আর কয়েক দিন পরে বিশ্ব কাপ খেলা শুরু হবে।এই খেলা আমরা অনেকেই দেখার চেষ্টা করব নিশ্চয়।তবে সব দলের খেলা হয়ত দেখার সুযোগ হবে না আমাদের।আমারদের পছন্দের দল গুলোর খেলা যেন অত্যন্ত দেখতে পারি তার জন্য চাই সময় সূচী।নিচে বাংলাদেশ সময় সূচী অনুযায়ী একটি ছবি পোস্ট করেছি আপনাদের জন্য।আপনার জাস্ট ছবিটি সেইভ করে আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে বা পেইন্ট করে আপনার ঘরের কোন এক জায়গায় রেখে দিন।
Latest Post
খেলাধুলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
খেলাধুলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
খেলাধুলা
আইপিএলে একের পর এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ছে কোলকাতা নাইট রায়ডার্স বা কেকেআর। যেন থামানোই যাচ্ছে না সাকিবদের। আর দলের এই পারফরম্যান্সে যারপরনাই উচ্ছ্বসিত মালিক শাহরুখ খান। বৃহস্পতিবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ৩০ রানের জয়ের পর নিজের ব্যক্তিগত টুইটার অ্যাকাউন্টে নাইট রাইডার্সদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। পরপর চারটি টুইট করে দলীয় বন্দনায় মাতেন কিং খান। তিনি লেখেন, And Kolkata my city of joy….Sunil….Sakib…Robin…& my man Morne u only keep getting taller. Ecstatic… যার অর্থ দাঁড়ায়, আমার আনন্দের শহর কলকাতা সুনীল সাকিব রবিন এবং আমার মরনে তোমরা ধারাবাহিকভাবে চূঁড়ায় পৌঁছে যাচ্ছো, পরমানন্দময়ৃ চেন্নাইয়ের বিপক্ষে জয়ের পর ‘সাকিব, তোমাকে কাঁধে তুলে ঘুরতে চাই আমি- এমনই আবেগ উচ্ছ্বসিত মন্তব্য টুইটারে পোস্ট করেছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের মালিক শাহরুখ খান। ইউসুফ পাঠান ২২ রানে সাজঘরে ফেরার পর হাল ধরেন উথাপ্পা-সাকিব ১২৩ রানের পার্টনারশিপ শুরুর বিপর্যয়কে কাটিয়ে রানকে ১৭৭-এ পৌঁছে দেয়। এর আগের ম্যাচে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ২১ বলে অপরাজিত ৪৬ রানের যে ইনিংসটি তিনি পড়শু খেলেছেন তা দলের জয়ে প্রধান ভূমিকা রেখেছে। আজ সেই একইভাবে সাকিব ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। মাত্র ৩৮ বল খেলে ৬০ রান করেন এই বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। যার মধ্যে পাঁচটি বাউন্ডারি ও তিন টি দর্শনীয় ওভার বাউন্ডারির মার ছিল। উথাপ্পা অনবদ্য ৮৩ রানের একটি ইনিংস খেলেন। মাত্র ৫১ বল খেলে ১০টি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির মার ছিল। এই ইনিংসের কথা ইডেনের দর্শকরা দীর্ঘদিন মনে রাখবে। টি-টোয়েন্টির যে রোমাঞ্চ তা ভালোভাবেই উপহার দিলেন সাকিব-উথাপ্পা জুটি। কারণ বেঙ্গলুরুর কে যে ১৯৬ রানের পাহাড়সম লক্ষ্যের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে তা তো এই জুটির কল্যাণেই। সূত্র: ইন্টারনেট।
শাহরুখের সাকিব বন্দনা

আইপিএলে একের পর এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ছে কোলকাতা নাইট রায়ডার্স বা কেকেআর। যেন থামানোই যাচ্ছে না সাকিবদের। আর দলের এই পারফরম্যান্সে যারপরনাই উচ্ছ্বসিত মালিক শাহরুখ খান। বৃহস্পতিবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ৩০ রানের জয়ের পর নিজের ব্যক্তিগত টুইটার অ্যাকাউন্টে নাইট রাইডার্সদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। পরপর চারটি টুইট করে দলীয় বন্দনায় মাতেন কিং খান। তিনি লেখেন, And Kolkata my city of joy….Sunil….Sakib…Robin…& my man Morne u only keep getting taller. Ecstatic… যার অর্থ দাঁড়ায়, আমার আনন্দের শহর কলকাতা সুনীল সাকিব রবিন এবং আমার মরনে তোমরা ধারাবাহিকভাবে চূঁড়ায় পৌঁছে যাচ্ছো, পরমানন্দময়ৃ চেন্নাইয়ের বিপক্ষে জয়ের পর ‘সাকিব, তোমাকে কাঁধে তুলে ঘুরতে চাই আমি- এমনই আবেগ উচ্ছ্বসিত মন্তব্য টুইটারে পোস্ট করেছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের মালিক শাহরুখ খান। ইউসুফ পাঠান ২২ রানে সাজঘরে ফেরার পর হাল ধরেন উথাপ্পা-সাকিব ১২৩ রানের পার্টনারশিপ শুরুর বিপর্যয়কে কাটিয়ে রানকে ১৭৭-এ পৌঁছে দেয়। এর আগের ম্যাচে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ২১ বলে অপরাজিত ৪৬ রানের যে ইনিংসটি তিনি পড়শু খেলেছেন তা দলের জয়ে প্রধান ভূমিকা রেখেছে। আজ সেই একইভাবে সাকিব ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। মাত্র ৩৮ বল খেলে ৬০ রান করেন এই বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। যার মধ্যে পাঁচটি বাউন্ডারি ও তিন টি দর্শনীয় ওভার বাউন্ডারির মার ছিল। উথাপ্পা অনবদ্য ৮৩ রানের একটি ইনিংস খেলেন। মাত্র ৫১ বল খেলে ১০টি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির মার ছিল। এই ইনিংসের কথা ইডেনের দর্শকরা দীর্ঘদিন মনে রাখবে। টি-টোয়েন্টির যে রোমাঞ্চ তা ভালোভাবেই উপহার দিলেন সাকিব-উথাপ্পা জুটি। কারণ বেঙ্গলুরুর কে যে ১৯৬ রানের পাহাড়সম লক্ষ্যের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে তা তো এই জুটির কল্যাণেই। সূত্র: ইন্টারনেট।
Posted by
Unknown
১০:০০ AM
Labels:
খেলাধুলা
খেলাধুলা
বিশ্বকাপ কড়া নাড়ছে দরজায়। আর মাত্র তিন সপ্তাহ বাদে জুনের ১২ তারিখে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে সাম্বার ছন্দে মাঠে গড়াচ্ছে ফুটবলের বিংশতম মহাযজ্ঞ। আসুন তার আগে এবারের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ৩২ দলের গ্রুপ ও ডাক নাম জেনে নেই-
গ্রুপ ‘এ’:
ব্রাজিল: ক্যানারিনহো (দ্য লিটল ক্যানারি), দ্য ইয়েলো, দ্য সাম্বা কিংস, ভারদা আমারেলা ও পেন্টা ক্যাম্পিওস (দ্য ফাইভ টাইম চ্যাম্পিয়নস)।
ক্রোয়েশিয়া: বাতরেনি (দ্য ব্লেজার্স), বিলিচ বয়েস (দলটির কোচ স্লোভেন বিলিচের নামানুসারে)।
মেক্সিকো: এল ট্রাই (জার্সির তিন রং লাল, সাদা ও সবুজের কারণে)।
ক্যামেরুন: আফ্রিকার অদম্য সিংহ (লেস লায়ন্স ইনডমিনেটো)।
গ্রুপ ‘বি’:
স্পেন: লা ফিউরিয়া রোজা (দ্য রেড ফিউরি), লা রোজা (দ্য রেড ওয়ান) ও লা ফিউরিয়া এস্পানলা (দ্য স্প্যানিশ ফিউরি)।
নেদারল্যান্ডস: দ্য অরেঞ্জ, হল্যান্ড, ক্লোকওয়ার্ক অরেঞ্জ ও দ্য ফ্লায়িং ডাচম্যান।
চিলি: লা রোজা (দ্য রেড ওয়ান)।
অস্ট্রেলিয়া: দ্য সকারুজ।
গ্রুপ ‘সি’:
কলম্বিয়া: লস ক্যাফেটিরোস (দ্য কফি গ্রোয়ার)।
গ্রিস: পিরাটিকো (দ্য পাইরেটস শিপ)।
আইভরি কোস্ট: লেস এলিফেন্টস (দ্য এলিফেন্টস)।
জাপান: দ্য ব্লু সামুরাই
গ্রুপ ‘ডি’:
উরুগুয়ে: লা চিলেস্টি (দ্য স্কাই অ্যান্ড ব্লু) ও লস চারুয়াস (যোদ্ধা)।
কোস্টা রিকা : লস টিকোস (লাতিন আমেরিকার অধিবাসী)।
ইংল্যান্ড: থ্রি লায়নস।
ইতালি: আজ্জুরি (নীল)।
গ্রুপ ‘ই’:
সুইজারল্যান্ড: দ্য সুইজার ন্যাটি( সুইজারল্যান্ড ন্যাশনাল টিম)।
ইকুয়েডর: এল ট্রাই, দ্য থ্রি কালারস (হলুদ, নীল ও লাল)।
ফ্রান্স: লেস ব্লুজ (দ্য ব্লুজ)।
হন্ডুরাস: লস ক্যাটরাকোস।
গ্রুপ ‘এফ’:
আর্জেন্টিনা: দ্য আলবিসেলেস্তি (দ্য হোয়াইট অ্যান্ড স্কাই ব্লু)।
বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা: মাজেভি (ড্রাগনস) ও দ্য গোল্ডেন লিলিস।
ইরান: টিম মেল্লি, পার্সিয়ান স্টারস ও দ্য ইরানিয়ান লায়নস।
নাইজেরিয়া: সুপার ঈগলস ও
গ্রিন ঈগলস।
গ্রুপ ‘জি’:
জার্মানি: ন্যাশনাল মেনিচফট (দ্য টিম) ও দ্য মেশিন।
পর্তুগাল: সেলেসাও দ্যস কুইনাস (টিম অফ দ্য ফাইভস)।
ঘানা: দ্য ব্লাক স্টারস।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: দ্য ইয়াঙ্কস ও ইয়াঙ্কিস।
গ্রুপ ‘এইচ’:
বেলজিয়াম: দ্য রেড ডেভিলস।
আলজেরিয়া: লেস ফেনেঙ্কস (দ্য ডেজার্ড ফক্স)।
রাশিয়া: রোবনায়া (দ্য ন্যাশনাল টিম)।
দক্ষিণ কোরিয়া: তায়েগুক (দ্য ওয়ারিয়র্স)।
ব্রাজিল বিশ্বকাপের ৩২ দলের ডাক নাম

গ্রুপ ‘এ’:
ব্রাজিল: ক্যানারিনহো (দ্য লিটল ক্যানারি), দ্য ইয়েলো, দ্য সাম্বা কিংস, ভারদা আমারেলা ও পেন্টা ক্যাম্পিওস (দ্য ফাইভ টাইম চ্যাম্পিয়নস)।
ক্রোয়েশিয়া: বাতরেনি (দ্য ব্লেজার্স), বিলিচ বয়েস (দলটির কোচ স্লোভেন বিলিচের নামানুসারে)।
মেক্সিকো: এল ট্রাই (জার্সির তিন রং লাল, সাদা ও সবুজের কারণে)।
ক্যামেরুন: আফ্রিকার অদম্য সিংহ (লেস লায়ন্স ইনডমিনেটো)।
গ্রুপ ‘বি’:
স্পেন: লা ফিউরিয়া রোজা (দ্য রেড ফিউরি), লা রোজা (দ্য রেড ওয়ান) ও লা ফিউরিয়া এস্পানলা (দ্য স্প্যানিশ ফিউরি)।
নেদারল্যান্ডস: দ্য অরেঞ্জ, হল্যান্ড, ক্লোকওয়ার্ক অরেঞ্জ ও দ্য ফ্লায়িং ডাচম্যান।
চিলি: লা রোজা (দ্য রেড ওয়ান)।
অস্ট্রেলিয়া: দ্য সকারুজ।
গ্রুপ ‘সি’:
কলম্বিয়া: লস ক্যাফেটিরোস (দ্য কফি গ্রোয়ার)।
গ্রিস: পিরাটিকো (দ্য পাইরেটস শিপ)।
আইভরি কোস্ট: লেস এলিফেন্টস (দ্য এলিফেন্টস)।
জাপান: দ্য ব্লু সামুরাই
গ্রুপ ‘ডি’:
উরুগুয়ে: লা চিলেস্টি (দ্য স্কাই অ্যান্ড ব্লু) ও লস চারুয়াস (যোদ্ধা)।
কোস্টা রিকা : লস টিকোস (লাতিন আমেরিকার অধিবাসী)।
ইংল্যান্ড: থ্রি লায়নস।
ইতালি: আজ্জুরি (নীল)।
গ্রুপ ‘ই’:
সুইজারল্যান্ড: দ্য সুইজার ন্যাটি( সুইজারল্যান্ড ন্যাশনাল টিম)।
ইকুয়েডর: এল ট্রাই, দ্য থ্রি কালারস (হলুদ, নীল ও লাল)।
ফ্রান্স: লেস ব্লুজ (দ্য ব্লুজ)।
হন্ডুরাস: লস ক্যাটরাকোস।
গ্রুপ ‘এফ’:
আর্জেন্টিনা: দ্য আলবিসেলেস্তি (দ্য হোয়াইট অ্যান্ড স্কাই ব্লু)।
বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা: মাজেভি (ড্রাগনস) ও দ্য গোল্ডেন লিলিস।
ইরান: টিম মেল্লি, পার্সিয়ান স্টারস ও দ্য ইরানিয়ান লায়নস।
নাইজেরিয়া: সুপার ঈগলস ও
গ্রিন ঈগলস।
গ্রুপ ‘জি’:
জার্মানি: ন্যাশনাল মেনিচফট (দ্য টিম) ও দ্য মেশিন।
পর্তুগাল: সেলেসাও দ্যস কুইনাস (টিম অফ দ্য ফাইভস)।
ঘানা: দ্য ব্লাক স্টারস।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: দ্য ইয়াঙ্কস ও ইয়াঙ্কিস।
গ্রুপ ‘এইচ’:
বেলজিয়াম: দ্য রেড ডেভিলস।
আলজেরিয়া: লেস ফেনেঙ্কস (দ্য ডেজার্ড ফক্স)।
রাশিয়া: রোবনায়া (দ্য ন্যাশনাল টিম)।
দক্ষিণ কোরিয়া: তায়েগুক (দ্য ওয়ারিয়র্স)।
Posted by
Unknown
৯:৩০ AM
Labels:
খেলাধুলা
খেলাধুলা
প্রথম বিশ্বকাপ : ১৯৩০, স্থান : উরুগুয়ে, চ্যাম্পিয়ন : উরুগুয়ে, রানার্স : আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ : ১৩ জুলাই ১৯৩০ (ফ্রান্স ৪ – ১ মেক্সিকো, ইউএসএ ৩ – ০ বেলজিয়াম)
বিশ্বকাপের প্রথম গোল : লুসিয়েন লরেন্ট (ফ্রান্স)
সব থেকে বেশি বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ড: মেক্সিকোর অ্যান্তোনিও কারবাজাল পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলেছেন৷ (১৯৫০ – ১৯৬৬)৷
জার্মানির লোথার ম্যাথুস পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলেছেন (১৯৮২ – ১৯৯৮)৷
বিশ্বকাপে সব থেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন : জার্মানির লোথার ম্যাথুস (২৫)
বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা : ১৫ গোল করে শীর্ষে রোনাল্ডো (ব্রাজিল)৷ খেলেছেন ১৯৯৮ থেকে ২০০৬৷
১৪টি করে গোল করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসে (২০০২ – ২০১০) ও পশ্চিম জার্মানির গার্ড মুলার (১৯৭০ – ১৯৭৪)৷
প্লেয়ার ও কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব : ব্রাজিলের মারিও জাগালো (প্লেয়ার-১৯৫৮, ১৯৬২ ও কোচ-১৯৭০)
পশ্চিম জার্মানির বেকেনবাওয়ার (প্লেয়ার-১৯৭৪, কোচ- ১৯৯০)
কোচ হিসেবে একাধিক বিশ্বকাপ জয়ের নজির : ইতালির ভিক্টোরিও পোজ্জো (১৯৩৪ ও ১৯৩৮)
বিশ্বকাপে সব থেকে বেশি ম্যাচ খেলার নজির : জার্মানি (৯৯)
বিশ্বকাপে সব থেকে বেশি গোলের নজির : ব্রাজিল (২১০)
জার্মানি ও ব্রাজিল বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়েছে মাত্র একবার৷ ২০০২ সালের ফাইনালে৷
চ্যাম্পিয়ন্স : উরুগুয়ে (১৯৩০), ইতালি (১৯৩৪), ইতালি (১৯৩৮), উরুগুয়ে (১৯৫০), পশ্চিম জার্মানি (১৯৫৪), ব্রাজিল (১৯৫৮), ব্রাজিল (১৯৬২), ইংল্যান্ড (১৯৬৬), ব্রাজিল (১৯৭০), পশ্চিম জার্মানি (১৯৭৪), আর্জেন্টিনা (১৯৭৮), ইতালি (১৯৮২), আর্জেন্টিনা (১৯৮৬), পশ্চিম জার্মানি (১৯৯০), ব্রাজিল (১৯৯৪), ফ্রান্স (১৯৯৮), ব্রাজিল (২০০২), ইতালি (২০০৬), স্পেন (২০১০)৷
গোল্ডেন বল: ১৯৩০ জোস নাসাজ্জি (উরুগুয়ে), ১৯৩৪ গুইসেপ মেয়াজ্জা (ইতালি), ১৯৩৮ লিওনিডাস (ব্রাজিল), ১৯৫০ জিজিনহো (ব্রাজিল), ১৯৫৪ পুসকাস (হাঙ্গেরি), ১৯৫৮ ভালদির পেরেরা (ব্রাজিল), ১৯৬২ গ্যারিঞ্চা (ব্রাজিল), ১৯৬৬ ববি চার্লটন (ইংল্যান্ড), ১৯৭০ পেলে (ব্রাজিল), ১৯৭৪ জোহান ক্রুয়েফ (নেদারল্যান্ডস), ১৯৭৮ মারিও কেম্পেস (আর্জেন্টিনা), ১৯৮২ পাওলো রোসি (ইতালি), ১৯৮৬ মারাদোনা (আর্জেন্টিনা), ১৯৯০ সালভাতোর চিলাসি (ইতালি), ১৯৯৪ রোমারিও (ব্রাজিল), ১৯৯৮ রোনাল্ডো (ব্রাজিল), ২০০২ অলিভার কান (জার্মানি), ২০০৬ জিনেদিন জিদান (ফ্রান্স), ২০১০ দিয়েগো ফোরলান (উরুগুয়ে)৷
গোল্ডেন বুট: ১৯৩০ গুইলেরমো স্তাবিল (আর্জেন্টিনা), ১৯৩৪ অলড্রিচ নেজেদলি (চেকোস্লোভাকিয়া), ১৯৩৮ লিওনিদাস দ্য সিলভা (ব্রাজিল), ১৯৫০ আদেমির (ব্রাজিল), ১৯৫৪ স্যান্দর কোসিস (হাঙ্গেরি), ১৯৫৮ জাস্ট ফন্টেইন (ফ্রান্স), ১৯৬২ ফ্লোরিয়ান অ্যালবার্ট (হাঙ্গেরি), ভ্যালেন্টাই ইভানভ (সোভিয়েত ইউনিয়ন), গ্যারিঞ্চা (ব্রাজিল), ভাভা (ব্রাজিল), দ্রাজান জেরকোভিচ (যুগস্লোভাকিয়া), লিওনেল স্যাঞ্চেজ (চিলি), ১৯৬৬ ইউসেবিও (পর্তুগাল), ১৯৭০ গার্ড মুলার (পশ্চিম জার্মানি), ১৯৭৪ গ্রেজেগোরজ লাতো (পোল্যান্ড), ১৯৭৮ মারিও কেম্পেস (আর্জেন্টিনা), ১৯৮২ পাওলো রোসি (ইতালি), ১৯৮৬ গ্যারি লিনেকার (ইংল্যান্ড), ১৯৯০ সালভাতোর চিলাসি (ইতালি), ১৯৯৪ ওলেগ সালোঙ্কো (রাশিয়া) ও রিস্তো স্তোয়কোভ (বুলগেরিয়া), ১৯৯৮ দাভর সুকের (ক্রোয়েশিয়া), ২০০২ রোনাল্ডো (ব্রাজিল), ২০০৬ মিরোস্লাভ ক্লোজে (জার্মানি), ২০১০ থমাস মুলার (জার্মানি)৷
গোল্ডেন গ্লাভস: ১৯৩০ এনরিক বালেস্তোরেস (উরুগুয়ে), ১৯৩৪ রিকার্ডো জামোরা(স্পেন), ১৯৩৮ ফ্রান্তিসেক প্লানিকা (চেকোস্লোভাকিয়া), ১৯৫০ রক মাসপোলি (উরুগুয়ে), ১৯৫৪ গুয়েলা গ্রসিকস (হাঙ্গেরি), ১৯৫৮ হ্যারি গ্রেগ (ইংল্যান্ড), ১৯৬২ ভিলিয়াম শ্রোভ (চেকোস্লোভাকিয়া), ১৯৬৬ গর্ডন ব্যাঙ্কস (ইংল্যান্ড), ১৯৭০ লারিসলাও মাজুরকিউইজ (উরুগুয়ে), ১৯৭৪ সেপ মেইয়ার (জার্মানি), ১৯৭৮ উবালডো ফিলোল (আর্জেন্টিনা), ১৯৮২ ডিনো জোফ (ইতালি), ১৯৮৬ জিন-মারি ফাফ (বেলজিয়াম), ১৯৯০ সার্জিও গোয়কোচে (আর্জেন্টিনা), ১৯৯৪ মাইকেল রিউদ’হোম (বেলজিয়াম), ১৯৯৮ ফ্যাবিয়েন বার্থেজ (ফ্রান্স), ২০০২ অলিভার কান (জার্মানি), ২০০৬ বুঁফো (ইতালি), ২০১০ ইকার ক্যাসিয়াস (স্পেন)।
বিশ্বকাপের ইতিহাস

প্রথম বিশ্বকাপ : ১৯৩০, স্থান : উরুগুয়ে, চ্যাম্পিয়ন : উরুগুয়ে, রানার্স : আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ : ১৩ জুলাই ১৯৩০ (ফ্রান্স ৪ – ১ মেক্সিকো, ইউএসএ ৩ – ০ বেলজিয়াম)
বিশ্বকাপের প্রথম গোল : লুসিয়েন লরেন্ট (ফ্রান্স)
সব থেকে বেশি বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ড: মেক্সিকোর অ্যান্তোনিও কারবাজাল পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলেছেন৷ (১৯৫০ – ১৯৬৬)৷
জার্মানির লোথার ম্যাথুস পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলেছেন (১৯৮২ – ১৯৯৮)৷
বিশ্বকাপে সব থেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন : জার্মানির লোথার ম্যাথুস (২৫)
বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা : ১৫ গোল করে শীর্ষে রোনাল্ডো (ব্রাজিল)৷ খেলেছেন ১৯৯৮ থেকে ২০০৬৷
১৪টি করে গোল করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসে (২০০২ – ২০১০) ও পশ্চিম জার্মানির গার্ড মুলার (১৯৭০ – ১৯৭৪)৷
প্লেয়ার ও কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব : ব্রাজিলের মারিও জাগালো (প্লেয়ার-১৯৫৮, ১৯৬২ ও কোচ-১৯৭০)
পশ্চিম জার্মানির বেকেনবাওয়ার (প্লেয়ার-১৯৭৪, কোচ- ১৯৯০)
কোচ হিসেবে একাধিক বিশ্বকাপ জয়ের নজির : ইতালির ভিক্টোরিও পোজ্জো (১৯৩৪ ও ১৯৩৮)
বিশ্বকাপে সব থেকে বেশি ম্যাচ খেলার নজির : জার্মানি (৯৯)
বিশ্বকাপে সব থেকে বেশি গোলের নজির : ব্রাজিল (২১০)
জার্মানি ও ব্রাজিল বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়েছে মাত্র একবার৷ ২০০২ সালের ফাইনালে৷
চ্যাম্পিয়ন্স : উরুগুয়ে (১৯৩০), ইতালি (১৯৩৪), ইতালি (১৯৩৮), উরুগুয়ে (১৯৫০), পশ্চিম জার্মানি (১৯৫৪), ব্রাজিল (১৯৫৮), ব্রাজিল (১৯৬২), ইংল্যান্ড (১৯৬৬), ব্রাজিল (১৯৭০), পশ্চিম জার্মানি (১৯৭৪), আর্জেন্টিনা (১৯৭৮), ইতালি (১৯৮২), আর্জেন্টিনা (১৯৮৬), পশ্চিম জার্মানি (১৯৯০), ব্রাজিল (১৯৯৪), ফ্রান্স (১৯৯৮), ব্রাজিল (২০০২), ইতালি (২০০৬), স্পেন (২০১০)৷
গোল্ডেন বল: ১৯৩০ জোস নাসাজ্জি (উরুগুয়ে), ১৯৩৪ গুইসেপ মেয়াজ্জা (ইতালি), ১৯৩৮ লিওনিডাস (ব্রাজিল), ১৯৫০ জিজিনহো (ব্রাজিল), ১৯৫৪ পুসকাস (হাঙ্গেরি), ১৯৫৮ ভালদির পেরেরা (ব্রাজিল), ১৯৬২ গ্যারিঞ্চা (ব্রাজিল), ১৯৬৬ ববি চার্লটন (ইংল্যান্ড), ১৯৭০ পেলে (ব্রাজিল), ১৯৭৪ জোহান ক্রুয়েফ (নেদারল্যান্ডস), ১৯৭৮ মারিও কেম্পেস (আর্জেন্টিনা), ১৯৮২ পাওলো রোসি (ইতালি), ১৯৮৬ মারাদোনা (আর্জেন্টিনা), ১৯৯০ সালভাতোর চিলাসি (ইতালি), ১৯৯৪ রোমারিও (ব্রাজিল), ১৯৯৮ রোনাল্ডো (ব্রাজিল), ২০০২ অলিভার কান (জার্মানি), ২০০৬ জিনেদিন জিদান (ফ্রান্স), ২০১০ দিয়েগো ফোরলান (উরুগুয়ে)৷
গোল্ডেন বুট: ১৯৩০ গুইলেরমো স্তাবিল (আর্জেন্টিনা), ১৯৩৪ অলড্রিচ নেজেদলি (চেকোস্লোভাকিয়া), ১৯৩৮ লিওনিদাস দ্য সিলভা (ব্রাজিল), ১৯৫০ আদেমির (ব্রাজিল), ১৯৫৪ স্যান্দর কোসিস (হাঙ্গেরি), ১৯৫৮ জাস্ট ফন্টেইন (ফ্রান্স), ১৯৬২ ফ্লোরিয়ান অ্যালবার্ট (হাঙ্গেরি), ভ্যালেন্টাই ইভানভ (সোভিয়েত ইউনিয়ন), গ্যারিঞ্চা (ব্রাজিল), ভাভা (ব্রাজিল), দ্রাজান জেরকোভিচ (যুগস্লোভাকিয়া), লিওনেল স্যাঞ্চেজ (চিলি), ১৯৬৬ ইউসেবিও (পর্তুগাল), ১৯৭০ গার্ড মুলার (পশ্চিম জার্মানি), ১৯৭৪ গ্রেজেগোরজ লাতো (পোল্যান্ড), ১৯৭৮ মারিও কেম্পেস (আর্জেন্টিনা), ১৯৮২ পাওলো রোসি (ইতালি), ১৯৮৬ গ্যারি লিনেকার (ইংল্যান্ড), ১৯৯০ সালভাতোর চিলাসি (ইতালি), ১৯৯৪ ওলেগ সালোঙ্কো (রাশিয়া) ও রিস্তো স্তোয়কোভ (বুলগেরিয়া), ১৯৯৮ দাভর সুকের (ক্রোয়েশিয়া), ২০০২ রোনাল্ডো (ব্রাজিল), ২০০৬ মিরোস্লাভ ক্লোজে (জার্মানি), ২০১০ থমাস মুলার (জার্মানি)৷
গোল্ডেন গ্লাভস: ১৯৩০ এনরিক বালেস্তোরেস (উরুগুয়ে), ১৯৩৪ রিকার্ডো জামোরা(স্পেন), ১৯৩৮ ফ্রান্তিসেক প্লানিকা (চেকোস্লোভাকিয়া), ১৯৫০ রক মাসপোলি (উরুগুয়ে), ১৯৫৪ গুয়েলা গ্রসিকস (হাঙ্গেরি), ১৯৫৮ হ্যারি গ্রেগ (ইংল্যান্ড), ১৯৬২ ভিলিয়াম শ্রোভ (চেকোস্লোভাকিয়া), ১৯৬৬ গর্ডন ব্যাঙ্কস (ইংল্যান্ড), ১৯৭০ লারিসলাও মাজুরকিউইজ (উরুগুয়ে), ১৯৭৪ সেপ মেইয়ার (জার্মানি), ১৯৭৮ উবালডো ফিলোল (আর্জেন্টিনা), ১৯৮২ ডিনো জোফ (ইতালি), ১৯৮৬ জিন-মারি ফাফ (বেলজিয়াম), ১৯৯০ সার্জিও গোয়কোচে (আর্জেন্টিনা), ১৯৯৪ মাইকেল রিউদ’হোম (বেলজিয়াম), ১৯৯৮ ফ্যাবিয়েন বার্থেজ (ফ্রান্স), ২০০২ অলিভার কান (জার্মানি), ২০০৬ বুঁফো (ইতালি), ২০১০ ইকার ক্যাসিয়াস (স্পেন)।
Posted by
Unknown
৮:৪৩ AM
Labels:
খেলাধুলা


