Featured Post Today
print this page
Latest Post
লাইফ স্টাইল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লাইফ স্টাইল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সঙ্গীর সঙ্গে কীভাবে ঘুমোন আপনি? জেনে নিন সম্পর্কের ৬টি ‘গোপন’ কথা।

জেগে থাকাকালীন যেভাবেই তিনি আপনার সঙ্গে থাকুন না কেন, ঘুমিয়ে পড়ার পরে ছবিটা অন্য। মনোস্তাত্ত্বিকরা বলছেন, ঘুমোনোর সময়ে আমাদের অবচেতন মনটি সক্রিয় থাকে। মনের গভীরে যে আবেগ থাকে বা চিন্তা থাকে, তা-ই প্রতিফলিত হয় নিদ্রায় যাওয়ার পরে।

ঘুমে লুকিয়ে গভীর রহস্য..............................................................
সঙ্গীর সঙ্গে চরম আবেগঘন মুহূর্ত কাটানোর পরে ক্লান্ত শরীর এলিয়ে পড়ে বিছানায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে যান গভীর ঘুমে। জানেন কি, আপনার কাছের মানুষের সঙ্গে কোন পজিশনে ঘুমোন, তা থেকেই অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যায় আপনাদের সম্পর্কের রসায়ন। নিজের অবচেতনে সম্পর্ক নিয়ে ঠিক কী ভাবেন আপনারা, তা-ও বোঝা যায় এই সহজ পন্থায়।

১। এই পজিশনের নাম স্পুনিং। এই পজিশনে বেশিরভাগ সময় ঘুমোনোর অর্থ
তাঁরা একটি সুস্থ যৌন সম্পর্কে আছেন। নিজেদের রসায়নও জোরদার।


২। ওভার লেগ পজিশন। এই পজিশনে যিনি অপরের দেহের

উপরে পা তুলে ঘুমোতে ভালোবাসেন, বুঝে নিতে তিনি
আরও বেশি কিছু চাইছেন। অর্থাৎ, সঙ্গীর কাছ থেকে তাঁর প্রত্যাশা আরও।




৩। চেস্ট নুজলার। এই পজিশন বোঝায়
দু’জনের মধ্যেই প্রবল বিশ্বাস রয়েছে। একে অপরকে
চোখ বন্ধ করে ভরসা করেন এঁরা।


৪। স্পেস ইনভেডর। ঘুমিয়ে পড়ার পরে একজন যদি ক্রমশ বিছানা

অধিকার করতে শুরু করেন এবং অপর জন কোনওক্রমে সামান্য
জায়গায় নিজেকে গুটিয়ে নেন, তা হলে বুঝতে হবে, সম্পর্কের চাবিকাঠি
একজনের হাতেই। একজন সম্পর্ককে ডমিনেট করতে চাইছেন এবং
অন্যজন সেটি মানিয়ে চলতে চাইছেন। এ-ও একপ্রকার ভাল রসায়ন বলা চলে।



৫। ট্যাঙ্গল বলা হয় এই পজিশনকে। দেখতে ভাল

লাগলেও সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ক্ষতিকারক এই পজিশন।
কারণ, বিশষজ্ঞরা জানাচ্ছেন একসঙ্গে থাকার ছ’মাস
পরেও যদি একে অপরের সঙ্গে এই পজিশনে ঘুমিয়ে পড়েন,
তা হলে বুঝতে রসায়নে কোথাও খামতি রয়েছে।
বেশি মাত্রায় নির্ভরশীলতা একটা সম্পর্ককে অসুস্থ করে তোলে।



৬। ইনডিপেনডেন্ট লাভার। ২৭ শতাংশ বিবাহিত দম্পতি বিয়ের

কয়েক বছর পর থেকে এমন পজিশনে ঘুমোতে স্বচ্ছন্দ বোধ করে।
মোটেও ভাববেন না এই পজিশনের অর্থ নেতিবাচক।
এর অর্থ এঁরা একে অপরকে স্পেস দিতে শিখে নিয়েছেন
এবং নিজেরা একাই ভাল থাকতে শিখে নিয়েছেন।  

1 comments

কোন জেলা কোন খাবারের জন্য, স্থান ও কিসের জন্য বিখ্যাত।

বাংলাদেশ! নিজ দেশে বসবাস করলেও অনেকেই জানে না বাংলাদেশের ঐতিহ্য সম্পর্কে। খাবারে-ভ্রমণে ওপার বাংলার কোনে কোনে ছড়িয়ে আছে ইতিহাস৷ পাওয়া যেতে বাংলাদেশ! নিজ দেশে বসবাস করলেও অনেকেই জানে না বাংলাদেশের ঐতিহ্য সম্পর্কে। খাবারে-ভ্রমণে ওপার বাংলার কোনে কোনে ছড়িয়ে আছে ইতিহাস৷ পাওয়া যেতে পারে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভালো কিছু ধারনা৷ এখানে জানতে পারবেন কোন জেলা কোন খাবারের জন্য, স্থান ও কিসের জন্য বিখ্যাত।

০১) নাটোর: কাঁচাগোল্লা, বনলতা সেন।

০২) রাজশাহী: আম, রাজশাহী সিল্ক শাড়ী।

০৩) টাঙ্গাইল: চমচম, টাংগাইল শাড়ি।

০৪) দিনাজপুর: লিচু, কাটারিভোগ চাল, চিড়া, পাপড়।

০৫) বগুড়া: দই।

০৬) ঢাকা: বেনারসী শাড়ি, বাকরখানি।

০৭) কুমিল্লা: রসমালাই, খদ্দর (খাদী)।

০৮) চট্রগ্রাম: মেজবান, শুটকি।

০৯) খাগড়াছড়ি: হলুদ।

১০) বরিশাল: আমড়া।

১১) খুলনা: সুন্দরবন, সন্দেশ, নারিকেল, গলদা চিংড়ি।

১২) সিলেট: কমলালেবু, চা, সাতকড়ার আচার।

১৩) নোয়াখালী: নারকেল নাড়, ম্যাড়া পিঠা।

১৪) রংপুর: তামাক, ইক্ষু।

১৫) গাইবান্ধা: রসমঞ্জরী।

১৬) চাঁপাইনবাবগঞ্জ: আম, শিবগঞ্জের চমচম, কলাইয়ের রুটি।

১৭) পাবনা: ঘি, লুঙ্গি, পাগলাগারদ।

১৮) সিরাজগঞ্জ: পানিতোয়া, ধানসিড়িঁর দই।

১৯) গাজীপুর: কাঁঠাল, পেয়ারা।

২০) ময়মনসিংহ: মুক্তা-গাছার মন্ডা।

২১) কিশোরগঞ্জ: বালিশ মিষ্টি।

২২) জামালপুর: ছানার পোলাও, ছানার পায়েস।

২৩) শেরপুর: ছানার পায়েস, ছানার চপ।

২৪) মুন্সীগঞ্জ: ভাগ্যকুলের মিষ্টি।

২৫) নেত্রকোনা: বালিশ মিষ্টি।

২৬) ফরিদপুর: খেজুরের গুড়।

২৭) রাজবাড়ী: চমচম, খেজুরের গুড়।

২৮) মাদারীপুর: খেজুর গুড়, রসগোল্লা।

২৯) সাতক্ষীরা: সন্দেশ।

৩০) বাগেরহাট: চিংড়ি, ষাটগম্বুজ মসজিদ, সুপারি।

৩১) যশোর: খই, খেজুর গুড়, জামতলার মিষ্টি।

৩২) মাগুরা: রসমালাই।

৩৩) নড়াইল: পেড়ো সন্দেশ, খেজুর গুড়, খেজুর রস।

৩৪) কুষ্টিয়া: তিলের খাজা, কুলফি আইসক্রিম।

৩৫) মেহেরপুর: মিষ্টি সাবিত্রি, রসকদম্ব।

৩৬) চুয়াডাঙ্গা: পান, তামাক, ভুট্টা।

৩৭) ঝালকাঠি: লবন, আটা।

৩৮) ভোলা: নারিকেল, মহিষের দুধের দই।

৩৯) পটুয়াখালী: কুয়াকাটা।

৪০) পিরোজপুর: পেয়ারা, নারিকেল, সুপারি, আমড়া।

৪১) নরসিংদী: সাগর কলা।

৪২) নারায়নগঞ্জ: আইভি আফা।

৪৩) নওগাঁ: চাল, সন্দেশ।

৪৪) মানিকগঞ্জ: খেজুর গুড়।

৪৫) রাঙ্গামাটি: আনারস, কাঠাল, কলা।

৪৬) কক্সবাজার: মিষ্টিপান।

৪৭) বান্দরবান: হিল জুস, তামাক।

৪৮) ফেনী: মহিশের দুধের ঘি, সেগুন কাঠ, খন্ডলেরমিষ্টি।

৪৯) লক্ষীপুর: সুপারি।

৫০) চাঁদপুর: ইলিশ।

৫১) ব্রাহ্মণবাড়িয়া: তালের বড়া, ছানামুখী, রসমালাই।

৫২) মৌলভিবাজার: ম্যানেজার স্টোরের রসগোল্লা

 বাংলাদেশ সম্পর্কে ভালো কিছু ধারনা৷ এখানে জানতে পারবেন কোন জেলা কোন খাবারের জন্য, স্থান ও কিসের জন্য বিখ্যাত।

০১) নাটোর: কাঁচাগোল্লা, বনলতা সেন।

০২) রাজশাহী: আম, রাজশাহী সিল্ক শাড়ী।

০৩) টাঙ্গাইল: চমচম, টাংগাইল শাড়ি।

০৪) দিনাজপুর: লিচু, কাটারিভোগ চাল, চিড়া, পাপড়।

০৫) বগুড়া: দই।

০৬) ঢাকা: বেনারসী শাড়ি, বাকরখানি।

০৭) কুমিল্লা: রসমালাই, খদ্দর (খাদী)।

০৮) চট্রগ্রাম: মেজবান, শুটকি।

০৯) খাগড়াছড়ি: হলুদ।

১০) বরিশাল: আমড়া।

১১) খুলনা: সুন্দরবন, সন্দেশ, নারিকেল, গলদা চিংড়ি।

১২) সিলেট: কমলালেবু, চা, সাতকড়ার আচার।

১৩) নোয়াখালী: নারকেল নাড়, ম্যাড়া পিঠা।

১৪) রংপুর: তামাক, ইক্ষু।

১৫) গাইবান্ধা: রসমঞ্জরী।

১৬) চাঁপাইনবাবগঞ্জ: আম, শিবগঞ্জের চমচম, কলাইয়ের রুটি।

১৭) পাবনা: ঘি, লুঙ্গি, পাগলাগারদ।

১৮) সিরাজগঞ্জ: পানিতোয়া, ধানসিড়িঁর দই।

১৯) গাজীপুর: কাঁঠাল, পেয়ারা।

২০) ময়মনসিংহ: মুক্তা-গাছার মন্ডা।

২১) কিশোরগঞ্জ: বালিশ মিষ্টি।

২২) জামালপুর: ছানার পোলাও, ছানার পায়েস।

২৩) শেরপুর: ছানার পায়েস, ছানার চপ।

২৪) মুন্সীগঞ্জ: ভাগ্যকুলের মিষ্টি।

২৫) নেত্রকোনা: বালিশ মিষ্টি।

২৬) ফরিদপুর: খেজুরের গুড়।

২৭) রাজবাড়ী: চমচম, খেজুরের গুড়।

২৮) মাদারীপুর: খেজুর গুড়, রসগোল্লা।

২৯) সাতক্ষীরা: সন্দেশ।

৩০) বাগেরহাট: চিংড়ি, ষাটগম্বুজ মসজিদ, সুপারি।

৩১) যশোর: খই, খেজুর গুড়, জামতলার মিষ্টি।

৩২) মাগুরা: রসমালাই।

৩৩) নড়াইল: পেড়ো সন্দেশ, খেজুর গুড়, খেজুর রস।

৩৪) কুষ্টিয়া: তিলের খাজা, কুলফি আইসক্রিম।

৩৫) মেহেরপুর: মিষ্টি সাবিত্রি, রসকদম্ব।

৩৬) চুয়াডাঙ্গা: পান, তামাক, ভুট্টা।

৩৭) ঝালকাঠি: লবন, আটা।

৩৮) ভোলা: নারিকেল, মহিষের দুধের দই।

৩৯) পটুয়াখালী: কুয়াকাটা।

৪০) পিরোজপুর: পেয়ারা, নারিকেল, সুপারি, আমড়া।

৪১) নরসিংদী: সাগর কলা।

৪২) নারায়নগঞ্জ: আইভি আফা।

৪৩) নওগাঁ: চাল, সন্দেশ।

৪৪) মানিকগঞ্জ: খেজুর গুড়।

৪৫) রাঙ্গামাটি: আনারস, কাঠাল, কলা।

৪৬) কক্সবাজার: মিষ্টিপান।

৪৭) বান্দরবান: হিল জুস, তামাক।

৪৮) ফেনী: মহিশের দুধের ঘি, সেগুন কাঠ, খন্ডলেরমিষ্টি।

৪৯) লক্ষীপুর: সুপারি।

৫০) চাঁদপুর: ইলিশ।

৫১) ব্রাহ্মণবাড়িয়া: তালের বড়া, ছানামুখী, রসমালাই।

৫২) মৌলভিবাজার: ম্যানেজার স্টোরের রসগোল্লা

0 comments

যৌনতা বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান




নারীর যৌনাঙ্গ
নারীর যোনি হলো একটি সুড়ঙ্গ পথের মতো যা যোনিদ্বার থেকে জরায়ু পর্যন্ত প্রসারিত। নারীর জীবনে তার যোনিতে নানা পরিবর্তন ঘটে । শিশুদের যোনি পূর্ণ বয়স্কা নারীর যোনি থেকে ভিন্ন। শিশুকন্যার মাসিক শুরু হয়নি এমন কন্যার যোনির পাশের পর্দাটি পূর্ণবর্তী নারীর তুলনায় পাতলা হয়। এ পরিবর্তন ঘটে ইস্ট্রোজেন  হরমোনের ফলে যা নির্গত হয় ডিম্বাশয় থেকে। যৌনক্রিয়া এবং   সন্তান জন্মের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে নারী যোনি।
 
নারী যোনি হলো একটি নালি যা প্রায় পৌনে ৩ ইঞ্চি থেকে সোয়া ৫ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা, যার চারপাশে থাকে আঁশ ও পেশির কলা, কিন্তু স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াম নামক কোষের স্তরের দ্বারা আবৃত থাকে, এ নালির প্রাচীরগুলো স্বাভাবিকভাবে একে অপরের ওপর ভেঙে পড়ে এবং তাতে নানা ভাঁজ সৃষ্টি হয়। এর ফলে সহবাস বা সন্তান প্রসবের সময় নারী যোনি সমপ্রসারিত হতে পারে। মূত্রনালি নারী যোনির সম্মুখ ভাগে থাকে এবং মলদ্বার থেকে যোনির উপরের দিকে তৃতীয় স্তরে পৌঁছেছে। পায়ু যোনি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে এক ধরনের তন্তুবিশিষ্ট পেশির দ্বারা। নারী যখন সন্তান ধারণক্ষম থাকে তখন যোনি থেকে নির্গত রসে অম্লত্বের ভাব থাকে। যার ফলে যোনিতে ক্ষতিকারক রোগজীবাণু বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কিন্তু নারী ঋতুবর্তী হবার আগে বা ঋতু বন্ধ হওয়ার বা Menopause হবার পরের বছরগুলোতে ক্ষারধর্মী রস নির্গত হয়। এই অবস্থায় রোগজীবাণু বেড়ে উঠতে পারে এবং যোনিতে এক ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে যার নাম অ্যাট্রোফিক ভ্যাজাইনাইটিস। নারী যোনির প্রাচীরগুলো খুব পিচ্ছিল হয়ে থাকে সার্ভিক্স বা গর্ভাশয়ের সংকীর্ণ অংশ এবং বার্থোলিন গ্রন্থির রসক্ষরণের ফলে। যৌনক্রীড়ার সময় নারী যোনির এপিথেলিয়াম থেকে নারী যোনির নালিতে প্রবেশ করে এই ক্ষরিত রস। সব নারীর ক্ষেত্রে নারী যোনি থেকে এক ধরনের ক্ষরণ হওয়াটা স্বাভাবিক।

এ ক্ষরণের বৃদ্ধি ঘটে ভ্রূণ সৃষ্টির মুহূর্তে বা অধিক যৌন উত্তেজনাকালে। সতীচ্ছদের অন্য নাম কুমারীচ্ছদ। গ্রিসের বিবাহের দেবী হাইমেনের নামানুসারে এ নামকরণ করা হয়। সতীচ্ছদের শারীরবৃত্তির গুরুত্ব কী এবং কতটা তা আজও সঠিকভাবে জানা যায়নি। তবে তা সব জাতির সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে কুমারীত্বের প্রতীক হিসেবে। সতীচ্ছদ নানা আকারে ও আকৃতির হতে পারে এবং কুমারিত্বের সঙ্গে এর তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। সাধারণত সতীচ্ছদ খুবই পাতলা ত্বকের ঝিল্লি বিশেষ, যা সহজেই ছিন্ন হওয়া সম্ভব, মিলনকালে পুরুষের বিশেষ অঙ্গের চাপ ছাড়াও-

দৌড় ঝাঁপ
ব্যায়াম
ঘোড়ায় চড়া
সাইকেল চালানো এবং
আত্মরতি করার ফলেও সতীচ্ছদ ছিন্ন হতে পারে।
নারীর বিশেষ অঙ্গের রক্ত বন্ধ করার জন্য কাপড় বা তুলার ন্যাপকিন ব্যবহারে অর্থাৎ ট্যাম্পুন ব্যবহারে নারীর সতীচ্ছদ ছিন্ন হতে পারে। কুমারিত্বের প্রতীক না হলেও প্রায়ই দেখা যায় প্রথম যৌনমিলনের সময় সতীচ্ছদ ছিন্ন হয়। সাধারণের মধ্যে একটা বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে, সতীচ্ছদ যদি অক্ষত থাকে তবে সেই নারী কখনো কোনো পুরুষের সঙ্গে সহবাস করেনি কিন্তু এ ধারণাও ঠিক নয়। জননেন্দ্রিয়ের এলাকার মধ্যে শুক্রাণু প্রবেশ করলে অতি প্রশ্রয়ের ফলে তা সতীচ্ছদের ছিদ্র দিয়ে ভেতরে চলে যেতে পারে। আর তখন ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

পর্যায়ভিত্তিক যে রক্তস্রাব প্রথম শুরু হয় জরায়ু থেকে তাকে রজোদর্শন বলে এবং ঋতুচক্রের একটি পর্ব মাত্র যা নিয়ন্ত্রিত হয় মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি এবং ডিম্বাশয় থেকে নির্গত হরমোনগুলোর দ্বারা। প্রথম মাসিক হয় যখন ইস্ট্রোজেন পরিমাণ কমে যায়, জরায়ুর গড়ে ওঠা আস্তরণ পরিত্যাগ করে ও তার গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন না নিয়েই, তারপর তা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় এবং রক্ত ও কোষগুলো জরায়ুতে পড়ে জরায়ুর মুখ দিয়ে এবং সেই পথে দেহের বাইরে। পরবর্তী সময়ের মাসিক চক্রের মতো একই ধরনের রক্ত প্রথম রজঃস্রাবে নির্গত হলেও ডিম্বাশয় কোনো পরিণত ডিম্বাণু উৎপাদন করে না। ডিম্বাশয়ের পূর্ণমাত্রায় কাজ করতে সময় লেগে যায় প্রায় কয়েক মাস এমনকি এক বছর ও কমবয়সী মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছানো না পর্যন্ত। যখন তার সন্তান জন্ম দেয়ার ক্ষমতা পূর্ণ মাত্রায় বিকশিত হয়ে ওঠে যদিও দেহ ও মনের দিক থেকে সে হয়তো পরিণত হয়ে ওঠেনি।
নারীর যোনির কর্মতৎপরতা
নারীর জননেন্দ্রিয়ের বহিঃস্থ অংশগুলোর নাম হলো ভগাঙ্কুর বা ক্লাইটোরিস এবং ল্যাবিয়া অর্থাৎ ভগের ওষ্ঠ যা একত্র করলে নাম হয় ভালভা বা স্ত্রী যোনিদ্বার। নারীর যোনির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশ হলো দুটি ওষ্ঠ বা ল্যাবিয়া। বহিঃস্থ এবং বৃহত্তর ল্যাবিয়া মেজেরো ওষ্ঠটির মধ্যে আছে স্থূল চর্মের আবরণ যা অন্যান্য অংশকে সুরক্ষিত করে রাখে। ওষ্ঠ দুটি ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে এসে পেরিনিয়ামের যোনিমুখ এবং পায়ুর মধ্যবর্তী ত্বক মূলে গিয়ে মিশে যায়। উপরে বাইরের দিকে বহিঃস্থ ওষ্ঠটি মিশে যায় চর্বিযুক্ত কলার প্যাডের সঙ্গে যেখানে যৌনকেশ এবং ত্বক থাকে। এই প্যাডটি নরম মাংসল অংশ আবৃত করে রাখে প
0 comments

৮ টি ভুল যা স্বামীরা যৌন মিলনের সময় করে থাকে?



বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমাদের দেশের স্বামীরা মিলনের সময় স্ত্রীদের আনন্দ দেওয়ার চেয়ে তাদেরকে লোভনীয় খাদ্যের মত গপাগপ গিলতেই বেশি পছন্দ করে। তাই এদেশের বহু মেয়ের কাছে (সবাই নয়) চরম যৌন সুখ পাওয়া যেন এক বহু আরাধ্যবস্তু। স্বামীদের এই রাক্ষুসে মনো ভাবের কারনেই অনেক সময় দেখা যায় যে তারা তাদের সম্পর্ক  টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয়। এমনকি এর ফলে স্বামী স্ত্রীর বন্ধনও ধ্বংসের মুখে পড়ে যাচ্ছে, পরকীয়া প্রেমের সূত্রপাত ঘটছে। এর প্রধান কারনই হচ্ছে যৌন মিলনে ও স্ত্রীরদের যৌন ইচ্ছা- আকাঙ্খা সম্পর্কে স্বামীদের স্বচ্ছ ধারনার অভাব থাকা।

বিদেশি ভাষায় এসব বিষয়ে অনেক বই পত্র থাকলেও বাংলায় তেমন নেই বললেই চলে। তাই কিছু বিদেশি বইয়ের সাহায্য নিয়ে  অভিজ্ঞতা থেকে যৌন মিলনের সময় স্বামীদের যে সকল ভুলের কারনে তাদের স্ত্রীদের বিরাগভাজন হতে হয় তার কয়েকটি সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরলাম।
সময়ের অভাবে আপাতত এসকল ভুলের প্রতিকার ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জানার
বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে পারলাম না। তবে আগামীতে সম্পুর্ন বাংলায়
একটা সারগর্ভ সেক্স গাইড  এই সাইটে আপলোড দিবো।

তার জন্য আপনাদের কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। আপাতত এই বিষয় গুলো আগে জেনে নিন

০১ প্রথমে চুমু না খাওয়া




যৌন মিলনের শুরুতেই সঙ্গিনীকে আদরের সাথে চুমু
না খেয়ে তার যৌনকাতর
স্থানগুলোতে (স্তন, যোনি, নিতম্ব,
নাভী ইত্যাদি) চলে গেলে তার
ধারনা হতে পারে যে আপনি তাকে টাকা দিয়ে ভাড়া করে দ্রুত
সেই টাকা উসুল করার চেষ্টা করছেন।
গভীরভাবে ভালোবাসার
সাথে সঙ্গিনীকে চুমু খাওয়া দুজনের
জন্যই প্রকৃতপক্ষে এক অসাধরন
যৌনানন্দময় যৌন মিলনের সূচনা করে।

০২ প্রথম থেকেই জোরে জোরে স্তন টিপা




বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায়
স্বামীরা স্ত্রীর স্তন হাতের
কাছে পাওয়া মাত্রই এমনভাবে টিপা শুরু
করে যেন ময়দা মাখাচ্ছে। কিছু
Extreme মেয়ে এরকমটা পছন্দ
করলেও বেশীরভাগ মেয়েই চূড়ান্ত
উত্তেজিত হওয়ার আগে এরকম
করাতে বেশ ব্যথা পায়। তাই
প্রথমে নিজের উত্তেজনাকে একটু
দাবিয়ে রেখে হলেও ধীরে ধীরে আদরের
সাথে ওর স্তনে হাত
বুলিয়ে বুলিয়ে টিপা শুরু করতে হবে।
তবে মেয়েই যদি জোরে টিপতে বলে তবে সেক্ষেত্রে কোন
সমস্যা নেই।

০৩ স্তনের বোটায় কামড় দেয়া




কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় কোন মেয়েই
সরাসরি তাদের স্তনের বোটায় কামড়
খেতে পছন্দ করে না।
স্বামীরা মনে করে এখানে কামড়
দিলে স্ত্রীকে বেশি বেশি উত্তেজিত
করে তোলা যায়। হ্যা কথাটা আংশিক
সত্যি। তবে এর সবচেয়ে ভালো উপায়
হল। প্রথমে মুখের ভিতরে যতটুক
পারা যায় স্তনটা পুরো বা আংশিক
ভরে নিতে হবে তারপর হাল্কা করে দাত
বুলানোর মত করে মুখ থেকে স্তনটা বের
করতে করতে নিপলে আলতো ভাবে দুই
দাঁতের ছোয়া লাগাতে হবে।

০৪ আঙ্গুল দিয়ে স্তনের বোটা মোড়ানো




অনেক স্বামী এমনভাবে স্ত্রীর বোটা আঙ্গুল
দিয়ে মোড়ায় যেন তারা রেডিও টিউন করছে।এটা ঠিক নয়।
হতে পারে বোটা স্ত্রীরদের স্তনের
সবচেয়ে স্পর্শকাতর স্থান, কিন্ত শুধুই
বোটায় এরকম করলে সেটা আনন্দদায়ক
নয়, বরং কিছুটা যন্ত্রনাদায়ক (Teasing) ।

তাই একহাতের আঙ্গুলে বোটা নিয়ে খেলার সময় অন্য
হাত দিয়ে সম্পুর্ন স্তনের উপরও নজর রাখতে হবে।

০৫ স্ত্রীর দেহের অন্যান্য অঙ্গের দিকে মনোযোগ না দেয়া




যৌন মিলনের সময়
স্বামীদের একটা কথা সবসময়
মনে রাখতে হবে যে স্ত্রীরদের স্তন,
যোনি আর নিতম্ব এই তিনটিই তাদের
একমাত্র যৌনকাতর স্থান নয়।
স্বামীদের মূল যৌন কাতর অঙ্গ তাদের
দেহের মাত্র কয়েকটি স্থানের
মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও স্ত্রীরদের প্রায়
পুরো দেহই স্পর্শকাতর (স্ত্রীরদের দেহের
কোন কোন অংশ গুলো বেশি যৌনকাতর
তা আপাতত এই সংক্ষিপ্ত রচনায় আর
ব্যাখ্যা করছি না।)।তাই তার দেহের
এমন একটি স্থানও যেন
না থাকে যেখানে স্বামীর ঠোটের
বা হাতের স্পর্শ যায়নি।

০৬ স্বামীদের হাত আটকে যাওয়া




স্ত্রীর যদি আক্রমনাত্নক
(Aggressive) যৌন মিলন পছন্দ
করে অথবা স্বামী নিজেই চরম উত্তেজিত
হয়ে মেয়ের যোনি, স্তন ইত্যাদি স্পর্শ
করার জন্য পাগলের মত
হাতরাতে থাকে তবে স্ত্রীর
প্যান্টি বা ব্রা তে তার হাত
আটকে যেতে পারে। ফলে বাধ্য
হয়ে থেমে সেটা ছাড়ানোর
চেষ্টা করতে গিয়ে যে রোমান্টিক
যৌনতার একটা আবেশ (Mood)
তৈরী হয়েছিল তা নস্ট হয়ে যেতে পারে।
তাই বেশি Aggressive যৌন মিলন শুরুর
আগেই ব্রা-প্যন্টি খুলে নেওয়া ভালো।

০৭ ভগাঙ্কুরে আক্রমন




অনেক স্বামীই স্ত্রীর যোনিতে আঙ্গুল দিয়ে ঘষতে গিয়ে  তার
ভগাঙ্কুরে (clitoris)
জোরে জোরে আঙ্গুল
ঘষে, বলতে গেলে আক্রমনই করে বসে।
যারা জানেন না তাদের জন্য
বলছি ভগাঙ্কুর হলো স্ত্রীরদের
সবচেয়ে যৌনকাতর স্থানগুলোর একটি।
এর অবস্থান হল যোনির ফুটোর
আশেপাশে যে পাতলা চামড়ার মত অংশ
(labia) আছে তার উপরের দিকে,
মেয়েদের প্রস্রাবের রাস্তার নিচে।
মেয়েরা যৌনত্তেজিত হলে এই
স্থানটি শক্ত হয়ে একটু ফুলে যায়
ফলে তা সহজেই দেখা যায়। এই
স্থানটি চরম স্পর্শকাতর হলেও
এতে জোরে
0 comments

ভ্যালেন্টাইন’স ডে’র কিছু অজানা তথ্য



দেখতে দেখতে এসেই গেল বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসা প্রকাশের জন্য সবচাইতে উপযোগী এই দিনটি সকলেই বেশ আনন্দের সাথে পালন করে থাকেন। কিন্তু এই ভালোবাসা দিবসের সম্পর্কে কতখানি জানেন আপনি? আপনি কি জানেন আগেকার যুগে এই দিবসে মেয়েরা স্বপ্নে ভবিষ্যৎ স্বামীর দেখা পাওয়া জন্য বিদঘুটে সব খাবার খেয়ে থাকতো? এরকমই ভ্যালেন্টাইন’স ডে সম্পর্কে আরও অনেক তথ্য আপনার কাছে একেবারেই অজানা। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কিছু অজানা তথ্য।

১) প্রতিবছর পুরোবিশ্বে যতো দিবস পালন করা হয় তার মধ্যে সব চাইতে বেশি সংখ্যক মানুষ পালন করে এই ভ্যালেন্টাইন’স ডে অর্থাৎ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। অন্যান্য কোন দিবসই এতোটা জনপ্রিয়তা পায় নি।

২) মানুষের ধারণা ছিল যদি কোনো নারী ভালোবাসা দিবসে উড়ন্ত রবিন পাখি দেখেন তাহলে তার বিয়ে হবে একজন নাবিকের সাথে। যদি চড়ুই পাখি দেখেন তাহলে একজন গরীব ব্যক্তির সাথে বিয়ে হবে কিন্তু তিনি সুখী হবেন।

৩) ষোলশ শতাব্দীতে সর্বপ্রথম ভ্যালেন্টাইন’স ডে এর জন্য হাতে বানানো কার্ড তৈরি হয়। এরপর ১৮০০ সালে ফ্যাক্টরিতে কার্ড বানানো চালু হয় যদিও কার্ডে রঙ করানো হতো ফ্যাক্টরি শ্রমিকদের দিয়ে।

৪) ইউনাইটেড স্টেটসের প্রায় ১৫% মহিলা যে চকলেট এবং ফুল উপহার পান ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে, তারা নিজেদেরকেই নিজেরা এই উপহার পাঠিয়ে থাকেন। কিন্তু তারা আসলে কি সম্পর্কে রয়েছেন, নাকি সম্পর্কে নেই কিংবা বিবাহিতা কিনা তা কেউ জানেন না।

৫) ভিক্টোরিয়ান সময়ে ভ্যালেন্টাইন’সের লাভ সাইনকে অশুভ এবং খারাপ ভাগ্যের প্রতীক ধরা হতো।

৬) ভালোবাসা দিবসে প্রায় ১ বিলিয়ন কার্ডের আদান-প্রদান হয়, যাকে দ্বিতীয় বৃহত্তম কার্ড সেন্ডিং সিজন ধরা হয়।

৭) ফিনল্যান্ডে ভ্যালেন্টাইন’স ডে পালিত হয় না। সেখানে পালিত হয়  ফ্রেন্ড’স ডে। বন্ধুবান্ধবের জন্য ভালোবাসা।

৮) মেডাইভাল যুগে মেয়েরা বিদঘুটে ধরণের অনেক খাবার খেতো ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে নিজের ভবিষ্যৎ স্বামীকে স্বপ্নে দেখার আশায়।

৯) রিচার্ড ক্যাডবেরি ১৮০০ সালে সর্বপ্রথম ভ্যালেন্টাইন’স ডে’র জন্য চকলেট বক্স তৈরি করেন।

১০) প্রায় ৩০ মিলিয়ন হার্ট আকৃতির চকলেট বিক্রি হয় প্রতিবছর ভ্যালেন্টাইন’স ডেতে।

১১) ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে যতো ফুল কেনা হয় তার মধ্যে ৭৩% কেনেন পুরুষেরা এবং মাত্র ২৭% নারীরা।

১২) অপরদিকে গিফট কেনার ক্ষেত্রে এগিয়ে আছেন মহিলাগণ। প্রায় ৮৫% গিফট কেনেন মহিলারা এবং মাত্র ১৫% পুরুষেরা।

১৩) প্রতিবছর ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে শুধুমাত্র ইউনাইটেড স্টেটসেই ১ বিলিয়ন মূল্যের চকলেট বিক্রয় হয়ে থাকে।

১৪) প্রতিবছর ভালোবাসা দিবসে গড়ে প্রায় ২,২০,০০০ টি বিয়ের প্রপোজাল দিয়ে থাকেন নারীপুরুষেরা।
0 comments
 
Helped By : WWW.KASPERWINDOW.TK | KasperWindowTemplate | Download This Template
Copyright © 2011. আমার কথা ঘর - All Rights Reserved
Template Created by Aehtasham Aumee Published by KasperWindow
Proudly powered by Blogger