেজবান, শুটকি।

০৯) খাগড়াছড়ি: হলুদ।

১০) বরিশাল: আমড়া।

১১) খুলনা: সুন্দরবন, সন্দেশ, নারিকেল, গলদা চিংড়ি।

১২) সিলেট: কমলালেবু, চা, সাতকড়ার আচার।

১৩) নোয়াখালী: নারকেল নাড়, ম্যাড়া পিঠা।

১৪) রংপুর: তামাক, ইক্ষু।

১৫) গাইবান্ধা: রসমঞ্জরী।

১৬) চাঁপাইনবাবগঞ্জ: আম, শিবগঞ্জের চমচম, কলাইয়ের রুটি।

১৭) পাবনা: ঘি, লুঙ্গি, পাগলাগারদ।

১৮) সিরাজগঞ্জ: পানিতোয়া, ধানসিড়িঁর দই।

১৯) গাজীপুর: কাঁঠাল, পেয়ারা।

২০) ময়মনসিংহ: মুক্তা-গাছার মন্ডা।

২১) কিশোরগঞ্জ: বালিশ মিষ্টি।

২২) জামালপুর: ছানার পোলাও, ছানার পায়েস।

২৩) শেরপুর: ছানার পায়েস, ছানার চপ।

২৪) মুন্সীগঞ্জ: ভাগ্যকুলের মিষ্টি।

২৫) নেত্রকোনা: বালিশ মিষ্টি।

২৬) ফরিদপুর: খেজুরের গুড়।

২৭) রাজবাড়ী: চমচম, খেজুরের গুড়।

২৮) মাদারীপুর: খেজুর গুড়, রসগোল্লা।

২৯) সাতক্ষীরা: সন্দেশ।

৩০) বাগেরহাট: চিংড়ি, ষাটগম্বুজ মসজিদ, সুপারি।

৩১) যশোর: খই, খেজুর গুড়, জামতলার মিষ্টি।

৩২) মাগুরা: রসমালাই।

৩৩) নড়াইল: পেড়ো সন্দেশ, খেজুর গুড়, খেজুর রস।

৩৪) কুষ্টিয়া: তিলের খাজা, কুলফি আইসক্রিম।

৩৫) মেহেরপুর: মিষ্টি সাবিত্রি, রসকদম্ব।

৩৬) চুয়াডাঙ্গা: পান, তামাক, ভুট্টা।

৩৭) ঝালকাঠি: লবন, আটা।

৩৮) ভোলা: নারিকেল, মহিষের দুধের দই।

৩৯) পটুয়াখালী: কুয়াকাটা।

৪০) পিরোজপুর: পেয়ারা, নারিকেল, সুপারি, আমড়া।

৪১) নরসিংদী: সাগর কলা।

৪২) নারায়নগঞ্জ: আইভি আফা।

৪৩) নওগাঁ: চাল, সন্দেশ।

৪৪) মানিকগঞ্জ: খেজুর গুড়।

৪৫) রাঙ্গামাটি: আনারস, কাঠাল, কলা।

৪৬) কক্সবাজার: মিষ্টিপান।

৪৭) বান্দরবান: হিল জুস, তামাক।

৪৮) ফেনী: মহিশের দুধের ঘি, সেগুন কাঠ, খন্ডলেরমিষ্টি।

৪৯) লক্ষীপুর: সুপারি।

৫০) চাঁদপুর: ইলিশ।

৫১) ব্রাহ্মণবাড়িয়া: তালের বড়া, ছানামুখী, রসমালাই।

৫২) মৌলভিবাজার: ম্যানেজার স্টোরের রসগোল্লা

0 comments

যৌনতা বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান




নারীর যৌনাঙ্গ
নারীর যোনি হলো একটি সুড়ঙ্গ পথের মতো যা যোনিদ্বার থেকে জরায়ু পর্যন্ত প্রসারিত। নারীর জীবনে তার যোনিতে নানা পরিবর্তন ঘটে । শিশুদের যোনি পূর্ণ বয়স্কা নারীর যোনি থেকে ভিন্ন। শিশুকন্যার মাসিক শুরু হয়নি এমন কন্যার যোনির পাশের পর্দাটি পূর্ণবর্তী নারীর তুলনায় পাতলা হয়। এ পরিবর্তন ঘটে ইস্ট্রোজেন  হরমোনের ফলে যা নির্গত হয় ডিম্বাশয় থেকে। যৌনক্রিয়া এবং   সন্তান জন্মের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে নারী যোনি।
 
নারী যোনি হলো একটি নালি যা প্রায় পৌনে ৩ ইঞ্চি থেকে সোয়া ৫ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা, যার চারপাশে থাকে আঁশ ও পেশির কলা, কিন্তু স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াম নামক কোষের স্তরের দ্বারা আবৃত থাকে, এ নালির প্রাচীরগুলো স্বাভাবিকভাবে একে অপরের ওপর ভেঙে পড়ে এবং তাতে নানা ভাঁজ সৃষ্টি হয়। এর ফলে সহবাস বা সন্তান প্রসবের সময় নারী যোনি সমপ্রসারিত হতে পারে। মূত্রনালি নারী যোনির সম্মুখ ভাগে থাকে এবং মলদ্বার থেকে যোনির উপরের দিকে তৃতীয় স্তরে পৌঁছেছে। পায়ু যোনি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে এক ধরনের তন্তুবিশিষ্ট পেশির দ্বারা। নারী যখন সন্তান ধারণক্ষম থাকে তখন যোনি থেকে নির্গত রসে অম্লত্বের ভাব থাকে। যার ফলে যোনিতে ক্ষতিকারক রোগজীবাণু বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কিন্তু নারী ঋতুবর্তী হবার আগে বা ঋতু বন্ধ হওয়ার বা Menopause হবার পরের বছরগুলোতে ক্ষারধর্মী রস নির্গত হয়। এই অবস্থায় রোগজীবাণু বেড়ে উঠতে পারে এবং যোনিতে এক ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে যার নাম অ্যাট্রোফিক ভ্যাজাইনাইটিস। নারী যোনির প্রাচীরগুলো খুব পিচ্ছিল হয়ে থাকে সার্ভিক্স বা গর্ভাশয়ের সংকীর্ণ অংশ এবং বার্থোলিন গ্রন্থির রসক্ষরণের ফলে। যৌনক্রীড়ার সময় নারী যোনির এপিথেলিয়াম থেকে নারী যোনির নালিতে প্রবেশ করে এই ক্ষরিত রস। সব নারীর ক্ষেত্রে নারী যোনি থেকে এক ধরনের ক্ষরণ হওয়াটা স্বাভাবিক।

এ ক্ষরণের বৃদ্ধি ঘটে ভ্রূণ সৃষ্টির মুহূর্তে বা অধিক যৌন উত্তেজনাকালে। সতীচ্ছদের অন্য নাম কুমারীচ্ছদ। গ্রিসের বিবাহের দেবী হাইমেনের নামানুসারে এ নামকরণ করা হয়। সতীচ্ছদের শারীরবৃত্তির গুরুত্ব কী এবং কতটা তা আজও সঠিকভাবে জানা যায়নি। তবে তা সব জাতির সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে কুমারীত্বের প্রতীক হিসেবে। সতীচ্ছদ নানা আকারে ও আকৃতির হতে পারে এবং কুমারিত্বের সঙ্গে এর তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। সাধারণত সতীচ্ছদ খুবই পাতলা ত্বকের ঝিল্লি বিশেষ, যা সহজেই ছিন্ন হওয়া সম্ভব, মিলনকালে পুরুষের বিশেষ অঙ্গের চাপ ছাড়াও-

দৌড় ঝাঁপ
ব্যায়াম
ঘোড়ায় চড়া
সাইকেল চালানো এবং
আত্মরতি করার ফলেও সতীচ্ছদ ছিন্ন হতে পারে।
নারীর বিশেষ অঙ্গের রক্ত বন্ধ করার জন্য কাপড় বা তুলার ন্যাপকিন ব্যবহারে অর্থাৎ ট্যাম্পুন ব্যবহারে নারীর সতীচ্ছদ ছিন্ন হতে পারে। কুমারিত্বের প্রতীক না হলেও প্রায়ই দেখা যায় প্রথম যৌনমিলনের সময় সতীচ্ছদ ছিন্ন হয়। সাধারণের মধ্যে একটা বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে, সতীচ্ছদ যদি অক্ষত থাকে তবে সেই নারী কখনো কোনো পুরুষের সঙ্গে সহবাস করেনি কিন্তু এ ধারণাও ঠিক নয়। জননেন্দ্রিয়ের এলাকার মধ্যে শুক্রাণু প্রবেশ করলে অতি প্রশ্রয়ের ফলে তা সতীচ্ছদের ছিদ্র দিয়ে ভেতরে চলে যেতে পারে। আর তখন ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

পর্যায়ভিত্তিক যে রক্তস্রাব প্রথম শুরু হয় জরায়ু থেকে তাকে রজোদর্শন বলে এবং ঋতুচক্রের একটি পর্ব মাত্র যা নিয়ন্ত্রিত হয় মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি এবং ডিম্বাশয় থেকে নির্গত হরমোনগুলোর দ্বারা। প্রথম মাসিক হয় যখন ইস্ট্রোজেন পরিমাণ কমে যায়, জরায়ুর গড়ে ওঠা আস্তরণ পরিত্যাগ করে ও তার গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন না নিয়েই, তারপর তা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় এবং রক্ত ও কোষগুলো জরায়ুতে পড়ে জরায়ুর মুখ দিয়ে এবং সেই পথে দেহের বাইরে। পরবর্তী সময়ের মাসিক চক্রের মতো একই ধরনের রক্ত প্রথম রজঃস্রাবে নির্গত হলেও ডিম্বাশয় কোনো পরিণত ডিম্বাণু উৎপাদন করে না। ডিম্বাশয়ের পূর্ণমাত্রায় কাজ করতে সময় লেগে যায় প্রায় কয়েক মাস এমনকি এক বছর ও কমবয়সী মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছানো না পর্যন্ত। যখন তার সন্তান জন্ম দেয়ার ক্ষমতা পূর্ণ মাত্রায় বিকশিত হয়ে ওঠে যদিও দেহ ও মনের দিক থেকে সে হয়তো পরিণত হয়ে ওঠেনি।
নারীর যোনির কর্মতৎপরতা
নারীর জননেন্দ্রিয়ের বহিঃস্থ অংশগুলোর নাম হলো ভগাঙ্কুর বা ক্লাইটোরিস এবং ল্যাবিয়া অর্থাৎ ভগের ওষ্ঠ যা একত্র করলে নাম হয় ভালভা বা স্ত্রী যোনিদ্বার। নারীর যোনির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশ হলো দুটি ওষ্ঠ বা ল্যাবিয়া। বহিঃস্থ এবং বৃহত্তর ল্যাবিয়া মেজেরো ওষ্ঠটির মধ্যে আছে স্থূল চর্মের আবরণ যা অন্যান্য অংশকে সুরক্ষিত করে রাখে। ওষ্ঠ দুটি ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে এসে পেরিনিয়ামের যোনিমুখ এবং পায়ুর মধ্যবর্তী ত্বক মূলে গিয়ে মিশে যায়। উপরে বাইরের দিকে বহিঃস্থ ওষ্ঠটি মিশে যায় চর্বিযুক্ত কলার প্যাডের সঙ্গে যেখানে যৌনকেশ এবং ত্বক থাকে। এই প্যাডটি নরম মাংসল অংশ আবৃত করে রাখে প
0 comments

৮ টি ভুল যা স্বামীরা যৌন মিলনের সময় করে থাকে?



বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমাদের দেশের স্বামীরা মিলনের সময় স্ত্রীদের আনন্দ দেওয়ার চেয়ে তাদেরকে লোভনীয় খাদ্যের মত গপাগপ গিলতেই বেশি পছন্দ করে। তাই এদেশের বহু মেয়ের কাছে (সবাই নয়) চরম যৌন সুখ পাওয়া যেন এক বহু আরাধ্যবস্তু। স্বামীদের এই রাক্ষুসে মনো ভাবের কারনেই অনেক সময় দেখা যায় যে তারা তাদের সম্পর্ক  টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয়। এমনকি এর ফলে স্বামী স্ত্রীর বন্ধনও ধ্বংসের মুখে পড়ে যাচ্ছে, পরকীয়া প্রেমের সূত্রপাত ঘটছে। এর প্রধান কারনই হচ্ছে যৌন মিলনে ও স্ত্রীরদের যৌন ইচ্ছা- আকাঙ্খা সম্পর্কে স্বামীদের স্বচ্ছ ধারনার অভাব থাকা।

বিদেশি ভাষায় এসব বিষয়ে অনেক বই পত্র থাকলেও বাংলায় তেমন নেই বললেই চলে। তাই কিছু বিদেশি বইয়ের সাহায্য নিয়ে  অভিজ্ঞতা থেকে যৌন মিলনের সময় স্বামীদের যে সকল ভুলের কারনে তাদের স্ত্রীদের বিরাগভাজন হতে হয় তার কয়েকটি সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরলাম।
সময়ের অভাবে আপাতত এসকল ভুলের প্রতিকার ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জানার
বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে পারলাম না। তবে আগামীতে সম্পুর্ন বাংলায়
একটা সারগর্ভ সেক্স গাইড  এই সাইটে আপলোড দিবো।

তার জন্য আপনাদের কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। আপাতত এই বিষয় গুলো আগে জেনে নিন

০১ প্রথমে চুমু না খাওয়া




যৌন মিলনের শুরুতেই সঙ্গিনীকে আদরের সাথে চুমু
না খেয়ে তার যৌনকাতর
স্থানগুলোতে (স্তন, যোনি, নিতম্ব,
নাভী ইত্যাদি) চলে গেলে তার
ধারনা হতে পারে যে আপনি তাকে টাকা দিয়ে ভাড়া করে দ্রুত
সেই টাকা উসুল করার চেষ্টা করছেন।
গভীরভাবে ভালোবাসার
সাথে সঙ্গিনীকে চুমু খাওয়া দুজনের
জন্যই প্রকৃতপক্ষে এক অসাধরন
যৌনানন্দময় যৌন মিলনের সূচনা করে।

০২ প্রথম থেকেই জোরে জোরে স্তন টিপা




বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায়
স্বামীরা স্ত্রীর স্তন হাতের
কাছে পাওয়া মাত্রই এমনভাবে টিপা শুরু
করে যেন ময়দা মাখাচ্ছে। কিছু
Extreme মেয়ে এরকমটা পছন্দ
করলেও বেশীরভাগ মেয়েই চূড়ান্ত
উত্তেজিত হওয়ার আগে এরকম
করাতে বেশ ব্যথা পায়। তাই
প্রথমে নিজের উত্তেজনাকে একটু
দাবিয়ে রেখে হলেও ধীরে ধীরে আদরের
সাথে ওর স্তনে হাত
বুলিয়ে বুলিয়ে টিপা শুরু করতে হবে।
তবে মেয়েই যদি জোরে টিপতে বলে তবে সেক্ষেত্রে কোন
সমস্যা নেই।

০৩ স্তনের বোটায় কামড় দেয়া




কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় কোন মেয়েই
সরাসরি তাদের স্তনের বোটায় কামড়
খেতে পছন্দ করে না।
স্বামীরা মনে করে এখানে কামড়
দিলে স্ত্রীকে বেশি বেশি উত্তেজিত
করে তোলা যায়। হ্যা কথাটা আংশিক
সত্যি। তবে এর সবচেয়ে ভালো উপায়
হল। প্রথমে মুখের ভিতরে যতটুক
পারা যায় স্তনটা পুরো বা আংশিক
ভরে নিতে হবে তারপর হাল্কা করে দাত
বুলানোর মত করে মুখ থেকে স্তনটা বের
করতে করতে নিপলে আলতো ভাবে দুই
দাঁতের ছোয়া লাগাতে হবে।

০৪ আঙ্গুল দিয়ে স্তনের বোটা মোড়ানো




অনেক স্বামী এমনভাবে স্ত্রীর বোটা আঙ্গুল
দিয়ে মোড়ায় যেন তারা রেডিও টিউন করছে।এটা ঠিক নয়।
হতে পারে বোটা স্ত্রীরদের স্তনের
সবচেয়ে স্পর্শকাতর স্থান, কিন্ত শুধুই
বোটায় এরকম করলে সেটা আনন্দদায়ক
নয়, বরং কিছুটা যন্ত্রনাদায়ক (Teasing) ।

তাই একহাতের আঙ্গুলে বোটা নিয়ে খেলার সময় অন্য
হাত দিয়ে সম্পুর্ন স্তনের উপরও নজর রাখতে হবে।

০৫ স্ত্রীর দেহের অন্যান্য অঙ্গের দিকে মনোযোগ না দেয়া




যৌন মিলনের সময়
স্বামীদের একটা কথা সবসময়
মনে রাখতে হবে যে স্ত্রীরদের স্তন,
যোনি আর নিতম্ব এই তিনটিই তাদের
একমাত্র যৌনকাতর স্থান নয়।
স্বামীদের মূল যৌন কাতর অঙ্গ তাদের
দেহের মাত্র কয়েকটি স্থানের
মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও স্ত্রীরদের প্রায়
পুরো দেহই স্পর্শকাতর (স্ত্রীরদের দেহের
কোন কোন অংশ গুলো বেশি যৌনকাতর
তা আপাতত এই সংক্ষিপ্ত রচনায় আর
ব্যাখ্যা করছি না।)।তাই তার দেহের
এমন একটি স্থানও যেন
না থাকে যেখানে স্বামীর ঠোটের
বা হাতের স্পর্শ যায়নি।

০৬ স্বামীদের হাত আটকে যাওয়া




স্ত্রীর যদি আক্রমনাত্নক
(Aggressive) যৌন মিলন পছন্দ
করে অথবা স্বামী নিজেই চরম উত্তেজিত
হয়ে মেয়ের যোনি, স্তন ইত্যাদি স্পর্শ
করার জন্য পাগলের মত
হাতরাতে থাকে তবে স্ত্রীর
প্যান্টি বা ব্রা তে তার হাত
আটকে যেতে পারে। ফলে বাধ্য
হয়ে থেমে সেটা ছাড়ানোর
চেষ্টা করতে গিয়ে যে রোমান্টিক
যৌনতার একটা আবেশ (Mood)
তৈরী হয়েছিল তা নস্ট হয়ে যেতে পারে।
তাই বেশি Aggressive যৌন মিলন শুরুর
আগেই ব্রা-প্যন্টি খুলে নেওয়া ভালো।

০৭ ভগাঙ্কুরে আক্রমন




অনেক স্বামীই স্ত্রীর যোনিতে আঙ্গুল দিয়ে ঘষতে গিয়ে  তার
ভগাঙ্কুরে (clitoris)
জোরে জোরে আঙ্গুল
ঘষে, বলতে গেলে আক্রমনই করে বসে।
যারা জানেন না তাদের জন্য
বলছি ভগাঙ্কুর হলো স্ত্রীরদের
সবচেয়ে যৌনকাতর স্থানগুলোর একটি।
এর অবস্থান হল যোনির ফুটোর
আশেপাশে যে পাতলা চামড়ার মত অংশ
(labia) আছে তার উপরের দিকে,
মেয়েদের প্রস্রাবের রাস্তার নিচে।
মেয়েরা যৌনত্তেজিত হলে এই
স্থানটি শক্ত হয়ে একটু ফুলে যায়
ফলে তা সহজেই দেখা যায়। এই
স্থানটি চরম স্পর্শকাতর হলেও
এতে জোরে
0 comments

ভ্যালেন্টাইন’স ডে’র কিছু অজানা তথ্য



দেখতে দেখতে এসেই গেল বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসা প্রকাশের জন্য সবচাইতে উপযোগী এই দিনটি সকলেই বেশ আনন্দের সাথে পালন করে থাকেন। কিন্তু এই ভালোবাসা দিবসের সম্পর্কে কতখানি জানেন আপনি? আপনি কি জানেন আগেকার যুগে এই দিবসে মেয়েরা স্বপ্নে ভবিষ্যৎ স্বামীর দেখা পাওয়া জন্য বিদঘুটে সব খাবার খেয়ে থাকতো? এরকমই ভ্যালেন্টাইন’স ডে সম্পর্কে আরও অনেক তথ্য আপনার কাছে একেবারেই অজানা। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কিছু অজানা তথ্য।

১) প্রতিবছর পুরোবিশ্বে যতো দিবস পালন করা হয় তার মধ্যে সব চাইতে বেশি সংখ্যক মানুষ পালন করে এই ভ্যালেন্টাইন’স ডে অর্থাৎ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। অন্যান্য কোন দিবসই এতোটা জনপ্রিয়তা পায় নি।

২) মানুষের ধারণা ছিল যদি কোনো নারী ভালোবাসা দিবসে উড়ন্ত রবিন পাখি দেখেন তাহলে তার বিয়ে হবে একজন নাবিকের সাথে। যদি চড়ুই পাখি দেখেন তাহলে একজন গরীব ব্যক্তির সাথে বিয়ে হবে কিন্তু তিনি সুখী হবেন।

৩) ষোলশ শতাব্দীতে সর্বপ্রথম ভ্যালেন্টাইন’স ডে এর জন্য হাতে বানানো কার্ড তৈরি হয়। এরপর ১৮০০ সালে ফ্যাক্টরিতে কার্ড বানানো চালু হয় যদিও কার্ডে রঙ করানো হতো ফ্যাক্টরি শ্রমিকদের দিয়ে।

৪) ইউনাইটেড স্টেটসের প্রায় ১৫% মহিলা যে চকলেট এবং ফুল উপহার পান ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে, তারা নিজেদেরকেই নিজেরা এই উপহার পাঠিয়ে থাকেন। কিন্তু তারা আসলে কি সম্পর্কে রয়েছেন, নাকি সম্পর্কে নেই কিংবা বিবাহিতা কিনা তা কেউ জানেন না।

৫) ভিক্টোরিয়ান সময়ে ভ্যালেন্টাইন’সের লাভ সাইনকে অশুভ এবং খারাপ ভাগ্যের প্রতীক ধরা হতো।

৬) ভালোবাসা দিবসে প্রায় ১ বিলিয়ন কার্ডের আদান-প্রদান হয়, যাকে দ্বিতীয় বৃহত্তম কার্ড সেন্ডিং সিজন ধরা হয়।

৭) ফিনল্যান্ডে ভ্যালেন্টাইন’স ডে পালিত হয় না। সেখানে পালিত হয়  ফ্রেন্ড’স ডে। বন্ধুবান্ধবের জন্য ভালোবাসা।

৮) মেডাইভাল যুগে মেয়েরা বিদঘুটে ধরণের অনেক খাবার খেতো ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে নিজের ভবিষ্যৎ স্বামীকে স্বপ্নে দেখার আশায়।

৯) রিচার্ড ক্যাডবেরি ১৮০০ সালে সর্বপ্রথম ভ্যালেন্টাইন’স ডে’র জন্য চকলেট বক্স তৈরি করেন।

১০) প্রায় ৩০ মিলিয়ন হার্ট আকৃতির চকলেট বিক্রি হয় প্রতিবছর ভ্যালেন্টাইন’স ডেতে।

১১) ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে যতো ফুল কেনা হয় তার মধ্যে ৭৩% কেনেন পুরুষেরা এবং মাত্র ২৭% নারীরা।

১২) অপরদিকে গিফট কেনার ক্ষেত্রে এগিয়ে আছেন মহিলাগণ। প্রায় ৮৫% গিফট কেনেন মহিলারা এবং মাত্র ১৫% পুরুষেরা।

১৩) প্রতিবছর ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে শুধুমাত্র ইউনাইটেড স্টেটসেই ১ বিলিয়ন মূল্যের চকলেট বিক্রয় হয়ে থাকে।

১৪) প্রতিবছর ভালোবাসা দিবসে গড়ে প্রায় ২,২০,০০০ টি বিয়ের প্রপোজাল দিয়ে থাকেন নারীপুরুষেরা।
0 comments

যৌন মিলনের সময় করণীয় কি? জানুন এখান থেকে।



যৌন মিলনের কিছু করণীয় বিষয় আছে যা আমরা জানিনা। তাই যৌন মিলনের সময় আপনার করণীয় কি তা আমরা সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরলাম। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

01

সঙ্গিনীর দেহে প্রবেশ এর পূর্বে আপনার যৌনাঙ্গ দিয়ে তার যৌনাঙ্গে হালকা ভাবে আদর করুন ,সঙ্গীকে জানান যে আপনি এখন প্রবেশকরতে যাচ্ছেন , এরফলে সে আপনাকে ভিতরে নেয়ার জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হবে ।

02

কক্ষনোই জোর করে ঢুকার চেষ্টা করবেননা , যদি দেখেন যে আপনার সঙ্গিনীর যৌনাঙ্গ আপনাকেনেয়ার জন্য
প্রস্তুত নয় তবে তাকে আশ্বাস দিনযে অসুবিধা নেই , সঙ্গিনীকে রাগ দেখাবেন না । যৌনাঙ্গ সবসময় এক
ধরনের Response নাও দিতে পারে। যদি রাগ দেখান তাহলে পরবর্তীতে সে উত্তেজিত হবার বদলে ভয় পাবে এবং তার মস্তিস্ক Response করতে প্রচুর সময় নিবে ।

03

প্রবেশ এর পর আস্তে আস্তে আদর করুন ,সঙ্গিনীকে মন থেকে ভালোবাসার কথাবলুন , তার সারা শরীরএ হাত বুলান । মনে রাখবেন যে , যদি আপনার সঙ্গী আপনার কাছ থেকে ভালবাসা পূর্ণ শারীরিক আদর লাভ করে তাহলে এটি তার কাছে আনন্দময় মুহূর্ত হিসেবে গণ্য হবে , এবং তা সুখকর স্মৃতি হিসেবে তার মস্তিস্কে জমা হবে ।
ফলাফল হিসেবে পরবর্তীতে যৌন মিলনের সময় তার Response অনেক ভালো হবে ।

04

সঙ্গিনীকে ব্যথা দিবেন না মাঝে মাঝে প্রশ্ন করুন যে তার কেমন লাগছে। যদি দেখেন যে আপনার সঙ্গিনীর যোনি রস কমে আসছে বা শুকিয়ে আসছে তাহলে শেষ করে দিন , জোর করে দীর্ঘায়িত করবেন না ।

05

মিলনের এক পর্যায়ে যখন আপনি অনুভব করছেন যে আপনার একটি শিরশিরেঅনুভূতি হচ্ছে , এবং এইঅনুভূতি আর একটু বাড়লেই আপনার বীর্যপাত হয়েবে , তখন কোমর সঞ্চালন বন্ধ করুন । চুপচাপ সঙ্গিনীর উপর শুয়ে থাকুন এবং তাকে গলায় বা কানে চুমু দিন। চোখ বা চুলের প্রশংসা করুন । আলতো ভাবে তাকে আদর করুন । এতে আপনার মনোযোগ অন্য দিকে সরবে এবং শিরশিরে অনুভূতি কম আবার বাভাবিক হবে । এরপর আবার মিলন শুরু করুন । প্রক্রিয়া টি ২-৩ বার এর বেশী প্রয়োগ করবেন না ।

06

আসন পরিবর্তন করুন । এক এক দম্পতি এক এক আসনে তৃপ্তি বোধ করেন , তাই ধীরে ধীরে জেনে নিন আপনাদের কোন আসন পছন্দ ।সেগুলো প্রয়োগ করুন ।

07

মিলনের সময় যদি অল্প সময়ে নারী সঙ্গির যোনি রস শুকিয়ে আসে , বা পুরুষ সঙ্গির লিঙ্গ তেমন শক্ত না হয় , বা দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে সঙ্গীকে দোষারোপ করবেন না । নিয়মিত যৌন জীবন এর মাঝে মাসে ২-৪ বার এরকম হতেই পারে । সঙ্গীকে জানান যে কোন অসুবিধা নেই ।পরের বার ভালো হবে । প্রত্যেক বার যে পূর্ণ যৌন মিলন করতেই হবে এমন কথা নেই ।

08

এক এক দম্পতি উত্তেজিত হবার এক এক নিয়ম ( যেমন , চুম্বন ,ব্লো-জব ) পছন্দ করেন , জেনে নিন আপনাদের কোনটি পছন্দ । সেটি করুন । একক সিদ্ধান্ত নেবেন না । আপনার সঙ্গী যদি কোনটি পছন্দ না করেন তবে সেটি করবেন না ।

09

আপনার ইচ্ছা করছে কিন্তু আপনার সঙ্গীর করছেনা । তাহলে নিজেকে সংযত করুন।

আমাদের পোস্ট আপনার কাছে ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
0 comments

ভালোবাসা দিবসে প্রেমিক/প্রেমিকাকে দিতে পারেন যে ৬টি সুন্দর উপহার



দেখতে দেখতেই এসে পড়েছে ভালোবাসা দিবস। ফেব্রুয়ারীর ১৪ তারিখের এই দিনটিকে পুরা বিশ্বের মানুষ ভালোবাসা প্রকাশের জন্য বিশেষ ভাবে পালন করে। প্রেমিক প্রেমিকারা এই দিনে একে অপরকে উপহার দেয়। আর এই উপহার গুলোতে থাকে তাদের খাঁটি ভালোবাসার ছোঁয়া। এই ভালোবাসা দিবসে আপনার প্রেমিক/ প্রেমিকা কে কি দিবেন ভেবেছেন? আসুন জেনে নেয়া যাক ভালোবাসা দিবসে প্রেমিক/প্রেমিকাকে দিতে পারেন এমন ৬টি সুন্দর উপহার সম্পর্কে।

লাল গোলাপ

যুগ যুগ ধরেই ভালোবাসা প্রকাশ করার অন্যতম একটি মাধ্যম হলো লাল গোলাপ। লাল গোলাপ ছাড়া যেনো সব উপহারই মলিন রয়ে যায়। আর তাই ভালোবাসা দিবসে ফুলের দোকানগুলো জুড়ে থাকে ফুলের রমরমা ব্যবসা। এই ভালোবাসা দিবসে প্রিয় মানুষটিকে একটি লাল গোলাপ কিন্তু অবশ্যই দেবেন।

বই

এখন চলছে বই মেলা। বলা হয়ে থাকে বই মানুষের সবচাইতে ভালো বন্ধু এবং কাউকে দেয়ার জন্য সবচাইতে ভালো উপহার। এইবারের ভালোবাসা দিবসে তে আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে উপহার দিতে পারেন তার পছন্দের কোনো বই। বইয়ের প্রথম পাতায় ভালোবাসা প্রকাশ করে কয়েকটি কথাও লিখে দিতে পারেন তাকে।

মগের মধ্যে নিজেদের ছবি কিংবা নাম

এই ভালোবাসা দিবসে তে মগের মধ্যে নিজেদের সুন্দর একটা ছবি ছাপিয়ে প্রিয়জনকে উপহার দিতে পারেন। নিলক্ষেতে কিংবা কাটাবনের অনেক গুলো দোকানই মগে ছবি ছাপানোর কাজ করে থাকে। এছাড়াও ফেসবুকের কিছু পেজও কাজটি করছে। চাইলে টি শার্টেও ছাপিয়ে উপহার দিতে পারেন নিজেদের ছবি কিংবা নাম।

প্রযুক্তি পন্য

ইদানিং ভালোবাসা দিবসে অনেকেই প্রযুক্ত পণ্য উপহার পেতে এভং উপহার দিতে পছন্দ করেন। সামর্থ্য থাকলে ভালো কোনো স্মার্ট ফোন অথবা ল্যাপটপ দিতে পারেন ভালোবাসার মানুষটিকে। একটু কম বাজেট থাকলে সুন্দর একটি হেড ফোন, মোবাইল কভার কিংবা সুন্দর একটি পেনড্রাইভ দিয়েও চমকে দিতে পারেন প্রিয় মানুষটিকে।

চকলেট বক্স

ভালোবাসা দিবসে তে পুরো বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় একটি উপহার হলো চকলেট বক্স। ভালোবাসার মানুষটির পছন্দ অনুযায়ী একটি সুন্দর চকলেট বক্স উপহার দিয়ে ভালোবাসার সম্পর্কটিকে আরো মিষ্টি করে তুলতে পারেন এই ভ্যালেন্টাইন্স ডে তে।

নিজের হাতে তৈরী উপহার

একটু সময় নিয়ে নিজের হাতেই বানিয়ে নিতে পারেন কার্ড, ফটোফ্রেম কিংবা অন্য কোনো সুন্দর উপহার। নিজের সৃজনশীলতা এবং রুচির সমন্বয়ে তৈরী আপনার এই উপহারটি আপনার ভালোবাসার মানুষটি পছন্দ করবেই।

নারীর যৌন উত্তেজনা ও তৃপ্তি



নারীর যৌন উত্তেজনা দ্রুত কি ভাবে বৃদ্ধি করা যায় সে বিষয়ে আজকে আমরা আলোচনা করবো। নিম্নলিখিত উপায়গুলি অবলম্বন করলে দ্রুত নারীর যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।

তা হলোঃ-

১। মুখ, কপাল, গাল ইত্যাদি স্থানে ঘন ঘন চুম্বন করা ও ধীরে ধীরে ঘর্ষণ করা।

২। সঙ্গমের পূর্বে নারী দেহের বিভিন্ন স্থান স্পর্শ করলে, ধীরে ধীরে নাড়াচাড়া করলে যৌন উত্তেজনা জাগে।

৩। নারীর যৌন ইন্দ্রয়গুলি স্পর্শ, ঘর্ষণ ও মর্দন করা উচিত।

৪। বিশেষ করে স্তন ও ভগাঙ্কুর মর্দন যৌন উত্তেজনার সহায়ক।

৫। প্রয়োজন হ’লে ধীরে ধীরে আঘাত করা, দংশন করা বা নিপীড়ন করা চলে।

৬। সহবাসের আগে উপরোক্ত বিষয়ে স্ত্রীকে ভালভাবে উত্তেজিত কারা একান্ত আবশ্যক-অন্যথায় স্ত্রীর অতৃপ্তি থেকে যেতে পারে।

নারীর যৌন উত্তেজনার লক্ষণ নারী উত্তেজিত হ’লে তার কি কি লক্ষণ পেতে পারে তা এবারে বলা হচ্ছে।

১। নারী উত্তেজিত হ’য়ে পড়লে এবং যৌনবিহ্বল হলে তার দু’টি চোখ অর্দ্ধনিমীলিত ও রক্তবর্ণ ধারণ করে।

২। জোরে জোরে নিশ্বাস পড়তে থাকে।

৩। চেহারার মধ্যে উত্তেজনার ভাব স্পষ্ট ফুটে ওঠে।

৪। হাত পা শিথিল হ’য়ে পড়ে।

৫। চোখ বুজে থাকতে চায়।

৬। তার লজ্জা কমে যায়, পুরুষ তার অঙ্গস্পর্শ করলে সে তাতে বাধা দেয় না।

৭। পুরুষ তার গোপন স্থানে হাত দিলে বা চাপ দিলে সে তা উপভোগ করে।

৮। সব রকম ভয়, সঙ্কোচ কাটিয়ে সারাটা দেহই সে পুরুষকে অর্পণ করে।

নারীর যৌন তৃপ্তির লক্ষণ

নারী যৌন তৃপ্তি লাভ করলে তার মধ্যে কি কি লক্ষণ প্রকাশ পায় তা এবারে আলোচনা করা হচ্ছে।

১। দেহ নুইয়ে পড়ে।

২। সারাটা দেহে যেন অবসান আসে।

৩। দ্রুত হৃৎস্পন্দন হ’তে থাকে।

৪। আবেশে চোখ বুজে থাকে।

৫। যোনি থেকে রসস্রাব নির্গত হয়।

৫। নারীর সারা দেহে পুনঃপুনঃ শিহরণ হতে থাকে।

৬। অনেকে পূর্ণ তৃপ্তির আবেশে অজ্ঞান পর্যাপ্ত হ’তে পারে এমন ঘটনাও জানা যায়।

৭। ধীরে ধীরে গোঁ গোঁ বা প্রাণীর অনুরূপ শব্দ বের হ’তে পারে।

৮। সে পুরুষকে জোর করে বুকে চেপেও ধরে রাখতে পারে।
0 comments

বুঝে নিতে হয় ছেলেদের মনের কথা


 ছেলেরা সব কথা মুখে বলা পছন্দ করে না। তারা চায় কিছু কথা যেন তার প্রিয়সঙ্গিনী বা প্রেমিকা না বললেই বুঝতে পারে। আশ্চর্যের বিষয় হলেও এমনটাই সত্যি। বিশেষ করে ২৫ বছর বয়সী তরুণ ছেলেরা নিজেদের প্রেমিকার বেলায় কিছু কথা নিজেদের মধ্যে রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। পাঠক, ভাবছেন কি সেই কথা। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক ছেলেদের সেই সব গোপন কথা।
‘প্রেমিক পুরুষ বা বয়ফ্রেন্ডের’ সিল
মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা বেশি রোমান্টিক হয়। ছেলেরা ঠকবাজ কিংবা ছলাকলা করে এমনটাই ধারণা করে বেশিরভাগ মেয়েরা। কিন্তু না! এমন ধারণার বিপরীতে বরং তারা প্রেমিকার ভালবাসায় বাঁচতেও চায়। তারা নিজের প্রেমিকার প্রেমিক পুরুষ হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
প্রেমিকার প্রতিজ্ঞা
সব ছেলেরাই কাপুরুষ নন, যারা কিনা প্রেমিকার সঙ্গে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে ভয় পান। যখন একটি ছেলে কোনো মেয়েকে তার মন দেয় তখন সে চায় মেয়েটিও যেন তার সঙ্গে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকে।
প্রেমিকা যেন তাকে ছেড়ে না দেয়। আর যদি ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা থাকে তাহলে সরাসরি বলে দেওয়াই পছন্দ করে। এতে কাউকেই হয়রানিতে পড়তে হয় না।
তার বন্ধুদের স্বীকৃতি
কাছের বন্ধুদের কাছ থেকে প্রেমিকার স্বীকৃতি ছেলেদের কাছে যেন একটা বড় ব্যাপার। ছেলেরা নতুন প্রেম করলেই তার বন্ধুদের সঙ্গে প্রেমিকার পরিচয় করিয়ে দেয় এবং মনে মনে আশা করে বন্ধুরা যেন তার প্রেমিকাকে গ্রিন সিগন্যাল দেয়। আর প্রেমিকাও যেন তার বন্ধুদের আপন বন্ধু মনে করে প্রাধান্য দেয়।
বন্ধুদের সঙ্গে প্রেমিকার কম মেলামেশা
প্রেমিক কখনই চান না, তার প্রেমিকা তাকে বাদ দিয়ে নিজের বন্ধুদের বেশি সময় দেন। হয়ত অনেক প্রেমিকার পক্ষেই এটা মেনে নেওয়া কষ্টকর, তারপরও ভালবাসার খাতিরে এমনটা করতে হয়। মুখে না বললেও পৃথিবীর সব প্রেমিক পুরুষই চান তার প্রেমিকার অন্তর ও বাহিরজুড়ে শুধু তারই অস্তিত্ব বিরাজ করুক।
প্রেমিকাকে হারানোর ভয়
পত্র-পত্রিকায় আমরা প্রায়ই ছেলেদের আকর্ষণ পাওয়ার জন্য কিংবা ধরে রাখার জন্য বিভিন্ন নির্দেশনামূলক রিপোর্ট দেখতে পাই। কিন্তু একজন ছেলে যদি কাউকে পছন্দ করে তাহলে এগুলোর প্রয়োজন হয় না। বরং ছেলেরাই তার প্রেমিকাকে হারানোর আশঙ্কায় ভুগে। আপনি শুধু তার প্রেমিকা হয়ে দেখুন, সে তাতেই খুশি।
0 comments

মুখমণ্ডলের তিল কী বলে.............


মুখমণ্ডলের তিল শুধু শারীরিক সৌন্দর্যের কারিগরই নয়; মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের নির্দেশকও বটে। সংস্কার বা কুসংস্কার পেরিয়ে তিল দার্শনিকদের বেশ ভাবিয়েছে যুগ যুগ ধরে। বিশেষ করে পুরাণের কাহিনীর ভাণ্ডার চীনের দার্শনিকরা জীবনের অনেক সময় ব্যয় করেছেন তিলের তেলেসমাতি আবিষ্কারে। চীনের জ্যোতিষবিজ্ঞানের ‍অনেকাংশে রয়েছে তিলের জায়গা। বুক অব অসপিসিয়াস এবং ইনঅসপিসিয়াসে ডেটসে এ ব্যাপারে বিষদ ব্যাখ্যাও রয়েছে। শুধু চীন নয়, আমাদের পূর্বপুরুষরাও কিন্তু কম যাননি। কোথাকার তিল কী নির্দেশ করে- দ্য রিপোর্টের পাঠকের উদ্দেশে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হলো।
স্থান ১ থেকে ৩
আপনি শিশুসুলভ আচরণের অধিকারী তবে বিদ্রোহী। আপনার উৎসাহ এবং উদ্দীপনা থাকবে। আপনি সৃজনশীল এবং আপনাকে স্বাধীনতা দেওয়া হলে কাজকর্মে আপনি সফলতার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম। আপনার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আপনাকে পছন্দ করবে। তবে কারো অধীনে কাজ করার চেয়ে আপনি নিজের উদ্যোগে কোনো কাজে হাত দিলে তাতে সফল হবেন বেশি। নিজেই নিজের বস হওয়ার সক্ষমতা রয়েছে আপনার। আপনি প্রতিশ্রুতিশীল মানুষ।
স্থান-৪
আপনি আবেগপ্রবণ মানুষ। আপনার মধ্যে হুটহাট করে কাজ করার প্রবণতা রয়েছে, যা আপনাকে অনন্য করে তুলবে। তবে অনেক বেশি মতামত বা দিকনির্দেশনা থাকলে আপনি জটিলতায় পড়বেন। বিতর্কমূলক জায়গায় থাকলেও আপনাকে বিরক্তির পাত্র হতে হবে না। এ জায়গায় তিল থাকলে আপনি বদমেজাজী স্বভাবের।

স্থান-৫

ভ্রুর উপরে তিল থাকলে আপনি ভাগ্যবান বা ভাগ্যবতী। তবে সৌভাগ্য আপনাকে অর্জন করে নিতে হবে। এর জন্য অন্য সবার চেয়ে আপনাকে বেশি পরিশ্রম করতে হবে। যা অর্জন করবেন তা ধরে রাখতে আপনাকে কৃপণ হতে হবে। কারণ দুষ্টু লোকেরা মিষ্টি কথা বলে আপনার সর্বনাশ করার তালে থাকবে। তাদের ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে, যারা আপনাকে অল্প সময়ে ধনী বানিয়ে দিতে চাইবে। অন্যকে বেশি বিশ্বাস করবেন না। আপনার সহজাত প্রবৃত্তির ব্যাপারে সজাগ থাকবেন। আপনার আর্থিক সচ্ছলতার বিষয়ে কাউকে হস্তক্ষেপ করতে দেবেন না।
স্থান-৬
আপনি জ্ঞানদীপ্ত, সৃজনশীল, অভিজ্ঞ এবং সংস্কৃতিমনা। আপনার সৃজনশীলতা আপনার সৌভাগ্য, যশ ও সফলতার চাবিকাঠি। যাপিত জীবনের বিষয়ে আপনার হৃদকে প্রাধান্য দিতে হবে। যদি আপনি সাহসী হন, তবে সাফল্য অবশ্যাম্ভাবী।
স্থান-৭
আপনি অধিকসংখ্যক সদস্যবিশিষ্টি পরিবারের কেউ। যে কারণে আপনার রয়েছে বিষাদগ্রস্ততা। তাই আপনি অসুখী, যা আপনার কাজ এবং জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। আপনি যদি শান্তি চান তবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান আপনার আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে।

স্থান-৮
এটা তিলের জন্য ভালো জায়গা নয়। আপনাকে দীনতা আলিঙ্গন করে থাকে। কারণ আপনি অমিতব্যয়ী। আপনার মধ্যে জুয়া খেলার ঝোঁক আছে। তবে কোথায় থামতে হবে তা আপনি জানেন। আপনি প্রেমের ভান করার ব্যাপারে সিদ্ধহস্ত। ভালো হয় যদি আপনি আপনার ভালোলাগার বিষয়গুলোর নির্ণায়ক হন। না হলে সমস্যায় পড়তে হতে পারে।

স্থান-৯
এটা যৌন দুর্বলতাকে নির্দেশ করে। এটা অপ্রত্যাশিত তিল। পারলে আপনি ওটাকে মুক্তি দিন। কারণ ওটা আপনার দুর্দশার প্রার্থনা সঙ্গীত আর সমস্যার পাহাড়।
স্থান-১০
নাকের নিচে তিল থাকা নির্দেশ করে যে, আপনি সৌভাগ্যের উত্তরপুরুষ। আপনি পরিবারের সদস্য দ্বারা পরিবেষ্টিত। আপনারও অনেক সন্তান এবং নাতিপুতি থাকবে, যারা আপনাকে জীবনভর সহায়তা করবে।
স্থান-১১
অসুস্থতা আপনার সঙ্গী। আপনি অসুস্থ হয়েই মৃত্যুবরণ করবেন। তবে তিলটি বড় ও কালো রঙের হলে আপনি ওটাকে তুলে ফেলতে পারেন। না হলে ওটাকে ঢাকতে বেশি বেশি ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে হবে।

স্থান-১২
এখানে তিল থাকা মানে আপনি সাফল্যমণ্ডিত। কিন্তু আপনার জীবন খুব নিয়ন্ত্রিত। আপনি ধনী হতে চান না, কিন্তু নাম কামাতে চান। যদিও আপনার অনেক সুযোগ রয়েছে উঁচুমানের জীবনযাপনের। পারিবারিকভাবে আপনার শান্তি আছে। যে সব মেয়েদের এ জায়গায় তিল আছে তারা আংশিক ভাগ্যবতী। তারা সব সময় আবেদনময়ী থাকতে ভালোবাসেন।

স্থান-১৩
সন্তানরা আপনার জীবনে দুঃখ ডেকে আনবে। তাদের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক খুব ভালো হবে না। এর থেকে বের হওয়ার তেমন কোনো রাস্তা নেই আপনার। তবে পরিবর্তন আনতে সহ্যসীমা কিছুটা বাড়াতে হবে আপনাকে।

স্থান-১৪

আপনি খাদ্যের প্রেমিক, যা আপনার জন্য অমঙ্গল বয়ে আনবে। কিছু কিছু খাবারের প্রতি আপনার এলার্জি আছে। তবে আপনি বেশি খেতে পছন্দ করেন।
স্থান-১৫
আপনি দৌড়ের ওপর থাকেন। আপনার মধ্যে পুনঃউদ্ভাবনী শক্তি আছে। আপনি নিজের বাড়ির নকশা বার বার পরিবর্তন করেন। আপনি নতুন জিনিসের সঙ্গে পরিচিত হতে বেশি পছন্দ করেন। একটা জায়গায় আপনি বেশিদিন থাকতে পছন্দ করেন না। আপনি ভ্রমণ ও দুঃসাহসিক কাজ পছন্দ করেন। আপনার গভীর পর্যবেক্ষণশীল চোখ রয়েছে।
স্থান-১৬
খাবারের সময় আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে দাম্পত্যজীবনের ব্যাপারেও। কারণ এ দুটো আপনার বড় সমস্যা। স্থূলতা আপনার জীবনে বিষন্নতা ডেকে আনবে। আপনি রোমাঞ্চ করতে ভালোবাসেন। কখনও কখনও তা অন্যদের তুলনায় বেশি। এ ছাড়া আপনি বেশ সাধারণ। তবে কখনও কখনও আপনি জটিলতায় ভুগতে পারেন। এ কারণে আপনার মানসিক চাপও বাড়তে পারে।
স্থান-১৭
আপনি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। আপনি সামাজিকভাবে উদ্যমী এবং ভালো কথা বলতে পারেন। আপনার সাফল্যের ব্যাপারে আপনার আত্মতুষ্টি আছে। তবে এ জন্য আপনি সুনাম হারাতে পারেন, যা আপনার ওপর গভীর প্রভাব ফেলবে।
স্থান-১৮
আপনি ভ্রমণপ্রিয়। বিদেশ ভ্রমণের অপার সুযোগ রয়েছে আপনার। তবে সাগর পাড়ি দেওয়ার সময় আপনাকে সাতর্ক থাকতে হবে। কারণ আপনার তিল আপনাকে বাড়িতে থাকতে বলছে।
স্থান-১৯
অনেক বিত্ত-বৈভবের অধিকারী আপনি। এ কারণে আপনার বন্ধুও অনেক। তাই এই জায়গায় তিল থাকাকে ভালোই বলা হয়। তবে বিপরীত লিঙ্গের আক্রমণে আপনার মৃত্যু হতে পারে। গরম পানিতে আপনার মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি। তাই আপনার আকুলতাকে ঠাণ্ডা রাখুন।

স্থান-২০
আপনি খুব সৌভাগ্যবান হবেন, না হয় দুর্ভাগা। যদি এখানে আপনার তিল থাকে তাহলে আপনি ব্যাপক খ্যাতি লাভ করতেও পারেন অথবা দুর্নামে ভরা জীবন হতে পারে আপনার। আপনার সৃজনশীলতা বুদ্ধিমত্তা অনেক প্রখর। কিন্তু সেটা ভালো কাজেও ব্যবহৃত হতে পারে আবার খারাপ কাজেও। আপনি সহজে ক্ষমা করতে পারেন না আবার সহজে কোনোকিছু ভুলেও যান না। আপনি ইতিহাসে জাগয়া পাওয়ার মতো। তবে সেটা বিখ্যাতও হতে পারে আবার অত্যাচারী হিসেবেও।
স্থান-২১
এটা ভালো। এটা নির্দেশ করে জীবনভর পর্যাপ্ত পান করতে পারবেন ও খেতে পারবেন। এই তিল আপনার জীবনে খ্যাতি ও স্বীকৃতি ডেকে আনবে।

স্থান-২২
আপনার জীবন সুখী হবে এবং পার্থিব সবকিছু সহজে আপনার অধীনে আসবে। যদি খেলাধুলার প্রতি আপনার আগ্রহ থাকে তবে আপনার সফলতা আসবে। এই তিল ক্ষমতা নির্দেশ করে। আপনি যদি কোনো কোম্পানির নির্বাহী হন তবে আপনার সফলতা অবশ্যম্ভাবী।

স্থান-২৩
আপনি খুবই বুদ্ধিদীপ্ত। আপনি মেধাবী, পথচলার ক্ষেত্রেও বুদ্ধিদীপ্ত। আপনার উচ্চ সহজাত প্রবৃত্তি রয়েছে। আপনি অর্থবহ ও দীর্ঘ জীবনযাপন করবেন। জীবনের শেষ সময়গুলোতেও আপনার বন্ধুর অভাব হবে না। পরিবারের সদস্যরাও থাকবেন পাশে।

স্থান-২৪
আপনি যুবক বয়সে খ্যাতি অর্জন করবেন। তবে তা বৃদ্ধ বয়সের জন্য ধরে রাখতে হবে। কারণ এখানে যাদের তিল থাকে তারা বৃদ্ধ বয়সে কঠিন সময়ের মুখোমুখি হন।
স্থান-২৫
আপনি আপনার স্বীকৃত সমৃদ্ধি উপভোগ করবেন। তবে বাহুলত্যার ব্যাপারে সজাগ থাকবেন। আপনার আচার-আচরণে ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা করুন। তাহলে আপনি দীর্ঘ সুখী জীবনের অধিকারী হবেন।
সূত্র : ফ্যাক্টসএনমিথস
0 comments

সর্দি-ও খুশখুসে কাশি থেকে মুক্তি দেবে যে ৬ খাবার

হুট করে অনেক শীত আবার একটু আধটু গরম, এই ধরণের আবহাওয়াতে সর্দি-ঠাণ্ডা লেগে যাওয়া খুব স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। এবং তার থেকেই শুধু হয় গলা খুসখুস করা কাশি। কিন্তু এই ধরণের সর্দি-ঠাণ্ডা অনেক বিরক্তিকরও বটে। কারণ, এই কাশি সহজে পিছু ছাড়তে চায় না। ঔষধেও কাজ হয় না একেবারেই। কিন্তু যদি ৭ টি খাবার বুঝে শুনে খেতে পারেন এবং নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন তাহলে খুব সহজেই এই সর্দি-ঠাণ্ডা ও গলা খুশখুসে ভাব পিছু ছাড়বে। জানতে চান সেই খাবারগুলো কী কী? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক।
. কলা: কলা একটি নন-অ্যাসিডিক খাবার যা গলা খুশখুসে ভাব কমাতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী। এছাড়াও কলা একটি লো গ্লাইসেমিক খাবার যা ঠাণ্ডা-সর্দি ভাব কমায়।
. আদা চা : প্রাচীনকাল থেকেই গলা খুশখুসে ভাব দূর করতে ব্যবহার করা হয় আদা চা। ২ কাপ পানিতে আদা কুচি দিয়ে ফুটিয়ে সামান্য মধু মিশিয়ে পান করলে খুশখুসে ভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যায় বেশ সহজেই। কারণ আদা মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান গলার গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া কমায় এবং ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
. লেবু ও মধুর মিশ্রণসমপরিমাণ লেবুর রস এ মধুর মিশ্রন গলার ভেতরের ইনফ্লেমেশন কমায় এবং ঠাণ্ডা লেগে গলার ভেতর সরু হয়ে আসার ফলে যে সমস্যা তৈরি হয় তা দূর করতে সহায়তা করে।
. ডিমের সাদা অংশঠাণ্ডা লেগে গলায় ব্যথা হওয়া অনেক স্বাভাবিক ঘটনা। এই সমস্যা দূর করতে নেশ সহায়তা করে ডিমের সাদা অংশ। কারণ ডিমের সাদা অংশ গলার ভেতরের গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া কমায় এবং ইনফ্লেমেশন দূর করে।
. চিকেন স্যুপ: ঠাণ্ডা-সর্দি ও খুসখুসে কাশি কমাতে গরম পানীয় অনেক প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে। এই তালিকার অন্যতম একটি নাম চিকেন স্যুপ। কারণ চিকেন স্যুপে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা গলা খুসখুসের জন্য দায়ী ভাইরাস এবং মিউকাস কমায়।
. সেদ্ধ গাজর: গাজরকে বলা হয় সুপার ফুড। বিশেষ করে শীতকালীন এই সকল সাধারণ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার সব চাইতে ভালো সবজি হচ্ছে এই গাজর। গাজরের ভিটামিন ও মিনারেলস দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, যার ফলে সর্দি-ঠাণ্ডা ও কাশি থেকে মুক্তির জন্য আমাদের দেহই কাজ করে থাকে। তবে সর্দি-ঠাণ্ডা ও কাশির সময় কাঁচা না খেয়ে সেদ্ধ করা গাজর খাওয়া উচিত।
0 comments

জেনে নিন, পেটে গ্যাস সমস্যার আশ্চর্য সমাধান !

অনেকেই কমবেশি এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েন। সবার সঙ্গে বসে কথা বলছেন, হঠাৎ পেটে নিম্নমুখী চাপ, অর্থাৎ গ্যাস। একটু বেশি বয়সে এ সমস্যা বেশি হয়।

পেটের গ্যাস সমস্যায় আমরা অনেকে ভুগলেও এ বিষয়ে আলোচনা করতে চাই না। কখনও বা লজ্জায় তা প্রকাশ করি না। কিন্তু এ সমস্যায় অনেকেই নিয়মিত ওষুধ সেবন করি। কিন্তু গ্যাস ও বমি বমি ভাব নিয়ন্ত্রণের জন্য ওষুধ খাওয়া হলে তার কি কোনো ক্ষতিকর প্রভাব আছে? না, কোন ক্ষতিকর প্রভাব নেই বললেই চলে ।

পেটে গ্যাস ও তার প্রভাবে বমি বমি ভাব ও ব্যথা হতে পারে। খাবার পরিপাকতন্ত্রের সমস্যার কারণে সেখানে অতিরিক্ত গ্যাস তৈরি হলে এ সমস্যা হয়।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে গ্যাস নিয়ন্ত্রণের জন্য ডাক্তারি প্রেসক্রিপশন ছাড়াই সিমেথিকোন জাতীয় ওষুধ ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের ওষুধ শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত খেতে পারে। সঠিক মাত্রায় গ্রহণ করলে এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
তবে ওষুধ খাওয়ার চেয়ে তা প্রতিরোধ করাই সবচেয়ে ভালো। নিচে দেওয়া পরামর্শগুলো মেনে চলুন-
প্রতিরোধের উপায়-
১. গ্যাস তৈরি হয়, এমন খাবার এড়িয়ে চলুন
২. ধীরে ধীরে ও ভাল করে চিবিয়ে খাবার খান
৩. স্ট্র ব্যবহার করে পান করবেন না
৪. চুইংগাম ও শক্ত ক্যান্ডি পরিহার করুন
৫. কার্বনেটেড কোমল পানীয় ও বিয়ার এড়িয়ে চলুন। এগুলো কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে।
৬। খাবার খাওয়ার সময় মাঝে মাঝে অল্প অল্প করে পানি পান করুন, কিন্তু খাবার শেষে একটু দেরি করে (১ ঘনটা পরে) পানি পান করুন ।
ভেষজ ওষুধ-
আর আপনি যদি গ্যাস সমস্যায় ওষুধ খাওয়ার ওপর বিরক্ত হয়ে পড়েন, তাহলে নিচের ভেষজ চিকিৎসা ব্যবহার করতে পারেন-
১. খাওয়ার পর এক কাপ কড়া পুদিনা পাতার চা পান করুন
২. প্রাকৃতিক হজমি সেবন করুন
৩. খাওয়ার পরে কয়েক ফোটা তিতা খান বা করল্লার তরকারি রান্না করে ও খেতে পারেন।
এ বিষয়ে একটি কথা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর তাহলো, যে কোনো ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
0 comments
 
Helped By : WWW.KASPERWINDOW.TK | KasperWindowTemplate | Download This Template
Copyright © 2011. আমার কথা ঘর - All Rights Reserved
Template Created by Aehtasham Aumee Published by KasperWindow
Proudly powered by Blogger